ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটা সমাধিস্থলের নাম কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (Kullapathar Sohid Smritisoudho)। তাছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন ট্রেনে কসবা রেল ষ্টেশনে নেমে শহীদ স্মৃতিসৌধে পৌঁছানো যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে
তৎকালীন সময় ২ জন বীরবিক্রম, ১ জন বীরউত্তম, ২ জন বীর প্রতীক সহ মোট ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছিল। কয়েকবার যুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার কারণে সেই সময় নানা জায়গায় শহীদের লাশ বিক্ষিপ্ত ভাবে পড়ে থাকতো। তখন কসবার জায়গাীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম ও তার আত্মীয়রা মিলে তাদের পৈত্রিক ভিটায় পরিচয় বিহীন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ সংগ্রহ করে গোসল ও জানাযা শেষে কবর দিতেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি ও সোহাগ পরিবহনের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলা ২ নং সেক্টরের আওতাভুক্ত ছিল। ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর সাথে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া প্রায় ৫০ জনের সমাধি রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই কুল্লাপাথরে।
মুক্তিযুদ্ধের পর আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মারা গেলে তাদেরকেও কুল্লাপাথরে দাফন করা হয়। এমনকি তাদের দাফন কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন হতো না। ১৯৭২ সালে সরকারী উদ্যোগে শহীদ সমাধিতে স্মৃতিসৌধ, স্মৃতিফলক, কবর প্রাচীর, তোরণ, রেস্ট হাউজ, পুকুর, মসজিদ নির্মাণ, প্রতিটি কবরে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম-ঠিকানা লেখা এবং শহীদ সমাধির পার্শ্ববর্তী এলাকাে বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
কোথায় থাকবেনব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সইকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, চন্দ্রিমা ও রহমান আবাসিক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় কসবা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধে যেতে পারবেন। কোথায় খাবেনকসবা উপজেলায় কয়েকটি ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
ভারতের আগরতলায় রয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের কারণে এই এলাকাটি পাকিজায়গাি সেনাবাহিনীর দ্বারা বার বার আক্রমণের কবলে পড়ে। ১৯৭১ সালের বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গাছ-গাছালী ঘেরা শান্ত নিরিবিলি আবহে অসংখ্য ভ্রমণকারীর আগমন ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দর্শনীয় জায়গাব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কালভৈরব মন্দির, কেল্লা জামে মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি, ধরন্তি হাওর, হরিপুর জমিদার বাড়ি, ঘাগুটিয়ার পদ্মবিল, কসবা বর্ডার হাট ও আখাউরা চেক প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি ও সোহাগ পরিবহনের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় কসবা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধে যেতে পারবেন।
তাছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন ট্রেনে কসবা রেল ষ্টেশনে নেমে শহীদ স্মৃতিসৌধে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সইকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, চন্দ্রিমা ও রহমান আবাসিক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
কসবা উপজেলায় কয়েকটি ভালমানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি ও সোহাগ পরিবহনের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় কসবা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধে যেতে পারবেন। তাছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন ট্রেনে কসবা রেল ষ্টেশ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সইকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, চন্দ্রিমা ও রহমান আবাসিক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটা সমাধিস্থলের নাম কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (Kullapathar Sohid Smritisoudho)। তাছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন ট্রেনে কসবা রেল ষ্টেশনে নেমে শহীদ স্মৃতিসৌধে পৌঁছানো যায়। তৎকালীন সময় ২ জন বীরবিক্রম, ১ জন বীরউ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
