তাজহাট জমিদার বাড়ি (Tajhat Palace) দেখতে হলে রংপুর বিভাগীয় শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে মাহিগঞ্জের তাজহাট গ্রামে রওনা দিতে হবে। আর শীতকালীন সময় অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ মাস সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত পরিদর্শনের জন্য খোলা থাকে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: প্রাপ্তবয়স্ক সকল বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য রংপুর জাদুঘরে ভেতরে যেতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের তাজহাট জমিদার বাড়ি ভেতরে যেতে ১০ টাকা দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যদিও ৫

তাজহাট জমিদার বাড়ি সম্পর্কে
লাল ইট, শ্বেত ও চুনা পাথর দ্বারা নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট তাজহাট জমিদার বাড়ির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় জমিদার গোপালের ব্যবহৃত নানা জিনিস রাখা আছে। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রায় ২০০০ রাজমিস্ত্রির নিরলস পরিশ্রমে বর্তমান তাজহাট জমিদার বাড়ি পূর্ণতা লাভ করে। আপনি যদি আরামদায়ক ভ্রমণ পছন্দ করেন, যদিও ট্রেন একটা চমৎকার বিকল্প।
এসব বাসে চড়ে রংপুর যেতে জনপ্রতি ৭৫০ থেকে ১৬০০ টাকা ভাড়া লাগে। ঢাকা থেকে সরাসরি রংপুর এক্সপ্রেস (সকাল ৯:১০) এবং কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (রাত ৮:০০) চলাচল করে, যার ভাড়া আসনভেদে ৬৩০ টাকা থেকে শুরু করে ২,২১৮ টাকা পর্যন্ত। মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের তাজহাট জমিদার বাড়ি ভেতরে যেতে ১০ টাকা দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যদিও ৫ বছরের কম বাচ্চাদের ভেতরে যেতে কোন টিকেট লাগে না।
জমিদার মান্নালাল মারা যাবার পর তাঁর দত্তক পুত্র গোপাল লাল রায় বাহাদুর জমিদারি পরিচালনা শুরু করেন। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশের ভ্রমণকারীর প্রবেশের টিকেট মূল্য ২০০ টাকা এবং অন্য যেকোন বিদেশীদের প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৪০০ টাকা। রংপুর শহর থেকে রিকশাযোগে তাজহাট জমিদার বাড়ি যেতে কেবল ৪০ টাকা ভাড়া লাগে।
রংপুরে উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নর্থভিউ, পর্যটন মোটেল, দি পার্ক হোটেল, হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার, হোটেল তিলোত্তমা, হোটেল কাশপিয়া। আর আছে নানা রকম ফুল ও মেহগনি, কামিনী, আম এবং কাঁঠাল বাগান। প্রায় ২১০ ফুট প্রস্থের প্রাচীন মুঘল স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত তাজহাট জমিদার বাড়িতে ইতালীয় মার্বেল পাথরে তৈরী ৩১ টি সিঁড়ি আছে।
যদিও ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী বাসে চড়লে সরাসরি তাজহাট জমিদার বাড়ির সামনে নামা যায়। এছাড়াও সমস্ত সরকারি ছুটির দিনগুলোতে জাদুঘরটিতে পরিদর্শন বন্ধ থাকে। এছাড়াও জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে মুঘল সম্রাট আওরাঙ্গজেবের সময়ের কুরআন, মহাভারত ও রামায়ণসহ বেশকিছু আরবি এবং সংস্কৃত ভাষায় লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি।
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রত্ন ব্যবসায়ী মান্নালাল ব্যবসায়িক কারণে মাহিগঞ্জে এসে বসবাস এবং পরবর্তীতে তাজহাট জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করে এবং ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে তাজহাট জমিদার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় জায়গাান্তরিত করে। কাল পাথরের বিষ্ণুর প্রতিকৃতি ছাড়াও জাদুঘরে প্রায় ৩০০ টি মূল্যবান নিদর্শন রয়েছে।
রাজবাড়ীর পেছনদিকে রয়েছে গুপ্ত সিঁড়ি পথ, যা এখন বন্ধ রয়েছে। জাদুঘরের প্রদর্শনী কক্ষে দশম ও একাদশ শতাব্দীর বেশকিছু টেরাকোটা শিল্পকর্ম জায়গা পেয়েছে। রংপুরে
কোথায় থাকবেন
রংপুর শহরে থাকার জন্য নানা মানের বেশকিছু হোটেল/মোটেল রয়েছে। তাজহাট জমিদার বাড়ির চত্বরে রয়েছে গাছের সারি, বিশাল মাঠ এবং প্রাসাদের দুই পাশে আছে দুইটি পুকুর। তাজহাট জমিদার বাড়ি ও রংপুর জাদুঘর পরিদর্শনের
সময়সূচী
গ্রীষ্মকালীন সময়ে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস ব্যাপী রংপুর জাদুঘর তথা তাজহাট জমিদার বাড়ি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। একটু খোঁজখবর নিয়ে নিজের পছন্দমত হোটেলে সহজেই রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। জমিদার বাড়িটি দেখতে ঢাকার আহসান মঞ্জিলের মতো।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত ভাবে নানা পরিবহণের বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এছাড়া রয়েছে থাকার কক্ষ, গোসলখানা ও অতিথিদের জন্য কক্ষ। সপ্তাহের প্রতি রবিবার পূর্ণ দিবস, সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য জাদুঘরটি বন্ধ থাকে।
