bangladesh · Editorial

হাতি ফুলকলির সমাধিসৌধ, খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির ফুলকলির সমাধিসৌধের ইতিহাস, যাতায়াত, থাকা ও খাবারের বিস্তারিত গাইড। ভ্রমণের আগে জেনে নিন ফুলকলির আবেগঘন গল্প। এখনই পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

জেলা প্রশাসকের হাতি ‘ফুলকলি’র সমাধিসৌধ (Elephent Fulkoli Mausoleum) খাগড়াছড়ি শহরে প্রবেশের মুখেই গোলবাড়ি অঞ্চলয় রয়েছে একটা স্থাপনা। ফুলকলির পিঠে চড়ে জেলা ও মহকুমা প্রশাসকেরা প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকাে দাপ্তরিক কাজ করতেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হাতি ফুলকলির সমাধিসৌধ, খাগড়াছড়ি

হাতি ফুলকলির সমাধিসৌধ, খাগড়াছড়ি সম্পর্কে

খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। ১৯৬২ সালে যখন খাগড়াছড়ি ছিল একটা মহকুমা, তখন তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম প্রশাসনিক যাতায়াতের জন্য একটা পোষা হাতি নিয়ে আসেন রামগড় থেকে। সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা বা হেঁটেই সহজে সেখানে পৌঁছানো যায়।

পাহাড়ঘেরা সবুজ প্রকৃতির আবহের মাঝে রয়েছে এই স্মৃতিসৌধ শুধু একটা হাতির কবর নয়, এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের এক সময়ের

যোগাযোগ

ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ইতিহাস এবং মানুষের সঙ্গে প্রাণীর আবেগঘন সম্পর্কের প্রতীক। আজকের উন্নত সড়কব্যবস্থা ও যানবাহনের আগে, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা ছিল অত্যন্ত কঠিন। কোথায় খাবেনখাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড ও পান্থাই পাড়ায় কয়েকটি খাবারের রেস্তোরাঁ আছে।

ঢাকার সায়েদাবাদ, কলাবাগান বা গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন খাগড়াছড়িগামী নন-এসি ও এসি বাস ছেড়ে যায়। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে পাহাড়ি পথে দুর্ঘটনায় পড়া যানবাহন উদ্ধার সবখানেই ছিল ফুলকলির অবদান। সড়কপথে প্রায়ই সময় লাগে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা, ভাড়া পড়তে পারে আনুমানিক ৭৫০ থেকে ১,২০০ টাকা।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই কবর অবহেলায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়লেও, সাম্প্রতিক সময়ে জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাসের উদ্যোগে এটি নতুন রূপ পায়। কোথায় থাকবেনফুলকলির সমাধিসৌধ যেহেতু খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই রয়েছে, তাই শহর অঞ্চলয় থাকাই ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বাধিক সুবিধাজনক। সেই হাতিটির নাম দেওয়া হয় ‘ফুলকলি’।

এটি জেলা শহরের প্রবেশমুখে, খাগড়াছড়ি–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে রয়েছে এবং শহর থেকে দূরত্ব কেবল আধা কিলোমিটার। তৎকালীন জেলা প্রশাসক খোরশেদ আনসার খান পরম মমতায় তাকে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে সমাধিস্থ করেন। খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত।

ধীরে ধীরে ফুলকলি হয়ে ওঠে খাগড়াছড়িবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির অংশ। অটোরিকশায় ভাড়া প্রায়ই ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যেই থাকে। এছারাও খাগড়াছড়ি শহরে বেশ কিছু সাধারণ মানের হোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে, যেখানে ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকতে পারবেন।

আজ ফুলকলির সমাধিসৌধ খাগড়াছড়ির অন্যতম ইতিহাস-সমৃদ্ধ ও দর্শনীয় পর্যটন জায়গাে পরিণত হয়েছে। পরবর্তী প্রায় তিন দশক ১৯৬২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ফুলকলি খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। যারা ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান, তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে বাস খাগড়াছড়ি পৌঁছাতে পারবেন।

১৯৯০ সালের ২৭ জুলাই, আলুটিলা পাহাড় অঞ্চলয় দুর্ঘটনায় পড়ে ফুলকলির মৃত্যু হয়। খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছানোর পর ফুলকলির সমাধিসৌধে যেতে আলাদা কোনো ঝামেলা নেই।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার সর্বাধিক প্রচলিত ও সুবিধাজনক উপায় হলো বাসে যাত্রা করা। সুযোগ থাকলে অবশ্যই খাগড়াছড়ির পরিচিত হাঁসের কালাভুনা, বাশকুড়ুল সহ ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ী খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার সর্বাধিক প্রচলিত ও সুবিধাজনক উপায় হলো বাসে যাত্রা করা।

সড়কপথে প্রায়ই সময় লাগে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা, ভাড়া পড়তে পারে আনুমানিক ৭৫০ থেকে ১,২০০ টাকা।

যারা ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান, তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে বাস খাগড়াছড়ি পৌঁছাতে পারবেন।

সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা বা হেঁটেই সহজে সেখানে পৌঁছানো যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ, কলাবাগান বা গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন খাগড়াছড়িগামী নন-এসি ও এসি বাস ছেড়ে যায়।

খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছানোর পর ফুলকলির সমাধিসৌধে যেতে আলাদা কোনো ঝামেলা নেই।

কোথায় থাকবেন?

ফুলকলির সমাধিসৌধ যেহেতু খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই রয়েছে, তাই শহর অঞ্চলয় থাকাই ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বাধিক সুবিধাজনক। খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এছারাও খাগড়াছড়ি শহরে বেশ কিছু সাধারণ মানের হোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে, যেখানে ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকতে পারবেন।

কোথায় খাবেন?

খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড ও পান্থাই পাড়ায় কয়েকটি খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত। সুযোগ থাকলে অবশ্যই খাগড়াছড়ির পরিচিত হাঁসের কালাভুনা, বাশকুড়ুল সহ ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ী খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

হাতি ফুলকলির সমাধিসৌধ, খাগড়াছড়ি কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার সর্বাধিক প্রচলিত ও সুবিধাজনক উপায় হলো বাসে যাত্রা করা। সড়কপথে প্রায়ই সময় লাগে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা, ভাড়া পড়তে পারে আনুমানিক ৭৫০ থেকে ১,২০০ টাকা। যারা ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান, তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে বাস খাগড়াছড়ি পৌঁছাতে পারবেন। সিএনজি অটো

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ফুলকলির সমাধিসৌধ যেহেতু খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই রয়েছে, তাই শহর অঞ্চলয় থাকাই ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বাধিক সুবিধাজনক। খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এছারাও খাগ

হাতি ফুলকলির সমাধিসৌধ, খাগড়াছড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

জেলা প্রশাসকের হাতি ‘ফুলকলি’র সমাধিসৌধ (Elephent Fulkoli Mausoleum) খাগড়াছড়ি শহরে প্রবেশের মুখেই গোলবাড়ি অঞ্চলয় রয়েছে একটা স্থাপনা। ফুলকলির পিঠে চড়ে জেলা ও মহকুমা প্রশাসকেরা প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকাে দাপ্তরিক কাজ করতেন। খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হো

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.