ঠাকুরগাঁও জেলার নানা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বালিয়া মসজিদ (Balia Mosque) অন্যতম। ঠাকুরগাঁও যেতে ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেণীভেদে ৬৫০ থেকে ২২৩৭ টাকা লাগে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

বালিয়া মসজিদ সম্পর্কে
মেঝে থেকে প্রায় ১৭ ফুট উঁচু বালিয়া মসজিদের ছাদে ৩টি গম্বুজ এবং ৮টি মিনার রয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলা সদরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ফানসিটি শিশু পার্ক ঘুরে দেখতে পারেন। ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে ঠাকুরগাঁও আসা যায়।
বাস ভাড়া জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং অটোরিক্সা রিজার্ভ নিতে ১০০ টাকা খরচ হবে।
কীভাবে যাবেন
ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) জেলা সদর হতে পঞ্চগড় মহাসড়ক ধরে ১০ কিলোমিটার উত্তর দিকে এগিয়ে গেলেই রয়েছে ভুল্লিবাজার। ভুল্লিবাজার থেকে বালিয়া গ্রামের দূরত্ব তিন কিলোমিটার। ২০০৫ সালে বালিয়া মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়।
এইসকল পরিবহনের জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া এসি/নন-এসি ৮০০-১৮০০ টাকা। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর থেকে একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ঠাকুরগাঁও এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
সড়ক পথে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও এর পথে বেশকিছু বাস সার্ভিস চলাচল করে তাদের মধ্যে কর্ণফুলী পরিবহন (01674-805164), হানিফ এন্টারপ্রাইজ, নাবিল পরিবহন, এনা, হানিফ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ এবং কেয়া পরিবহন অন্যতম। চুন-সুরকি, হাতে পোড়ানো ইট এবং টাইল দ্বারা নির্মিত মসজিদের দেয়ালে লাল ইট কেটে পদ্ম, কলস, ঘণ্টা, আমলকী এবং ডিশ-বাটি আকৃতির নানা নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মসজিদ কমপ্লেক্সটি সদর দরজা, খোলা চত্বর এবং মূল দালান এই তিন অংশের সমন্বয়ে তৈরী করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ভুল্লিবাজার যাওয়ার বাস ও অটোরিক্সা পাওয়া যায়। ভুল্লিবাজার হতে ভ্যানে চড়ে বালিয়া মসজিদ যেতে পারবেন। প্রচলিত আছে, কোন এক অমাবস্যার রাতে কিছু জ্বীন এই অঞ্চলর উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এখানে একটা মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং সারা রাত ধরে তারা মসজিদের নির্মাণের কাজ করতে থাকে।
মসজিদের গায়ে খোদাকৃত তথ্যানুসারে ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (ইংরেজী ১৯১০ সাল) এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
কোথায় খাবেন
প্রাত্যহিক খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য এখানে সাধারণ ও মধ্যম মানের হোটেল-রেস্তোরাঁ পাবেন। আর মূল মসজিদটি পিলারহীন ৪২ ইঞ্চি প্রশস্ত দেয়ালের উপর নির্মিত। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য।
কোথায় থাকবেন
ঠাকুরগাঁও-এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। ইতিহাস হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বালিয়ার জমিদারকন্যা গুলমতি চৌধুরানির স্বামী মেহের বক্স চৌধুরী ‘বালিয়া মসজিদ’ নির্মাণ করেন। পরবর্তী প্রায় শতবছর ধরে এই বালিয়া মসজিদটি গম্বুজহীন অবস্থায় পরিত্যাক্ত ছিল।
পূর্ব-পশ্চিমে ৬২ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং উত্তর-দক্ষিণে ৬৯ ফুট ২ ইঞ্চি দীর্ঘ আয়তকার মসজিদটি সমতল ভূমি হতে প্রায় ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার একটা প্লাটফর্মের উপর দাঁড়িয় রয়েছে। অতঃপর জ্বীনেরা মসজিদের কাজ অসম্পন্ন রেখেই প্রজায়গা করে। বালিয়া মসজিদ ছাড়া আর যা যা দেখবেনবালিয়া মসজিদের পাশে রয়েছে মলানি গ্রামে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হতে পারেন।
