১৯৪৭ সালে ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে মোহাম্মদ মোস্তফার কামালের জন্ম। এছাড়া চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেও রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি সম্পর্কে
ভালো কিছু খেতে হলে আখাউড়া এসে খেতে হবে। শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ১৪০ থেকে ৫৭৫ টাকা। সেনা সদস্য হবার স্বপ্নে বিভোর মোস্তফা কামাল ১৯৬৭ সাল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন।
বাসে গেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছে সেখান থেকে সিএনজি নিয়ে রওনা দিতে হবে। একপর্যায়ে মুক্তিবাহিনী দরুইল গ্রাম থেকে আখাওড়া রেল ষ্টেশনের দিকে পিছু হটার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী প্লাটুনের উপরে পুনরায় আক্রমণ করে।
প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মজীবন শুরু করেন। সেসময় গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবজায়গাের দরুইন গ্রামে আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল নিযুক্ত ছিলেন। ১৪ এপ্রিল মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবজায়গাের উপর পাকিজায়গাি ত্রিমুখী আক্রমণ চালায়।
কিন্তু নিরাপদে ফিরে যাওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বিরতিহীন কাভারিং ফায়ারের প্রয়োজন ছিল। বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা সহযোদ্ধাদের নিরাপদে সরে যেতে বলে নিজে কাভারিং ফায়ার শুরু করেন। যদিও সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে ট্রেনে সরাসরি আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে চলে আসা।
আখাউড়া থেকে জায়গাীয় পরিবহণ ব্যবস্থায় দরুইন গ্রামে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধিস্থলে যেতে পারবেন। ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামের মানুষ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের স্মৃতি আজো পরম যত্নে সংরক্ষণ করে চলেছে। এরপর পাকিস্তান বাহিনীর সৈনিকেরা নির্মম ভাবে তাঁকে হত্যা করে।
একসময় মোস্তফা কামালের এল.এম.জি.-র গুলি শেষ হয়ে আসে এবং তিনি মারত্মক ভাবে জখম হন।
কোথায় থাকবেন
আখাউরায় মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন
সাথে করে কিছু শুকনো খাবার নিয়ে নিতে পারেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে আখাউড়ার দূরত্ব প্রায় ২৩ কিলোমিটার। এছাড়া চট্টগ্রামগামী যে সকল ট্রেন আখাউড়া স্টপেজ দেয় সেগুলির যেকোন একটা ট্রেনে চেপেও আখাউড়া আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে যেতে পারবেন। পাকিজায়গাীদের এই ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে মেজর শাফায়াত জামিল কয়েকজন বাঙ্গালি সৈনিককে সাথে নিয়ে সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করে মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এন্ডারসন খালের পাশে প্রতিরক্ষা অবজায়গা নেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের সময় পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ গোলোযোগ নিয়ন্ত্রণের কথা বলে ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিলেটে প্রেরণ করে।
দরুইল গ্রামের মানুষেরা সম্মান ও আন্তরিকতার সাথে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের কবর (Birshreshtha Mostafa Kamal Monument) দেন। অসীম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করে। তিনি যে জায়গাে যুদ্ধ করেছিলেন এখন সেখানে একটা স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি দেখতে হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা থেকে মাইল তিনেক দূরে দরুইন গ্রামে রওনা দিতে হবে। ১৮ এপ্রিল পাকিজায়গাী বাহিনির একটা দল পিছন দিক দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘিরে ফেলে। আখাউড়ায় বাজারে নাইন ষ্টারের গরুর মাংসের খিচুড়ি সুনাম আছে।
কীভাবে যাবেন?
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি দেখতে হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা থেকে মাইল তিনেক দূরে দরুইন গ্রামে রওনা দিতে হবে।
যদিও সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে ট্রেনে সরাসরি আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে চলে আসা।
এছাড়া চট্টগ্রামগামী যে সকল ট্রেন আখাউড়া স্টপেজ দেয় সেগুলির যেকোন একটা ট্রেনে চেপেও আখাউড়া আসতে পারবেন।
শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ১৪০ থেকে ৫৭৫ টাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে আখাউড়ার দূরত্ব প্রায় ২৩ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
আখাউরায় মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেও রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
সাথে করে কিছু শুকনো খাবার নিয়ে নিতে পারেন। ভালো কিছু খেতে হলে আখাউড়া এসে খেতে হবে। আখাউড়ায় বাজারে নাইন ষ্টারের গরুর মাংসের খিচুড়ি সুনাম আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি কীভাবে যাবেন?
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি দেখতে হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা থেকে মাইল তিনেক দূরে দরুইন গ্রামে রওনা দিতে হবে। যদিও সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে ট্রেনে সরাসরি আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে চলে আসা। এছাড়া চট্টগ্রামগামী যে সকল ট্রেন আখাউড়া স্টপেজ দেয় সেগুলির যেকোন একটা ট্রেনে চেপেও আখাউড়া আসতে পারবেন। শ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
আখাউরায় মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেও রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১৯৪৭ সালে ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে মোহাম্মদ মোস্তফার কামালের জন্ম। এছাড়া চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেও রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন। ভালো কিছু খেতে হলে আখাউড়া এসে খেতে হবে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

