bangladesh · Editorial

কমলা রাণী দিঘী

দুর্গাপুর উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে বিরিশিরি ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ঐতিহ্যবাহী কমলা রাণী দিঘী (Komola Ranir Dighi) রয়েছে। বহুের কাছে এটি সাগর

Photograph · Collected for Tripzao Journal

দুর্গাপুর উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে বিরিশিরি ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ঐতিহ্যবাহী কমলা রাণী দিঘী (Komola Ranir Dighi) রয়েছে। কোথায় থাকবেনসুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

কমলা রাণী দিঘী

কমলা রাণী দিঘী সম্পর্কে

এখানে মধ্যম মানের কিছু খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ রয়েছে যেখানে ভাত, ডাল, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বকের মাংসও পাওয়া যায়। এরপর থেকে আর কোনদিন তার সন্তানকে দুধ খাওয়াতে আসলেন না। রাজা একদিন রানীকে ছোঁয়ার বাসনায় এগিয়ে গেলেন।

এছাড়া বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভোর ৪.০০/৪.৩০ তে যাত্রা করা জারিয়া স্টেশনগামী ট্রেনে করে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় জারিয়া এসে ট্রলার, অটো, সিএনজি বা মোটরসাইকেলে করে দূর্গাপুর যাওয়া যায়। সন্তানের নাম রাখা হয় রঘুনাথ। হঠাৎ চারিদিক দিয়ে পানি উঠতে উঠতে রাণী কমলা দেবীকে ডুবিয়ে দিল।

কিন্তু রাণী পানির সাথে মিশে গেলেন। কিংবা একটু সহজে যেতে চাইলে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনে নেত্রকোনা এসে চল্লিশা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় সব স্পট দেখে ফিরতে পারবেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন – জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ০৯৫২৫৫৬০১৫, ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস (০১৭৪৩৩০৬২৩০), YWCA গেষ্ট হাউজ (০১৭১১০২৭৯০১), ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমী গেষ্ট হাউজ ( ১৮৯২-৮২২৯০৫)দুর্গাপুরে মধ্যম মানের হোটেলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – স্বর্ণা গেস্ট হাউস ( ০১৭১২২৮৪৬৯৮), হোটেল সুসং (০১৯১৪৭৯১২৫৪), বিরিশিরি রিসোর্ট (০১৯৭৪৯২০০৮২), হোটেল জবা (০১৭১১১৮৬৭০৮, ০১৭৫৩১৫৪৬১৭), নদীবাংলা গেষ্ট হাউজ (০১৩২৪৯৭৪০৯৭)।

রাণীও প্রজাদের কথা ভেবে পুকুরের মাঝখানে পূজা দিতে সম্মত হলেন। কিন্তু শর্ত হল যে, রাজা কোনক্রমে রাণীকে ছুঁতে পারবেন না। এই হোটেলগুলোতে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।

বাস যেতে ২০ টাকা, রিকশায় যেতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং মোটর সাইকেলে ২ জন ১০০ টাকা ভাড়ায় দুর্গাপুর যাওয়া যায়। প্রজাদের পানির অভাব দূরীকরণের জন্য রাজা জানকি নাথ একটা পুকুর খনন করেন। এ দুটি বাসে চড়ে দুর্গাপুর যেতে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগে।

যদিও পুকুরে পানি না উঠায় রাজা চিন্তায় পড়ে গেলেন। সর্বদা রাজার সন্তান রঘুর জন্য দুশ্চিন্তা করতেন। আবারো এক রাত্রে রাজা স্বপ্নে দেখলেন তিনি যদি শিশু সন্তান রঘুকে পুকুরের পাড়ে রেখে আসেন যদিও রাণী কমলা দেবী রঘুনাথকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন।

পুকুরের পাড়ের একাংশে বসতভিটা তৈরী করা হয়েছে, আর কিছু অংশ ফসলী জমি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। প্রজা হিতৈষী রাজা জানকি নাথের ঘরে পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। রাজা জানকি নাথ এমন ঘটনায় বিচলিত হয়ে গেলেন।

কালের সাক্ষী হয়ে দীঘির দক্ষিণ ও পশ্চিম পাড় এখনো টিকে আছে। দুর্গাপুর বলা হলেও প্রায়ই এই বাসগুলো সুখনগরী পর্যন্ত যায়। ইতিহাস থেকে জানা যায় রাজা রঘুনাথের আমলে সুসং দুর্গাপুর শক্তিশালী পরগনা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রচলিত আছে, পনের শতকের শেষ ভাগে সুসং দুর্গাপুরের রাজা জানকি নাথ কমলা দেবী নামে এক চমৎকারী রমনীকে বিয়ে করেন। রাজা স্বপ্নে দেখতে পান তার সন্তান রঘুনাথ যদি এভাবে আর ৭ দিন বুকের দুধ খেতে পারতো তাহলে সে দিক বিজয়ী ও প্রতাপি বীর হিসাবে গণ্য হত। বহুের কাছে এটি সাগর দিঘী নামেও সুপরিচিত।

রাজা রঘুনাথই জঙ্গল বাড়ী দূর্গ আক্রমণ করেন এবং বিক্রমপুরের জমিদার চাঁদ রায়, কেদার রায়কে পরাজিত করে মুঘল সম্রাটদের কাছ থেকে মহারাজা উপাধিতে ভূষিত হন।

