bangladesh · Editorial

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র (Alutila Tourist Center) কীভাবে যাবেন, কি দেখবেন, কোথায় থাকবেন ও কি খাবেন সহ সকল বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র (Alutila Tourist Center), খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় রয়েছে। ভালো গ্রিপের জুতা পরুন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে

পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের সবুজ বনভূমি, চেঙ্গী নদী এবং শহরের দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। ভ্রমণ পরামর্শগুহায় প্রবেশের সময় মশাল বা টর্চলাইট সঙ্গে নিন। কোথায় থাকবেনখাগড়াছড়ি শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

গুহায় একটা রোমাঞ্চকর অভিযানের পর ওয়াচ টাওয়ারে দাঁড়িয়ে একটা প্রশান্তির নিশ্বাস নিঃসন্দেহে সব ক্লান্তি দূর করে দেবে। গুহায় প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৪০ টাকা টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। আপনার পরবর্তী ভ্রমণ তালিকায় আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

পর্যটন স্পট, প্রকৃতির অপরূপ রূপ, রহস্যময় গুহা এবং পাহাড়ি আবহের জন্য আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র বিশেষ পরিচিত। খাগড়াছড়ি থেকে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র: খাগড়াছড়ি শহর থেকে আলুটিলা প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে। বাসের ক্লাস অনুযায়ী ভাড়া ৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া বেশ কিছু লোকাল বাসও খাগড়াছড়ি যায়। সেই সঙ্গে রয়েছে নন্দনকানন, রোমান কোলোসিয়ামের আদলে মঞ্চ ও ওয়াচ টাওয়ার। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য সেতুতে রয়েছে কাচের বারান্দা।

মনে হবে, আপনি পাহাড়ের ওপর ভাসছেন। এখানে একটা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, বসার জায়গা এবং বিশ্রাম কক্ষ রয়েছে। কাচের বারান্দা দিয়ে নিচে তাকালে পাহাড়ের অন্য রকম দৃশ্যের দেখা মেলে।

মশাল ব্যবহার শেষে ভালো করে নিভিয়ে ফেলুন। গুহার এক প্রান্ত দিয়ে ঢুকে অন্য প্রান্ত দিয়ে বের হতে কেবল ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি: ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে শান্তি, হানিফ, এস আলম, শ্যামলী, ইকোনো এবং ঈগল পরিবহনের এসি বা নন-এসি বাসে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়। গুহার ভিতর সবসময় অন্ধকার থাকে, তাই প্রবেশের সময় মশাল বা টর্চলাইট সঙ্গে নেওয়া প্রয়োজন। সিএনজি, মোটরবাইক বা চান্দের গাড়ি ভাড়া করে সহজেই সেখানে পৌঁছানো যায়।

আবহের ক্ষতি হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। দুই পাহাড়কে যুক্ত করতে তৈরি করা হয়েছে ১৮৪ ফুট দীর্ঘ লোহার এই সেতু বা ক্যাবল ব্রিজ। গুহার ভিতরে উচ্চস্বরে কথা বলা বা উল্লাস করা থেকে বিরত থাকুন।

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে কি দেখবেনআলুটিলা পাহাড়আলুটিলা পাহাড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,০০০ ফুট উঁচু। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ এখন ঝুলন্ত ব্রিজ। আলুটিলা গুহার কাছেই রয়েছে রিসাং ঝর্ণা।

উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন মোটেল, হোটেল গাইরিং, অরণ্য বিলাস, গিরি থেবার ও হোটেল ইকো ছড়ি ইন। আলুটিলা গুহাআলুটিলা গুহা, জায়গাীয়ভাবে ‘মাতাই হাকড়’ বা ‘দেবতার গুহা’ নামে পরিচিত, একটা প্রকৃতির গুহা যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট। চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি: চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে চট্টগ্রামের অক্সিজেন মোড় থেকে বি আর টি সি ও শান্তি পরিবহণের বাসে যেতে পারবেন।

চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করতে ২০০০-৩০০০ টাকা এবং সিএনজি রিজার্ভ করতে ৮০০-১০০০ টাকা খরচ হতে পারে। প্রকৃতির গুহা, পাহাড়ি দৃশ্য এবং শান্ত আবহের সমন্বয়ে চমৎকার ভ্রমন অভিজ্ঞতা প্রদান করে যে কোন দর্শনার্থীকে। তাছাড়া, পাহাড়ের চূড়া থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য আপনাকে অন্যরকম মানসিক প্রশান্তি দিবে।

আলুটিলায় ঘুরতে এসে এত কাছের ঝর্ণাটি না দেখে চলে যাওয়া মোটেও ঠিক হবে না। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০ ফুট ওপরে আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য একটা আদর্শ গন্তব্য।

এইসব হোটেলে নূন্যতম ৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা খরচ হতে পারে এক রাত থাকতে। আরও পড়ুনআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রঅর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্টতমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবানমোহনপুর পর্যটন কেন্দ্র

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি: ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে শান্তি, হানিফ, এস আলম, শ্যামলী, ইকোনো এবং ঈগল পরিবহনের এসি বা নন-এসি বাসে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি, মোটরবাইক বা চান্দের গাড়ি ভাড়া করে সহজেই সেখানে পৌঁছানো যায়।

এছাড়া বেশ কিছু লোকাল বাসও খাগড়াছড়ি যায়।

খাগড়াছড়ি থেকে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র: খাগড়াছড়ি শহর থেকে আলুটিলা প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে।

চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি: চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি যেতে চাইলে চট্টগ্রামের অক্সিজেন মোড় থেকে বি আর টি সি ও শান্তি পরিবহণের বাসে যেতে পারবেন।

বাসের ক্লাস অনুযায়ী ভাড়া ৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

কোথায় থাকবেন?

খাগড়াছড়ি শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এইসব হোটেলে নূন্যতম ৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা খরচ হতে পারে এক রাত থাকতে। উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন মোটেল, হোটেল গাইরিং, অরণ্য বিলাস, গিরি থেবার ও হোটেল ইকো ছড়ি ইন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

গুহায় প্রবেশের সময় মশাল বা টর্চলাইট সঙ্গে নিন। আপনার পরবর্তী ভ্রমণ তালিকায় আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য একটা আদর্শ গন্তব্য। গুহার ভিতরে উচ্চস্বরে কথা বলা বা উল্লাস করা থেকে বিরত থাকুন। ভালো গ্রিপের জুতা পরুন। প্রকৃতির গুহা, পাহাড়ি দৃশ্য এবং শান্ত আবহের সমন্বয়ে চমৎকার ভ্রমন অভিজ্ঞতা প্রদান করে যে কোন দর্শনার্থীকে। আবহের ক্ষতি হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। মশাল ব্যবহার শেষে ভালো করে নিভিয়ে ফেলুন। আরও পড়ুনআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রঅর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্টতমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবানমোহনপুর পর্যটন কেন্দ

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি: ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে শান্তি, হানিফ, এস আলম, শ্যামলী, ইকোনো এবং ঈগল পরিবহনের এসি বা নন-এসি বাসে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়। সিএনজি, মোটরবাইক বা চান্দের গাড়ি ভাড়া করে সহজেই সেখানে পৌঁছানো যায়। এছাড়া বেশ কিছু লোকাল বাসও খাগড়াছড়ি যায়। খাগড়াছড়ি থেকে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

খাগড়াছড়ি শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এইসব হোটেলে নূন্যতম ৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা খরচ হতে পারে এক রাত থাকতে। উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন মোটেল, হোটেল গাইরিং, অরণ্য বিলাস, গিরি থেবার ও হোটেল ইকো ছড়ি ইন।

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র (Alutila Tourist Center), খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় রয়েছে। ভালো গ্রিপের জুতা পরুন। পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের সবুজ বনভূমি, চেঙ্গী নদী এবং শহরের দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.