bangladesh · Editorial

বড় স্টেশন

চাঁদপুর জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা তিন নদীর মোহনা খ্যাত বড় স্টেশন ভ্রমণ গাইড। ঢাকা থেকে লঞ্চ, বাস ও ট্রেনে যাওয়ার উপায়, কি দেখবেন, কি খাবেন, খরচ সহ সবকিছুর...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

রুপালী ইলিশ চাঁদপুরকে এনে দিয়েছে ‘ইলিশের বাড়ি’ নামের সুখ্যাতি। কীভাবে যাবেনঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বেশকিছু লঞ্চ প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বড় স্টেশন

বড় স্টেশন সম্পর্কে

ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সাশ্রয়ী দামে খাবার খেতে চাইলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালের ডান পাশে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ক্যান্টিনে ঢু মারতে পারেন। তিন নদীর মোহনায় সূর্যাস্থের দৃশ্য, ছোট ছোট নৌকার ভেসে চলা, নদীর কূলে পানি আঁচড়ে পড়ার শব্দ সারাজীবন মনে রাখার জন্য যথেষ্ঠ।

চাঁদপুর লঞ্চ ঘাট থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সা ভাড়া করে সহজেই বড় স্টেশন তিন নদীর মোহনায় যেতে পারবেন। ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হতে প্রত্যেক দিন সকাল ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত পদ্মা এক্সক্লিসিভ বাস চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অবশ্যই ফরিদগঞ্জের আউয়াল ভাইয়ের মিষ্টি এবং ওয়ান মিনিট আইসক্রিম এর স্বাদ নিতে পারেন।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সেই স্মৃতির উদ্দেশ্যে এখানে ‘রক্তধারা’ নামে একটা ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ট্রলার, স্পীডবোট কিংবা ডিঙি নৌকা ভাড়া করে তিন নদীর মোহনায় ঘুরে বেড়ানো যায়।

কোথায় খাবেন

খিদে মেটানোর জন্য চাঁদপুরে নানা মানের বেশকিছু খাবার হোটেল রয়েছে। আর চাইলে ঢাকা হতে ট্রেনে চড়েও চাঁদপুরে যেতে পারবেন। এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট ষ্টেশনের কাছে মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল পাবেন।

আর চাঁদপুর ঘুরতে এসে বড় স্টেশন (Boro Station) আসেননি এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজের কাছে নদীর পাড়ে আরও কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে। এসব লঞ্চে ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়ার ভাড়া শ্রেনী ভেদে ১০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে ঢাকা হতে ট্রেনে চড়ে লাকসাম এসে সেখান থেকে চাঁদপুর রওনা দিতে হবে। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদীর মিলনস্থলটি মোলহেড নামেও পরিচিতি লাভ করেছে। আর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই বড় ষ্টেশন অঞ্চলয় পাকিস্তানী হানাদার কতৃক পরিচালিত টর্চার সেলে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

আপনার পছন্দমত যেকোন হোটেলে খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। ঢাকা হতে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় বিধায় তাজা ইলিশের স্বাদ গ্রহণ এবং অপরূপ প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করতে প্রত্যেক দিন অসংখ্য দর্শনার্থী চাঁদপুরে রয়েছে নানা দর্শনীয় জায়গাগুলোতে ভিড় করেন। এই মাছ ঘাটে জেলেদের ধরে আনা ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

কোথায় থাকবেন

চাঁদপুর (Chandpur) শহরে থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা উল্লেখযোগ্য। লঞ্চে ঢাকা থেকে যেতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘন্টা লাগে। বড় ষ্টেশন অঞ্চলর কাছে পায়ে হাটা দূরত্বে আছে ইলিশের পাইকারী বাজার ‘মাছ ঘাট’।

যেহেতু ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরে এসেছেন, আর এখানে এসে ইলিশ মিস করা কি ঠিক হবে? তাজা ইলিশ খেতে হলে বড়স্টেশনের ঝুপড়ির হোটেল অথবা লঞ্চ ঘাটের হোটেল গুলোতে খেতে পারেন।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বেশকিছু লঞ্চ প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

এক্ষেত্রে ঢাকা হতে ট্রেনে চড়ে লাকসাম এসে সেখান থেকে চাঁদপুর রওনা দিতে হবে।

আর চাইলে ঢাকা হতে ট্রেনে চড়েও চাঁদপুরে যেতে পারবেন।

লঞ্চে ঢাকা থেকে যেতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘন্টা লাগে।

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হতে প্রত্যেক দিন সকাল ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত পদ্মা এক্সক্লিসিভ বাস চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

কোথায় থাকবেন?

চাঁদপুর (Chandpur) শহরে থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট ষ্টেশনের কাছে মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। আর চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজের কাছে নদীর পাড়ে আরও কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

খিদে মেটানোর জন্য চাঁদপুরে নানা মানের বেশকিছু খাবার হোটেল রয়েছে। সাশ্রয়ী দামে খাবার খেতে চাইলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালের ডান পাশে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ক্যান্টিনে ঢু মারতে পারেন। অবশ্যই ফরিদগঞ্জের আউয়াল ভাইয়ের মিষ্টি এবং ওয়ান মিনিট আইসক্রিম এর স্বাদ নিতে পারেন। আপনার পছন্দমত যেকোন হোটেলে খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। যেহেতু ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরে এসেছেন, আর এখানে এসে ইলিশ মিস করা কি ঠিক হবে? তাজা ইলিশ খেতে হলে বড়স্টেশনের ঝুপড়ির হোটেল অথবা লঞ্চ ঘাটের হোটেল গুলোতে খেতে পারেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

বড় স্টেশন কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বেশকিছু লঞ্চ প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এক্ষেত্রে ঢাক

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

চাঁদপুর (Chandpur) শহরে থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট ষ্টেশনের কাছে মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। আর চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজের কাছে নদীর পাড়ে আরও কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে।

বড় স্টেশন সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

রুপালী ইলিশ চাঁদপুরকে এনে দিয়েছে ‘ইলিশের বাড়ি’ নামের সুখ্যাতি। কীভাবে যাবেনঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বেশকিছু লঞ্চ প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.

— ট্যুর প্যাকেজ —

এই রুটে আমাদের প্যাকেজ