কোথায় খাবেন

বিরিশিরিতে ঘুরার সময় হালকা খাবার সাথে রাখতে পারেন কারণ যত্রতত্র খাবারের কিছু পাওয়া যায় না। ঢাকা থেকে রাত ১০ টা ১৫ মিনিটে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনে করে শ্যামগঞ্জ স্টেশনে নেমে সেখান থেকে বাস বা সিএনজি ভাড়া নিয়ে বিরিশিরি বাজার যাওয়া যায়। বহুের মতে, বজ্রপাতের কারণে দীঘির তলার মাটি ফেটে পানিতে ভরে যায়।

দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে রিক্সা বা মোটর সাইকেলে বিরিশিরি ব্রীজ পার হয়ে বামপাশে গুজরীকোণার পাকা রাস্তা দিয়ে ১.৫ কিলোমিটার পরে কমলা রাণী দিঘীর পাড়। এরপর এক রাতে রাজা স্বপ্নে দেখতে পান রাণী কমলা দেবী যদি মাঝ পুকুরে গিয়ে পূজো দেন তাহলেই পুকুর পানিতে ভরে উঠবে। এখন কমলা রাণী দীঘির মাঝ দিয়ে সোমেশ্বরী নদী বয়ে গেছে।

সুখনগরী থেকে নৌকায় করে একটা ছোট নদী পার হয়ে রিকশা, বাস বা মোটর সাইকেলে দূর্গাপুর যেতে হয়। রাজা জানকি নাথ রাতে তার সন্তানকে পুকুরের পাড়ে রেখে আসতেন। রাণী কমলা দেবী সন্তানকে বুকের দুধ খাইয়ে আবার পানিতে মিলিয়ে যেতেন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে সরকার এবং জিন্নাত পরিবহণের বাস ছেড়ে যায়। দূর্গাপুর বাজারে নেত্রকোণার সুপরিচিত বালিশ মিষ্টির স্বাধ নিতে ভুল করবেন না।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে সরকার এবং জিন্নাত পরিবহণের বাস ছেড়ে যায়।

কিংবা একটু সহজে যেতে চাইলে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনে নেত্রকোনা এসে চল্লিশা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় সব স্পট দেখে ফিরতে পারবেন।

এ দুটি বাসে চড়ে দুর্গাপুর যেতে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগে।

দুর্গাপুর বলা হলেও প্রায়ই এই বাসগুলো সুখনগরী পর্যন্ত যায়।

বাস যেতে ২০ টাকা, রিকশায় যেতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং মোটর সাইকেলে ২ জন ১০০ টাকা ভাড়ায় দুর্গাপুর যাওয়া যায়।

সুখনগরী থেকে নৌকায় করে একটা ছোট নদী পার হয়ে রিকশা, বাস বা মোটর সাইকেলে দূর্গাপুর যেতে হয়।

কোথায় থাকবেন?

সুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন – জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ০৯৫২৫৫৬০১৫, ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস (০১৭৪৩৩০৬২৩০), YWCA গেষ্ট হাউজ (০১৭১১০২৭৯০১), ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমী গেষ্ট হাউজ ( ১৮৯২-৮২২৯০৫) দুর্গাপুরে মধ্যম মানের হোটেলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – স্বর্ণা গেস্ট হাউস ( ০১৭১২২৮৪৬৯৮), হোটেল সুসং (০১৯১৪৭৯১২৫৪), বিরিশিরি রিসোর্ট (০১৯৭৪৯২০০৮২), হোটেল জবা (০১৭১১১৮৬৭০৮, ০১৭৫৩১৫৪৬১৭), নদীবাংলা গেষ্ট হাউজ (০১৩২৪৯৭৪০৯৭)। এই হোটেলগুলোতে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

বিরিশিরিতে ঘুরার সময় হালকা খাবার সাথে রাখতে পারেন কারণ যত্রতত্র খাবারের কিছু পাওয়া যায় না। এখানে মধ্যম মানের কিছু খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ রয়েছে যেখানে ভাত, ডাল, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বকের মাংসও পাওয়া যায়। দূর্গাপুর বাজারে নেত্রকোণার সুপরিচিত বালিশ মিষ্টির স্বাধ নিতে ভুল করবেন না।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কমলা রাণী দিঘী কীভাবে যাবেন?

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে সরকার এবং জিন্নাত পরিবহণের বাস ছেড়ে যায়। কিংবা একটু সহজে যেতে চাইলে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনে নেত্রকোনা এসে চল্লিশা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় সব স্পট দেখে ফিরতে পারবেন। এ দুটি বাসে চড়ে দুর্গাপুর যেতে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন – জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ০৯৫২৫৫৬০১৫, ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস (০১৭৪৩৩০৬২৩০), YWCA গেষ্ট হাউজ (০১৭১১০২৭৯০১), ক্ষুদ্র নৃ

কমলা রাণী দিঘী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

দুর্গাপুর উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে বিরিশিরি ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ঐতিহ্যবাহী কমলা রাণী দিঘী (Komola Ranir Dighi) রয়েছে। কোথায় থাকবেনসুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে। এখানে মধ্যম মানের কিছু খাবার হোটেল বা রেস

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.