প্রায় ছয়শত বছরের প্রাচীন ধানুকা মনসা বাড়ি (Dhanuka Manasha Bari) শরীয়তপুর জেলার প্রবীণ ব্যক্তিবর্গের কাছে ময়ুর ভট্টের বাড়ি নামে পরিচিত। তৎকালীন সময়ে মনসা দেবীর পূজো দেয়ার জন্য ভারতের নানা এলাকা থেকে ময়ূর ভট্টের বাড়ীতে অসংখ্য লোকের আগমণ ঘটতো।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

ধানুকা মনসা বাড়ি সম্পর্কে
শরীয়তপুর জেলা সদরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী উল্লেখযোগ্য। আর তখন থেকেই ময়ূর ভট্ট বাড়ি হয়ে যায় মনসা বাড়ি এবং বাড়িটির অবজায়গা ধানুকা গ্রামে হওয়ায় মনসা বাড়ির সাথে ধানুকা শব্দটি যুক্ত হয়ে ধানুকা মনসা বাড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। যার মধ্যে আছে দুর্গা মন্দির, মনসা মন্দির, কালি মন্দির, নহবতখানা এবং আবাসিক ভবন।
ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে।
কোথায় থাকবেন
শরীয়তপুর জেলায় খুব ভাল হোটেল আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। তখন থেকেই মনসা বাড়ি হিসাবে বাড়িটির নাম চারদিকে প্রচার হতে থাকে। ময়ূর ভট্ট বাড়ির এক কিশোর পর পর তিন দিন বাগানে ফুল কুড়াতে গিয়ে একটা বিশালাকার সাপ দেখতে পায়।
আপনার সাধ্যের মধ্যে যেকোন হোটেল থেকে খাবার খেতে পারবেন। সেই রাতে মনসা দেবী ভট্টবাড়ির লোকদের স্বপ্নে দর্শন দিয়ে মনসা মন্দির স্থাপন এবং পূজা আয়োজনের নির্দেশ দেন। শরীয়তপুর শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সা যোগে মনসা বাড়িতে যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
শরীয়তপুর জেলা শহরে খাবারের জন্য নানা মানের চাইনিজ এবং বাংলা খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন।
কীভাবে যাবেন
মনসা বাড়িটি দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই শরীয়তপুর জেলায় আসতে হবে। ধানুকা মনসা বাড়িতে সুলতানী ও মোগল আমলের স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত ৫ টি ইমারত রয়েছে। শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ধানুকা গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী ধানুকা মনসা বাড়ির অবজায়গা।
ধানুকা মনসা বাড়িতে একটা পিতলের মূর্তি রয়েছে। যা এক সময় হারিয়ে যায় এবং বেশকিছু বছর পর কীর্তিনাশা নদী থেকে জেলেরা উদ্ধার করে। যা এখন শরীয়তপুর জেলার বেসরকারি পাবলিক লাইব্রেরীতে সংরক্ষিত আছে।
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। বলে রাখা ভাল কীর্তিনাশা হচ্ছে পদ্মা নদীর অন্য নাম। চর্তুথ দিন সাপটি বাড়ির উঠোনে নৃত্য করতে থাকে।
শরীয়তপুর শহরে খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁের মধ্যে উৎসব চাইনিজ রেস্তোরাঁ, হোটেল জনতা, চিকন্দি ফুড পার্ক, চিলেকোঠা ক্যাফে এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৩ সালে ধানুকার মনসা বাড়ি থেকে ইতিহাস গবেষক মাস্টার জালাল উদ্দিন আহম্মেদের কাঠের বাধাই করা তুলট কাগজে লিখিত পুথি উদ্ধার করা হয়। যদিও মনসা বাড়ি নামকরণের আরো একটা কাহিনী প্রচলিত আছে।
আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
কীভাবে যাবেন?
মনসা বাড়িটি দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই শরীয়তপুর জেলায় আসতে হবে।
শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ধানুকা গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী ধানুকা মনসা বাড়ির অবজায়গা।
ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে।
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা।
শরীয়তপুর শহরের যেকোন জায়গা থেকে রিক্সা যোগে মনসা বাড়িতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
শরীয়তপুর জেলায় খুব ভাল হোটেল আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। শরীয়তপুর জেলা সদরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
শরীয়তপুর জেলা শহরে খাবারের জন্য নানা মানের চাইনিজ এবং বাংলা খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন। আপনার সাধ্যের মধ্যে যেকোন হোটেল থেকে খাবার খেতে পারবেন। শরীয়তপুর শহরে খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁের মধ্যে উৎসব চাইনিজ রেস্তোরাঁ, হোটেল জনতা, চিকন্দি ফুড পার্ক, চিলেকোঠা ক্যাফে এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ধানুকা মনসা বাড়ি কীভাবে যাবেন?
মনসা বাড়িটি দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই শরীয়তপুর জেলায় আসতে হবে। শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ধানুকা গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী ধানুকা মনসা বাড়ির অবজায়গা। ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে। বা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
শরীয়তপুর জেলায় খুব ভাল হোটেল আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। শরীয়তপুর জেলা সদরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী উল্লেখযোগ্য।
ধানুকা মনসা বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
প্রায় ছয়শত বছরের প্রাচীন ধানুকা মনসা বাড়ি (Dhanuka Manasha Bari) শরীয়তপুর জেলার প্রবীণ ব্যক্তিবর্গের কাছে ময়ুর ভট্টের বাড়ি নামে পরিচিত। তৎকালীন সময়ে মনসা দেবীর পূজো দেয়ার জন্য ভারতের নানা এলাকা থেকে ময়ূর ভট্টের বাড়ীতে অসংখ্য লোকের আগমণ ঘটতো। শরীয়তপুর জেলা সদরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


