নীলফামারী জেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে রয়েছে একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ দিঘীর নাম নীলসাগর (Nilsagar)। অষ্টম শতাব্দীতে বৈদিক রাজা ‘বিরাট’ এই ইতিহাস-সমৃদ্ধ দিঘিটি খনন করেন বলে ধারণা করা হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

নীলসাগর সম্পর্কে
আসনভেদে টিকিটের খরচ পরবে ৬২৫ থেকে ২,২০৭ টাকা। কোথায় থাকবেননীলফামারী (Nilphamari) শহরে রাতে থাকার জন্য নানা মানের বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর দিঘীর পাড়ের ভবিষ্যৎ সৌন্দর্য অক্ষত রাখতে পাড়ে লাগানো হয়েছে বেশকিছু নানা ধরণের বৃক্ষ।
এখন নীলসাগরের আশেপাশের আবহকে ভ্রমণপিপাসু মানুষের চিত্তবিনোদনের উপযোগী করার জন্য নানা ধরণের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। আর প্রকৃতির অপরূপ রূপের জন্য সুপরিচিত এই নীলসাগরে শীতকালে অসংখ্য অতিথি পাখির দেখা মিলে। ১৯৯৮ সালে নীলসাগরকে পাখিদের অভয়ারণ্য হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
এর মধ্যে জল ভাগের মোট আয়তন ৩২.৭০ একর এবং দিঘির পাড়ের জমির পরিমাণ ২১ একর। এছাড়া প্রতি বছর চৈত্রসংক্রান্তিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নীলসাগরে বারুণী স্নান উৎসবের আয়োজন করে থাকে। এসি/নন-এসি এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৯০০ থেকে ১৬৫০ টাকা পর্যন্ত।
নীলসাগরের পূর্ব পাড়ে আছে একটা মন্দির এবং পশ্চিম পাড়ে দরবেশের আস্তানা। তাছাড়া ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এর বিমানে চড়ে কেবল ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারবেন। নীলফামারী হতে নীলসাগর যাওয়ার জন্য অটোরিক্সা এবং সিএনজি ভাড়া করার সুযোগ পাবেন।
বিরাট রাজার নামানুসারে একসময় দিঘীটি বিরাট দিঘী নামে পরিচিতি লাভ করে৷ পরবর্তীতে বহুে একে বিন্না দিঘি নামে ডাকতে শুরু করে এবং ১৯৭৯ সালে এই দিঘীটির নামকরণ করা হয় নীলসাগর। এছাড়া চৈত্র মাসের পূর্ণিমাযর সময় এখানে গ্রাম্য মেলার আয়োজন করা হয়। নীলসাগরের মোট জমির পরিমাণ ৫৩.৯০ একর।
সৈয়দপুর থেকে সহজেই নীলফামারী যেতে পারবেন। সাথে নির্মাণ করা হয়েছে একটা রেস্ট হাউস, প্রবেশ তোরণ এবং মসজিদ। ঢাকার গাবতলী থেকে এস আর ট্রাভেলস, শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস, নাবিল পরিবহন ও হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর বাসে নীলফামারী যাওয়া যায়।
নীলফামারী জেলা সদর থেকে নীলসাগরের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। নীলসাগর দিঘীর পাড়ে আছে বনবাবুল, নারকেল, মেহগনি, শিশু এবং আকাশমণি সহ নানা জানা-অজানা ফুল ও ফল গাছের সারি। আর ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর হতে নীলসাগর এক্সপ্রেস অথবা চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে যেতে পারবেন।
প্রায় প্রত্যেক দিনই দরবেশের আস্তানায় দেহতত্ত্ব গানের আসর জমে।
কীভাবে যাবেন
সড়ক পথে ঢাকা হতে নীলফামারীর দূরত্ব ৩৪৮ কিলোমিটার এবং নীলফামারী জেলা সদরের জিরো পয়েন্ট থেকে নীলসাগরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এদের মধ্যে এ্যাপোলো, বনফুল, অবকাশ এবং নাভানা অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
সড়ক পথে ঢাকা হতে নীলফামারীর দূরত্ব ৩৪৮ কিলোমিটার এবং নীলফামারী জেলা সদরের জিরো পয়েন্ট থেকে নীলসাগরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার।
তাছাড়া ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এর বিমানে চড়ে কেবল ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারবেন।
আসনভেদে টিকিটের খরচ পরবে ৬২৫ থেকে ২,২০৭ টাকা।
এসি/নন-এসি এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৯০০ থেকে ১৬৫০ টাকা পর্যন্ত।
সৈয়দপুর থেকে সহজেই নীলফামারী যেতে পারবেন।
আর ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর হতে নীলসাগর এক্সপ্রেস অথবা চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
নীলফামারী (Nilphamari) শহরে রাতে থাকার জন্য নানা মানের বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে এ্যাপোলো, বনফুল, অবকাশ এবং নাভানা অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নীলসাগর কীভাবে যাবেন?
সড়ক পথে ঢাকা হতে নীলফামারীর দূরত্ব ৩৪৮ কিলোমিটার এবং নীলফামারী জেলা সদরের জিরো পয়েন্ট থেকে নীলসাগরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। তাছাড়া ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এর বিমানে চড়ে কেবল ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারবেন। আসনভেদে টিকিটের খরচ পরবে ৬২৫ থেকে ২,২০৭
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নীলফামারী (Nilphamari) শহরে রাতে থাকার জন্য নানা মানের বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে এ্যাপোলো, বনফুল, অবকাশ এবং নাভানা অন্যতম।
নীলসাগর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নীলফামারী জেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে রয়েছে একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ দিঘীর নাম নীলসাগর (Nilsagar)। অষ্টম শতাব্দীতে বৈদিক রাজা ‘বিরাট’ এই ইতিহাস-সমৃদ্ধ দিঘিটি খনন করেন বলে ধারণা করা হয়। আসনভেদে টিকিটের খরচ পরবে ৬২৫ থেকে ২,২০৭ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
