বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার মিরিঞ্জা রেঞ্জে রয়েছে একটা পাহাড়ের নাম মারায়ন তং (Marayan Dong)। যদিও দর্শনার্থীদের কাছে মারায়ং তং পাহাড় জনপ্রিয় সেখান থেকে দিগন্ত জুড়ে মেঘের ভেলা দেখার জন্যে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মারায়ন তং সম্পর্কে
দিগন্তজোড়া পাহাড় আর নিচে সাপের মতো বয়ে চলা মাতামুহুরী নদী, ফসলের ক্ষেত সবকিছু মিলিয়ে এ যেন এক কল্পনার রাজ্য। প্রায় ১৬৪০ ফুট উচ্চতার এই পাহাড়ের চূড়ায় আছে একটা বৌদ্ধ উপাসনালয়। এছাড়া বেশ কিছু জুম ঘর কটেজ তৈরি হয়েছে এখন।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা হতে সরাসরি আলীকদমগামী বাস সার্ভিস রয়েছে। নিজেদের ক্যাম্পিং সরঞ্জাম না থাকলেও সেখানে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। প্রয়োজনে আদিবাসী পাড়ার হেডম্যানদের ফোন নম্বর জেনে নিন।
পৌঁছাতে পারবেন আলিকদম রোড হয়ে থানচি। যদিও কারও কারও সময় আরও বেশি লাগতে পারে। পাহাড়ে উঠার সময় বেশি লাগলেও নেমে আসতে ১ ঘন্টার মত সময় লাগবে।
এক জীপে ১০-১২ জন যাওয়া যায়। সেখানে জনপ্রতি ১০০০-২০০০ টাকার প্যাকেজে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। নিজেরা ক্যাম্পিং করতে চাইলে ক্যাম্পিংয়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাঁবু, স্লিপিং ব্যাগ, হালকা চাদর ইত্যাদি সঙ্গে নিন।
আপনি কি কি দেখবেন তা আগেই পরিকল্পনা করে সেইভাবেই রোড প্ল্যান সাজিয়ে নিতে পারেন। সেখান থেকে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই মারায়ং তং যাবার রাস্তা দেখিয়ে দিবে। সেই সাথে রান্নার উপকরণ নিতে ভুল করবেন না।
সাথে নিয়ে যাওয়া শুকনো খাবার চিপস, বিস্কুট ইত্যাদির প্যাকেট ফেলে পাহাড় নোংরা করবেন না। প্রয়োজনে জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শমারায়াং তং পাহাড়ে যাওয়ার সময় পানি, স্যালাইন, গ্লুকোজ, শুকনো খাবার, ফ্রাস্ট এইড বক্স ও দরকারী ওষুধপত্র সাথে রাখুন।
অনুমতি ছাড়া আদিবাসীদের ছবি তুলবেন না। মারায়ং তং হচ্ছে মেঘ দেখার জন্যে খুবই উপযুক্ত যায়গা। সেখান থেকে হেটে মারায়ং তং পাহাড় চূড়ায় পৌঁছতে ২ ঘন্টার মত সময় লাগবে।
রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে জায়গাীয় প্রশাসনের সাথে কথা বলে নিন এবং তাদের পরামর্শ পালন করুন। খোলা প্রকৃতির মাঝে বৌদ্ধের বিশাল মূর্তি এই জায়গাটিকে আরও গাম্ভির্যময় করে তোলেছে। এই পাহাড় আরও কয়েকটি নামে পরিচিত যেমন; মারায়ান তং, মারায়ং তং, মেরাই থং জাদি, মারাইং ডং ইত্যাদি।
সরাসরি আলিকদমের বাস ছাড়াও কক্সবাজার গামী কোন বাসে করে কক্সবাজারের চকোরিয়ায় নেমে সেখান থেকে লোকাল বাস বা জীপে করে আলীকদম যাওয়া যায়, লোকাল ভাড়া ৭০-৮০ টাকা। ত্রিপুরা, মারমা, মুরং সহ বেশিকিছু আদিবাসীর বসবাস এই মারায়ন তং পাহাড়ে। পাহাড়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবনযাত্রা এবং নিখাদ প্রকৃতি দুচোখ ভরিয়ে দেয় এখানে আগত দর্শনার্থীদের।
জীপ রিজার্ভ করতে ভাড়া লাগবে প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
মূলত মারায়ং তং যারা ভ্রমণ করতে যায় তারা ক্যাম্পিং করে সেখানে থাকার জন্যে ভ্রমণে যায়। চাইলে জীপ রিজার্ভ নিয়ে আলীকদম যেতে পারবেন। আলীকদম বাসস্ট্যান্ড পৌঁছার আগেই আবাসিক নামক জায়গায় আপনাকে নেমে রওনা দিতে হবে।
পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে থাকা আদিবাসী পাড়াগুলো বিশেষ বৈচিত্রতা যুক্ত করেছে আলীকদমের এই পাহাড়ি সৌন্দর্যে। আশেপাশের দর্শনীয় জায়গামারায়ন তং ভ্রমণের পাশাপাশি আপনি মাতামুহুরী নদী, ডিম পাহাড়, মায়া লেক, মিরিঞ্জা ভ্যালি, সুখিয়া ভ্যালি, টোয়াইন খাল দেখতে পারেন। আদিবাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন এবং তাদের কোন ক্ষতি করবেন না।