বালিয়া মসজিদের সাথে ঢাকার নানা মোগল স্থাপনার মিল পাওয়া যায়। রাত শেষে যখন ভোর হয়ে আসে তখনও মসজিদের গম্বুজ নির্মাণের কাজ বাকি ছিল। তাই ধারণা করা হয় মেহের বক্স চৌধুরীর মৃত্যুর ফলেই বালিয়া মসজিদের নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ ছিল।
প্রচলিত এই ঘটনার জন্য বহুের কাছে বালিয়া মসজিদটি জ্বীনের মসজিদ নামে পরিচিত। পরবর্তীতে ২০১০ সালে মসজিদটি মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়া হয়। আবার মেহের বক্স চৌধুরী ১৩১৭ বঙ্গাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
যদিও আমের সিজনে ঠাকুরগাঁও গেলে অবশ্যই এখানকার সুপরিচিত সূর্যপুরী আম খেয়ে আসবেন। রানীশংকৈল উপজেলার কুলিক নদীর তীরে রয়েছে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি। কিন্তু মসজিদের নির্মাণ কাল বিষয়ে কোন সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বুড়ির বাঁধ অঞ্চল থেকে ভারতের কাঞ্চনজংঘা রূপ দর্শন করার সুযোগ রয়েছে।
কীভাবে যাবেন?
ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) জেলা সদর হতে পঞ্চগড় মহাসড়ক ধরে ১০ কিলোমিটার উত্তর দিকে এগিয়ে গেলেই রয়েছে ভুল্লিবাজার।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ভুল্লিবাজার যাওয়ার বাস ও অটোরিক্সা পাওয়া যায়।
বাস ভাড়া জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং অটোরিক্সা রিজার্ভ নিতে ১০০ টাকা খরচ হবে।
ভুল্লিবাজার থেকে বালিয়া গ্রামের দূরত্ব তিন কিলোমিটার।
ভুল্লিবাজার হতে ভ্যানে চড়ে বালিয়া মসজিদ যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঠাকুরগাঁও-এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
প্রাত্যহিক খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য এখানে সাধারণ ও মধ্যম মানের হোটেল-রেস্তোরাঁ পাবেন। যদিও আমের সিজনে ঠাকুরগাঁও গেলে অবশ্যই এখানকার সুপরিচিত সূর্যপুরী আম খেয়ে আসবেন। পীরগঞ্জ উপজেলা সদরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ফানসিটি শিশু পার্ক ঘুরে দেখতে পারেন। রানীশংকৈল উপজেলার কুলিক নদীর তীরে রয়েছে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি। বালিয়া মসজিদ ছাড়া আর যা যা দেখবেন বালিয়া মসজিদের পাশে রয়েছে মলানি গ্রামে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হতে পারেন। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বুড়ির বাঁধ অঞ্চল থেকে ভারতের কাঞ্চনজংঘা রূপ দর্শন করার সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বালিয়া মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) জেলা সদর হতে পঞ্চগড় মহাসড়ক ধরে ১০ কিলোমিটার উত্তর দিকে এগিয়ে গেলেই রয়েছে ভুল্লিবাজার। ঠাকুরগাঁওয়ের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ভুল্লিবাজার যাওয়ার বাস ও অটোরিক্সা পাওয়া যায়। বাস ভাড়া জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং অটোরিক্সা রিজার্ভ নিতে ১০০ টাকা খরচ হবে। ভুল্লিবাজার থেকে বালিয়া গ্রামের দূরত্
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঠাকুরগাঁও-এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য।
বালিয়া মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঠাকুরগাঁও জেলার নানা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বালিয়া মসজিদ (Balia Mosque) অন্যতম। ঠাকুরগাঁও যেতে ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেণীভেদে ৬৫০ থেকে ২২৩৭ টাকা লাগে। মেঝে থেকে প্রায় ১৭ ফুট উঁচু বালিয়া মসজিদের ছাদে ৩টি গম্বুজ এবং ৮টি মিনার রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
