পটুয়াখালী জেলায় রয়েছে নয়ানাভিরাম একটা সমুদ্র সৈকতের নাম সোনারচর (Sonarchar)। এছাড়া গলাচিপা লঞ্চঘাট সরাসরি সোনারচরে যাওয়ার স্পিড বোট ও ট্রলার ভাড়া করা যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

সোনারচর সম্পর্কে
পানপট্টি লঞ্চঘাট হতে ট্রলার কিংবা লঞ্চযোগে আসোনারচরহয়ে মায়াবী দ্বীপচর তাপসীর কাছে আসতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টা।
কোথায় থাকবেন
সোনারচরে দর্শনার্থীদের জন্য একটা ডাকবাংলো এবং বন বিভাগের ক্যাম্প রয়েছে। আর এই বনাঞ্চলের রয়েছে সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র। তাপসী থেকে সোনারচর যেতে প্রায় আধা ঘন্টা সময় লাগে।
পটুয়াখালী এবং গলাচিপায় নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ: দ্বীপে মোবাইল নেটওয়ার্ক বেশ দুর্বল হতে পারে এবং গ্রিড বিদ্যুৎ নেই। তাই প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত পানযোগ্য পানি সাথে নিয়ে রওনা দিতে হবে।
স্পিডবোটে যেতে কেবল দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। পটুয়াখালী (Patuakhali) জেলায় আগত বেশির ভাগ দর্শনার্থীই কুয়াকাটা দেখেই ফিরে যান। তাপসীর কাছে পৌঁছালেই সোনারচরকে অনুভব করার সুযোগ পাবেন।
পরবর্তীতে ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার সোনারচরকে বন্যপ্রাণীর অভয়রণ্য হিসাবে ঘোষণা করে। ২০০৪ সালে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে উঠা সোনার চরে পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগ বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি নানা বন্য প্রাণী ছেড়ে দেয়। কুয়াকাটার মত সোনাচর দ্বীপের একই জায়গা থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্থ উপভোগ করা যায়।
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী নন-এসি বাসের ভাড়া ৬০০-৮৫০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ৯৫০-১৪০০ টাকা। বর্ষায় সমুদ্র উত্তাল থাকায় যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সাথে পাওয়ার ব্যাংক রাখা জরুরি।
সোনারচরের বনাঞ্চলে দর্শনার্থীদের জন্য ডাকবাংলো ও বন বিভাগের ক্যাম্প রয়েছে। দিগন্ত বিস্তৃত সাগরের নীল জলরাশি ঘেরা সোনারচর সমূদ্র সৈকতে বালিতে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে যেন সোনার মতই মনে হয়। প্রায় ৫ হাজার একরের বিশাল বনভূমি রয়েছে এই সোনারচরে।
তাই বহুেই প্রকৃতির রূপ দেখতে ছুটে যান সোনারচরে। সতর্কতা ও পরামর্শভ্রমণের সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (শীতকাল) সোনারচর ভ্রমণের জন্য সর্বাধিক নিরাপদ ও উপযুক্ত সময়। সোনারচর সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ কিলোমিটার।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সড়ক পথে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী বহু কম সময়ে এবং সহজে পৌঁছানো যায়। আর গলাচিপা থেকে সোনারচরের যাওয়া আসা সহ ১ দিনের জন্য ট্রলার রিজার্ভ করতে ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হবে। তাই দর্শনার্থীের চাপহীন থাকে সোনারচরের সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল।
এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি গলাচিপা যাওয়ার লঞ্চ রয়েছে। যা আয়তনের দিক থেকে চমৎকারবনের পরের জায়গা দখল করে নিয়েছে। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা থেকে সোনারচরের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার।
চঞ্চল সাগরের ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, সৈকত জুড়ে লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ এবং জীববৈচিত্রপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল দর্শনার্থীদের মোহিত করে আপন মহিমায়। সোনারচরে ক্যাম্পিং: সোনারচরে ক্যাম্পিং করে থাকতে গেলে বা ঘুরতে গেলে একসাথে কয়েকজনের গ্রুপ করে গেলেই সবচেয়ে ভাল হবে। খাবার ও পানি: সোনারচরে উন্নত মানের কোনো রেস্তোরাঁ নেই।
সাগরের মাঝে রয়েছে সোনারচর দ্বীপের দুর্গম ও বিপদসঙ্কুল যোগাযোগ ব্যবস্থা যেন সৌন্দর্য পাগল দর্শনার্থীদের অদম্য ইচ্ছার কাছে হার মেনেছে। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে পানপট্টি লঞ্চঘাট। আরও ভালো কোথাও থাকতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা শহর অথবা গলাচিপা উপজেলা সদরে আসতে হবে।
এছাড়া সোনারচরে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী পৌঁছানো যায়। আবার কুয়াকাটা থেকে ইঞ্চিন চালিত ট্রলারে তিন ঘন্টায় সোনারচরে যাওয়া যায়। আবহ রক্ষা: অভয়ারণ্য হওয়ায় বনে প্লাস্টিক বা ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না এবং বন্যপ্রাণীদের বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন।
কীভাবে যাবেন?
নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী পৌঁছানো যায়।
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী নন-এসি বাসের ভাড়া ৬০০-৮৫০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ৯৫০-১৪০০ টাকা।
তাপসী থেকে সোনারচর যেতে প্রায় আধা ঘন্টা সময় লাগে।
আর গলাচিপা থেকে সোনারচরের যাওয়া আসা সহ ১ দিনের জন্য ট্রলার রিজার্ভ করতে ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হবে।
এছাড়া গলাচিপা লঞ্চঘাট সরাসরি সোনারচরে যাওয়ার স্পিড বোট ও ট্রলার ভাড়া করা যায়।
এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি গলাচিপা যাওয়ার লঞ্চ রয়েছে।
কোথায় থাকবেন?
সোনারচরে দর্শনার্থীদের জন্য একটা ডাকবাংলো এবং বন বিভাগের ক্যাম্প রয়েছে। আরও ভালো কোথাও থাকতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা শহর অথবা গলাচিপা উপজেলা সদরে আসতে হবে। পটুয়াখালী এবং গলাচিপায় নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। এছাড়া সোনারচরে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন।
ট্রাভেল টিপস
ভ্রমণের সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (শীতকাল) সোনারচর ভ্রমণের জন্য সর্বাধিক নিরাপদ ও উপযুক্ত সময়। সোনারচরে ক্যাম্পিং: সোনারচরে ক্যাম্পিং করে থাকতে গেলে বা ঘুরতে গেলে একসাথে কয়েকজনের গ্রুপ করে গেলেই সবচেয়ে ভাল হবে। তাই প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত পানযোগ্য পানি সাথে নিয়ে রওনা দিতে হবে। খাবার ও পানি: সোনারচরে উন্নত মানের কোনো রেস্তোরাঁ নেই। তাই সাথে পাওয়ার ব্যাংক রাখা জরুরি। বর্ষায় সমুদ্র উত্তাল থাকায় যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ: দ্বীপে মোবাইল নেটওয়ার্ক বেশ দুর্বল হতে পারে এবং গ্রিড বিদ্যুৎ নেই। আবহ রক্ষা: অভয়ারণ্য হওয়ায় বনে প্লাস্টিক বা ময়লা আবর্জনা ফ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সোনারচর কীভাবে যাবেন?
নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে পটুয়াখালী নন-এসি বাসের ভাড়া ৬০০-৮৫০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ৯৫০-১৪০০ টাকা। তাপসী থেকে সোনারচর যেতে প্রায় আধা ঘন্টা সময় লাগে। আর গলাচিপা থেকে সোনারচরের যাওয়া আসা সহ ১ দিনের জন্য ট্রলার রিজার্ভ করতে ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হবে। এছাড়া গলাচিপা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সোনারচরে দর্শনার্থীদের জন্য একটা ডাকবাংলো এবং বন বিভাগের ক্যাম্প রয়েছে। আরও ভালো কোথাও থাকতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা শহর অথবা গলাচিপা উপজেলা সদরে আসতে হবে। পটুয়াখালী এবং গলাচিপায় নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। এছাড়া সোনারচরে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন।
সোনারচর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পটুয়াখালী জেলায় রয়েছে নয়ানাভিরাম একটা সমুদ্র সৈকতের নাম সোনারচর (Sonarchar)। এছাড়া গলাচিপা লঞ্চঘাট সরাসরি সোনারচরে যাওয়ার স্পিড বোট ও ট্রলার ভাড়া করা যায়। পানপট্টি লঞ্চঘাট হতে ট্রলার কিংবা লঞ্চযোগে আসোনারচরহয়ে মায়াবী দ্বীপচর তাপসীর কাছে আসতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