শ্বাসকষ্ট কিংবা হার্টের কোন অসুখ থাকলে এই ভ্রমণ এড়িয়ে যান।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা হতে সরাসরি আলীকদমগামী বাস সার্ভিস রয়েছে।
চাইলে জীপ রিজার্ভ নিয়ে আলীকদম যেতে পারবেন।
যদিও কারও কারও সময় আরও বেশি লাগতে পারে।
জীপ রিজার্ভ করতে ভাড়া লাগবে প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা।
সরাসরি আলিকদমের বাস ছাড়াও কক্সবাজার গামী কোন বাসে করে কক্সবাজারের চকোরিয়ায় নেমে সেখান থেকে লোকাল বাস বা জীপে করে আলীকদম যাওয়া যায়, লোকাল ভাড়া ৭০-৮০ টাকা।
সেখান থেকে হেটে মারায়ং তং পাহাড় চূড়ায় পৌঁছতে ২ ঘন্টার মত সময় লাগবে।
কোথায় থাকবেন?
মূলত মারায়ং তং যারা ভ্রমণ করতে যায় তারা ক্যাম্পিং করে সেখানে থাকার জন্যে ভ্রমণে যায়। নিজেদের ক্যাম্পিং সরঞ্জাম না থাকলেও সেখানে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। এছাড়া বেশ কিছু জুম ঘর কটেজ তৈরি হয়েছে এখন। সেখানে জনপ্রতি ১০০০-২০০০ টাকার প্যাকেজে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
ট্রাভেল টিপস
মারায়াং তং পাহাড়ে যাওয়ার সময় পানি, স্যালাইন, গ্লুকোজ, শুকনো খাবার, ফ্রাস্ট এইড বক্স ও দরকারী ওষুধপত্র সাথে রাখুন। অনুমতি ছাড়া আদিবাসীদের ছবি তুলবেন না। নিজেরা ক্যাম্পিং করতে চাইলে ক্যাম্পিংয়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাঁবু, স্লিপিং ব্যাগ, হালকা চাদর ইত্যাদি সঙ্গে নিন। প্রয়োজনে জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিতে পারবেন। সাথে নিয়ে যাওয়া শুকনো খাবার চিপস, বিস্কুট ইত্যাদির প্যাকেট ফেলে পাহাড় নোংরা করবেন না। আদিবাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন এবং তাদের কোন ক্ষতি করবেন না। প্রয়োজনে আদিবাসী পাড়ার হেডম্যানদের ফোন নম্বর জেনে নিন। সেই সাথে রান্নার উপকরণ নিতে ভুল করবেন না। রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে জায়গাীয় প
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মারায়ন তং কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা হতে সরাসরি আলীকদমগামী বাস সার্ভিস রয়েছে। চাইলে জীপ রিজার্ভ নিয়ে আলীকদম যেতে পারবেন। যদিও কারও কারও সময় আরও বেশি লাগতে পারে। জীপ রিজার্ভ করতে ভাড়া লাগবে প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা। সরাসরি আলিকদমের বাস ছাড়াও কক্সবাজার গামী কোন বাসে করে কক্সবাজারের চকোরিয়ায় নেমে সেখান থেকে লোকাল বাস বা জীপে করে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মূলত মারায়ং তং যারা ভ্রমণ করতে যায় তারা ক্যাম্পিং করে সেখানে থাকার জন্যে ভ্রমণে যায়। নিজেদের ক্যাম্পিং সরঞ্জাম না থাকলেও সেখানে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। এছাড়া বেশ কিছু জুম ঘর কটেজ তৈরি হয়েছে এখন। সেখানে জনপ্রতি ১০০০-২০০০ টাকার প্যাকেজে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
মারায়ন তং সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার মিরিঞ্জা রেঞ্জে রয়েছে একটা পাহাড়ের নাম মারায়ন তং (Marayan Dong)। যদিও দর্শনার্থীদের কাছে মারায়ং তং পাহাড় জনপ্রিয় সেখান থেকে দিগন্ত জুড়ে মেঘের ভেলা দেখার জন্যে। দিগন্তজোড়া পাহাড় আর নিচে সাপের মতো বয়ে চলা মাতামুহুরী নদী, ফসলের ক্ষেত সবকিছু মিলিয়ে এ যেন এক কল্পনার রাজ্য।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
