নীলাচল (Nilachal) পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান শহর থেকে কেবল ৫ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় টাইগার পাড়ায় পাহাড়ের উপর রয়েছে। নীলাচলে দর্শনার্থীরা প্রায়ই সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

নীলাচল সম্পর্কে
ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। রাত ৯-১০টায় রওনা দিলে সকাল ৭টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন বান্দরবান। * কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে।
যে পরিবহনেই যান একটু দরদাম করে নিবেন ঠিকমতো। প্রতিটি কটেজে দুইটি করে রুম আছে, প্রতি রুমের ভাড়া পড়বে ৩০০০ টাকা। নীলাচল যাবার উপায়ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বান্দরবান যাওয়া যায়।
নীলাচলে অবজায়গাের সময় অনুযায়ী অটো রিকশায় যাওয়া আসার জন্য ভাড়া লাগে ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা আর, জীপ ৮০০-১২০০ টাকা আর চাঁদের গাড়ি ভাড়া করতে ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা লাগে। আর আপনি সিজন ও ছুটির দিনে যান তাহলে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন। পর্যটন মোটেল পাহাড় ও লেকের পাশেই রয়েছে।
এ দুটি বাসে জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়া লাগে। ঢাকার নানা জায়গা থেকে শ্যামলি, সৌদিয়া, এস. আলম, ইউনিক, সেন্ট মার্টিন পরিবহন ও হানিফ ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সকালে মেঘের ভেলার খেলা আর বিকেলের সূর্যাস্ত এই দুইটি সময়ই নীলাচল তার পূর্ণ রূপ ধারণ করে।
চট্টগ্রামের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী নামের দুটি বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। নীলাচলের একেক জায়গা থেকে একেক রকম প্রকৃতির অপরূপ রূপ্য উপভোগ করা যায়।
নীলাচলে থাকতে চাইলে আগে থেকেই যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখা ভালো। ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
নীলাচলে থাকতে চাইলে নীলাচল স্কেপ রিসোর্টের তিনটি কটেজের একটা থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার জন্য। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা সমানভাবে বিমোহিত করে দর্শনার্থীদের। হোটেল প্লাজা বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে।
ভাড়া ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা। নীলাচলে রয়েছে আকাশ, পাহাড় আর মেঘের অসাধারণ মিতালী আর তুলনাহীন প্রকৃতির অপরূপ রূপ্য। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে:হোটেল হিল ভিউ বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই।
পরবর্তীতে শুধুকেবল যারা রিসোর্টে রাত্রি যাপন করেন তাদেরই থাকার অনুমতি মিলে। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় রয়েছে।
সিজন (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী) ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। ফরেস্ট হিল নামে শুধুকেবল একটা রেস্তোরাঁ রয়েছে, এছাড়া খাবারের তেমন ভাল ব্যবস্থা নেই।
আগত দর্শনার্থীদের নীলাচলের রূপ অবলোকন করার সুবিধার জন্য এখানে রয়েছে কয়েকটি বিশ্রামাগার ও রিসোর্ট।
কোথায় খাবেন
নীলাচল স্কেপ রিসোর্টে রাত্রি যাপন করলে কতৃপক্ষ খাবারের ব্যবস্থা করে। এছাড়া ট্রেন বা এয়ারে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে বান্দরবান যেতে পারবেন। এছাড়া নীলাচল বান্দরবান শহরের কাছে বলেই আপনি বান্দরবান শহরের হোটেল ও রিসোর্ট গুলোতে থাকতে পারবেন।
রিভার ভিউ শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান শহরকে দেখা যায় আবার মেঘমুক্ত আকাশ থাকলে দূরের কক্সবাজার সাগর সৈকত হাতছানী দেয় দর্শনার্থীদের। ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা।
বান্দরবান শহর থেকে নীলাচল যাওয়ার জন্য সিএনজি, চাঁদের গাড়ি ও জীপ পাওয়া যায়। প্রয়োজনে বান্দরবান থেকে হালকা খাবার সাথে নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন কিংবা নীলাচল থেকে বান্দরবান শহরে ফিরে খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন। যদি মেঘের দেখা পেতে চান যদিও খুব সকালে রওনা দিতে হবে নীলাচল।
নীলাচলে বর্ষা, শরৎ আর হেমন্তকালে হাতের কাছে মেঘ খেলা করে। হোটেল হিলটন বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। এছাড়া অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
নীলাচলের অপরূপ সৌন্দর্য ও মেঘের খেলা দেখতে ভিডিওটি দেখুনঃ
কোথায় থাকবেন?
নীলাচলে থাকতে চাইলে নীলাচল স্কেপ রিসোর্টের তিনটি কটেজের একটা থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার জন্য। ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। আর আপনি সিজন ও ছুটির দিনে যান তাহলে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন। হোটেল প্লাজা বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। প্রতিটি কটেজে দুইটি করে রুম আছে, প্রতি রুমের ভাড়া পড়বে ৩০০০ টাকা। হোটেল হিলটন বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। পর্যটন মোটেল পাহাড় ও লেকের পাশেই রয়েছে। রিভার ভিউ শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় রয়েছে। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। ভাড়া ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা। * কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। এছাড়া নীলাচল বান্দরবান শহরের কাছে বলেই আপনি বান্দরবান শহরের হোটেল ও রিসোর্ট গুলোতে থাকতে পারবেন। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে: হোটেল হিল ভিউ বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। সিজন (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী) ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে। নীলাচলে থাকতে চাইলে আগে থেকেই যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখা ভালো। এছাড়া অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
নীলাচল স্কেপ রিসোর্টে রাত্রি যাপন করলে কতৃপক্ষ খাবারের ব্যবস্থা করে। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। ফরেস্ট হিল নামে শুধুকেবল একটা রেস্তোরাঁ রয়েছে, এছাড়া খাবারের তেমন ভাল ব্যবস্থা নেই। প্রয়োজনে বান্দরবান থেকে হালকা খাবার সাথে নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন কিংবা নীলাচল থেকে বান্দরবান শহরে ফিরে খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন। নীলাচলের অপরূপ সৌন্দর্য ও মেঘের খেলা দেখতে ভিডিওটি দেখুনঃ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নীলাচলে থাকতে চাইলে নীলাচল স্কেপ রিসোর্টের তিনটি কটেজের একটা থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার জন্য। ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। আর আপনি সিজন ও ছুটির দিনে যান তাহলে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন। হোটেল প্লাজা বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। প্রতিটি কটেজে দুইটি করে রুম আছে, প
নীলাচল সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নীলাচল (Nilachal) পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান শহর থেকে কেবল ৫ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় টাইগার পাড়ায় পাহাড়ের উপর রয়েছে। নীলাচলে দর্শনার্থীরা প্রায়ই সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকতে পারেন। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
