নাফাখুম জলপ্রপাত (Nafakhum Waterfall) বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে রয়েছে। নাফাখুম ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতাখরচ কমাতে চাইলে দলগত ভাবে ভ্রমণ করুন, ছুটির দিন পরিহার করতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

নাফাখুম-এ কী দেখবেন?
আপনার এই নাফাখুম ভ্রমণে যা যা দেখার সুযোগ পাবেন চিম্বুক, নীলগিরি, থানচি, সাঙ্গু নদী, পদ্মমুখ, তিন্দু, রাজাপাথর, রেমাক্রি ফলস ও রেমাক্রি পাড়া। এছাড়া আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে আছে আমিয়াখুম, ডিম পাহাড়, আলীকদম, বগালেক, কেওক্রাডং, নীলাচল ও স্বর্ণমন্দির সহ আরও বহু জায়গা।
কীভাবে যাবেন?
নাফাখুম যেতে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরেই আসতে হবে প্রথম।
ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্রগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে বান্দরবান যেতে পারবেন।
এছাড়া ধামপাড়া বাস স্টপেজ থেকে বান্দরবান যাওয়া যায়।
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস স্টেশন থেকে বান্দরবানে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ণ, মহানগর ইত্যাদি ট্রেন চট্টগ্রাম যায়।
শ্রেনী ভেদে ভাড়া ৪০৫-১৩৯৮ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
থানচি ভালো কোথাও থাকতে চাইলে বিজিবি নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত অবকাশ কেন্দ্রে থাকতে পারবেন। রুম ভাড়া ১৫০০-৩০০০ টাকা এর মধ্যে। মান অনুযায়ী দিন প্রতি ভাড়া ১,০০০-২,০০০ টাকার মধ্যে। রেমাক্রি বাজারে আদিবাসীদের ঘরে আবাসন সুবিধা আছে। এছাড়া থানচি বাজার ও আশেপাশে কিছু কটেজ ও রেস্টহাউজ ধরণের হোটেলে আবাসন সুবিধা আছে। সাঙ্গু নদীর পাশে আদিবাসীদের রেস্ট হাউজে কয়েকজন মিলে থাকতে হলে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ১৫০ টাকা।
কোথায় খাবেন?
থানচি বাজারে মোটামুটি মানের কিছু খাওয়ার হোটেল আছে। রেমাক্রিতে আদিবাসী বাড়িতেই খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। আগে থেকে বলে রাখলেই হবে। যেকোন একটায় খেয়ে নিতে পারবেন। প্রায়ই ভাত, ভর্তা, ভাজি ও ডিম খেতে খরচ হবে ৮০ টাকা, ডিমের বদলে মুরগি খেতে চাইলে খরচ হবে ১২০ টাকা। বহুটা প্যাকেজ সিস্টেমে খাওয়ার ব্যবস্থা। আগে থেকেই গাইডকে দিয়ে জানিয়ে রাখবেন কি খাবেন ও কতজন খাবেন।
ট্রাভেল টিপস
খরচ কমাতে চাইলে দলগত ভাবে ভ্রমণ করুন, ছুটির দিন পরিহার করতে পারেন। দলের বাকি সদস্যের দিকে নজর রাখুন, কারও বিপদে এগিয়ে আসুন। আবহ ও প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কিছু করা থেকে দূরে থাকুন। সবার ময়লা আবর্জনা সাথে রাখুন, জায়গা মত ফেলুন অথবা একসাথে করে পুড়িয়ে দিন। বর্ষায় রেমাক্রি খাল পাড়ি দেবার জায়গায় বহু পানি ও স্রোত থাকে, পাড়ি দেবার সময় লাইফ জ্যাকেট গায়ে রাখুন। ব্যাকপ্যাকের ওজন যত কম রাখা যায় ততই ভালো। প্রয়োজনে সাথে করে পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে নিন। গভীর পানির রেমাক্রি খাল পাড় হবার জন্যে সাথে করে দড়ি নিবেন, নয়তো গাইড কে বলবেন। পাথুরে পথ বহু পিচ্ছিল, হাঁটার সময় সাবধান থাকুন যেন পা পিছলে না যায়। ট্রেইলে হাঁটার সম
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নাফাখুম কীভাবে যাবেন?
নাফাখুম যেতে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরেই আসতে হবে প্রথম। ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্রগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে বান্দরবান যেতে পারবেন। এছাড়া ধামপাড়া বাস স্টপেজ থেকে বান্দরবান যাওয়া যায়। চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস স্টেশন থেকে বান্দরবানে যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংল
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
থানচি ভালো কোথাও থাকতে চাইলে বিজিবি নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত অবকাশ কেন্দ্রে থাকতে পারবেন। রুম ভাড়া ১৫০০-৩০০০ টাকা এর মধ্যে। মান অনুযায়ী দিন প্রতি ভাড়া ১,০০০-২,০০০ টাকার মধ্যে। রেমাক্রি বাজারে আদিবাসীদের ঘরে আবাসন সুবিধা আছে। এছাড়া থানচি বাজার ও আশেপাশে কিছু কটেজ ও রেস্টহাউজ ধরণের হোটেলে আবাসন সুবিধা আছে।
নাফাখুম সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নাফাখুম জলপ্রপাত (Nafakhum Waterfall) বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে রয়েছে। নাফাখুম ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতাখরচ কমাতে চাইলে দলগত ভাবে ভ্রমণ করুন, ছুটির দিন পরিহার করতে পারেন। কম খরচে নাফাখুম ঘুরতে যেতে চাইলে সবচেয়ে ভালো হয় ৩, ৪, ৯ বা ১৪ জন সদস্যের দল।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