আরও পড়ুনঃ রংপুরের সেরা ৮ হোটেল
কোথায় খাবেন
বিভাগীয় শহর রংপুরে নানা মানের হোটেল/রেস্তোরাঁ থেকে নিজের উদরপূর্তিটুকূ সেরে নিতে পারবেন যদিও আমের সিজনে রংপুর গেলে রংপুরের সুপরিচিত হাড়িভাঙ্গা আম খেতে ভুল করবেন না। তাজহাট জমিদার বাড়ি ও রংপুর জাদুঘর প্রবেশের টিকেট মূল্যপ্রাপ্তবয়স্ক সকল বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য রংপুর জাদুঘরে ভেতরে যেতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত রংপুর জাদুঘরে মধ্যাহ্ন বিরতির বন্ধ থাকে।
১৯১৭ সালে সম্পূর্ণ হওয়া এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করতে তৎকালীন সময়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ হয়। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
প্রাপ্তবয়স্ক সকল বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য রংপুর জাদুঘরে ভেতরে যেতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের তাজহাট জমিদার বাড়ি ভেতরে যেতে ১০ টাকা দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যদিও ৫ বছরের কম বাচ্চাদের ভেতরে যেতে কোন টিকেট লাগে না। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশের ভ্রমণকারীর প্রবেশের টিকেট মূল্য ২০০ টাকা এবং অন্য যেকোন বিদেশীদের প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৪০০ টাকা।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত ভাবে নানা পরিবহণের বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
আপনি যদি আরামদায়ক ভ্রমণ পছন্দ করেন, যদিও ট্রেন একটা চমৎকার বিকল্প।
রংপুর শহর থেকে রিকশাযোগে তাজহাট জমিদার বাড়ি যেতে কেবল ৪০ টাকা ভাড়া লাগে।
ঢাকা থেকে সরাসরি রংপুর এক্সপ্রেস (সকাল ৯:১০) এবং কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (রাত ৮:০০) চলাচল করে, যার ভাড়া আসনভেদে ৬৩০ টাকা থেকে শুরু করে ২,২১৮ টাকা পর্যন্ত।
এসব বাসে চড়ে রংপুর যেতে জনপ্রতি ৭৫০ থেকে ১৬০০ টাকা ভাড়া লাগে।
যদিও ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী বাসে চড়লে সরাসরি তাজহাট জমিদার বাড়ির সামনে নামা যায়।
কোথায় থাকবেন?
রংপুর শহরে থাকার জন্য নানা মানের বেশকিছু হোটেল/মোটেল রয়েছে। রংপুরে উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নর্থভিউ, পর্যটন মোটেল, দি পার্ক হোটেল, হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার, হোটেল তিলোত্তমা, হোটেল কাশপিয়া। একটু খোঁজখবর নিয়ে নিজের পছন্দমত হোটেলে সহজেই রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। আরও পড়ুনঃ রংপুরের সেরা ৮ হোটেল
কোথায় খাবেন?
বিভাগীয় শহর রংপুরে নানা মানের হোটেল/রেস্তোরাঁ থেকে নিজের উদরপূর্তিটুকূ সেরে নিতে পারবেন যদিও আমের সিজনে রংপুর গেলে রংপুরের সুপরিচিত হাড়িভাঙ্গা আম খেতে ভুল করবেন না। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
তাজহাট জমিদার বাড়ি-এ প্রবেশ মূল্য কত?
প্রাপ্তবয়স্ক সকল বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য রংপুর জাদুঘরে ভেতরে যেতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের তাজহাট জমিদার বাড়ি ভেতরে যেতে ১০ টাকা দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়, যদিও ৫ বছরের কম বাচ্চাদের ভেতরে যেতে কোন টিকেট লাগে না। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশের ভ্রমণকারীর প্রবেশের টিকেট মূ
তাজহাট জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত ভাবে নানা পরিবহণের বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। আপনি যদি আরামদায়ক ভ্রমণ পছন্দ করেন, যদিও ট্রেন একটা চমৎকার বিকল্প। রংপুর শহর থেকে রিকশাযোগে তাজহাট জমিদার বাড়ি যেতে কেবল ৪০ টাকা ভাড়া লাগে। ঢাকা থেকে সরাসরি রংপুর এক্সপ্রেস (সকাল
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রংপুর শহরে থাকার জন্য নানা মানের বেশকিছু হোটেল/মোটেল রয়েছে। রংপুরে উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নর্থভিউ, পর্যটন মোটেল, দি পার্ক হোটেল, হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার, হোটেল তিলোত্তমা, হোটেল কাশপিয়া। একটু খোঁজখবর নিয়ে নিজের পছন্দমত হোটেলে সহজেই রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। আরও পড়ুনঃ রংপুরের সেরা ৮ হো
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
