bangladesh · Editorial

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণ মারি সীমান্তের মন্ডু মালা গ্রামে এমন ব্যতিক্রমী এক প্রাচীন আম গাছ রয়েছে যা দেখার জন্য মানুষের মধ্যে রয়েছে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণ মারি সীমান্তের মন্ডু মালা গ্রামে এমন ব্যতিক্রমী এক প্রাচীন আম গাছ রয়েছে যা দেখার জন্য মানুষের মধ্যে রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। ফলে এটি এশিয়া মহাদেশের সর্বাধিক বড় আম গাছের স্বীকৃতি পেয়েছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ সম্পর্কে

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছটি প্রায় ৮০-৯০ ফুট উঁচু এবং এর পরিধি প্রায় ৩৫ ফুট। আম গাছের ৩ দিক দিয়ে ১৯টি মোটা মোটা ডাল পালা বেড়ে উঠেছে। বালিয়াডাঙ্গী থেকে জায়গাীয় যানবাহনে হরিণ মাড়ির মন্ডু মালা গ্রামে রয়েছে সূর্য্যপূরী আমগাছ দেখতে পৌঁছাতে পারবেন।

আর বালিয়াডাঙ্গী থেকে হরিণমারীর দূরত্ব আরও ১০ কিলোমিটার। বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ (Surjapuri Mango Tree) নামে পরিচিত প্রায় ২০০ বছরেরও পুরনো এই আম গাছটি ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলর প্রায় ২.৫ বিঘা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। দূর থেকে দেখে গাছের প্রতিটি ডালকে এক একটা আম গাছ বলে মনে হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সূর্য্যপূরী আমগাছ দেখতে হলে প্রথমে ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) রওনা দিতে হবে। কয়েক ধরনের শুঁটকি ও মশলা মিশিয়ে বানানো “সিদল ভর্তা” এবং চালের গুড়ার তৈরী পিঠা ঠাকুরগাঁও জেলার পরিচিত খাবার। ঠাকুরগাঁও থেকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার।

প্রত্যেক দিন বহু ভ্রমণকারী এই গাছটি দেখতে আসে। উত্তরাধিকার সুত্রে বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছটির বর্তমান মালিক নূর ইসলাম ও সাইদুর ইসলাম। নুর ইসলাম এর বাবার দাদা গাছটি লাগিয়েছিলেন।

এত সুপরিচিত এই আম গাছটি কবে লাগানো হয়েছে সেই সম্পর্কে সঠিকভাবে কেউ কোন তথ্য দিতে না পারলেও ধারনা করা হয় বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছটির বয়স ২০০ বছরেরও বেশী। বাস ভেদে ভাড়া পড়বে ৮০০-১৮০০ টাকা আর ট্রেনে ৬৫০-২,২৩৭ টাকা। বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ কাছ থেকে দেখতে চাইল জনপ্রতি ২০ টাকা প্রদান করতে হয়।

আর ঠাকুরগাঁও সদরে মুন্সির হোটেল, উজ্জল হোটেল, বাবুর হোটেল, শহিদুল হোটেল, নিরিবিলি হোটেল, আনসারি হোটেল ও নিউ সুরুচি হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁের মতো বেশকিছু জায়গাীয় খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। কোথায় থাকবেনঠাকুরগাঁওয়ের নর্থ সার্কুলার রোডে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্‌ জালাল ও হোটেল সাদেকের মতো বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। এছাড়া পঞ্চগড় রুটে চলাচলকারী যেকোন ট্রেনে ঠাকুরগাঁও যাওয়া যায়।

কোথায় খাবেনঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বেশকিছু মধ্যম মানের রেস্তোরা আছে। প্রতি বছর গাছটিতে প্রচুর আম হয়, যার প্রতিটির ওজন থাকে প্রায় ২০০-২৫০ গ্রাম। ঢাকা থেকে কর্ণফুলী, হানিফ, নাবিল, কেয়া বা বাবলুর মতো বাসে ঠাকুরগাঁও যেতে পারবেন।

গাছটিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের জন্য গাছটির চারপাশে টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে এবং ১৫ জন লোক নিয়মিত গাছটির রক্ষণাবেক্ষণ করে। তাছাড়া সরকারী সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজের প্রয়োজনে থাকতে পারবেন। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে এই গাছের আম বিশেষত পরিচিত, সেকারণে এই আমের দাম বহুটাই বেশী।

ঠাকুরগাঁও হতে বালিয়াডাঙ্গী যাওয়ার লোকাল বাস সার্ভিস আছে। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাঠাকুরগাঁওয়ের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বালিয়া মসজিদ, ফান সিটি শিশু পার্ক ও রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সূর্য্যপূরী আমগাছ দেখতে হলে প্রথমে ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) রওনা দিতে হবে।

ঠাকুরগাঁও হতে বালিয়াডাঙ্গী যাওয়ার লোকাল বাস সার্ভিস আছে।

বাস ভেদে ভাড়া পড়বে ৮০০-১৮০০ টাকা আর ট্রেনে ৬৫০-২,২৩৭ টাকা।

ঢাকা থেকে কর্ণফুলী, হানিফ, নাবিল, কেয়া বা বাবলুর মতো বাসে ঠাকুরগাঁও যেতে পারবেন।

আর বালিয়াডাঙ্গী থেকে হরিণমারীর দূরত্ব আরও ১০ কিলোমিটার।

এছাড়া পঞ্চগড় রুটে চলাচলকারী যেকোন ট্রেনে ঠাকুরগাঁও যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?

ঠাকুরগাঁওয়ের নর্থ সার্কুলার রোডে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্‌ জালাল ও হোটেল সাদেকের মতো বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সরকারী সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজের প্রয়োজনে থাকতে পারবেন।

কোথায় খাবেন?

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বেশকিছু মধ্যম মানের রেস্তোরা আছে। কয়েক ধরনের শুঁটকি ও মশলা মিশিয়ে বানানো “সিদল ভর্তা” এবং চালের গুড়ার তৈরী পিঠা ঠাকুরগাঁও জেলার পরিচিত খাবার। আর ঠাকুরগাঁও সদরে মুন্সির হোটেল, উজ্জল হোটেল, বাবুর হোটেল, শহিদুল হোটেল, নিরিবিলি হোটেল, আনসারি হোটেল ও নিউ সুরুচি হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁের মতো বেশকিছু জায়গাীয় খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাঠাকুরগাঁওয়ের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বালিয়া মসজিদ, ফান সিটি শিশু পার্ক ও রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সূর্য্যপূরী আমগাছ দেখতে হলে প্রথমে ঠাকুরগাঁও (Thakurgaon) রওনা দিতে হবে। ঠাকুরগাঁও হতে বালিয়াডাঙ্গী যাওয়ার লোকাল বাস সার্ভিস আছে। বাস ভেদে ভাড়া পড়বে ৮০০-১৮০০ টাকা আর ট্রেনে ৬৫০-২,২৩৭ টাকা। ঢাকা থেকে কর্ণফুলী, হানিফ, নাবিল, কেয়া বা বাবলুর মতো বাসে ঠাকুরগাঁও যেতে পারবেন। আর বালিয়াডাঙ্গী

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ঠাকুরগাঁওয়ের নর্থ সার্কুলার রোডে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্‌ জালাল ও হোটেল সাদেকের মতো বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সরকারী সার্কিট হাউজ ও জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজের প্রয়োজনে থাকতে পারবেন।

বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণ মারি সীমান্তের মন্ডু মালা গ্রামে এমন ব্যতিক্রমী এক প্রাচীন আম গাছ রয়েছে যা দেখার জন্য মানুষের মধ্যে রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। ফলে এটি এশিয়া মহাদেশের সর্বাধিক বড় আম গাছের স্বীকৃতি পেয়েছে। বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছটি প্রায় ৮০-৯০ ফুট উঁচু এবং এর পরিধি প্রা

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide rangpur
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.