বান্দরবান জেলা শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক (Chimbuk Hill) পাহাড়ের অবজায়গা। রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো একটা বাসে চড়ে সহজেই বান্দরবান আসতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চিম্বুক সম্পর্কে
এসব নন-এসি ও এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া ট্রেন বা এয়ারে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে বান্দরবান যেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে নিচের পড়ুন বান্দরবান ভ্রমণের ট্যুর প্ল্যান।
এছাড়া চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্রের সামনে আদিবাসীদের খাবার হোটেল আছে।
কোথায় খাবেন
চিম্বুক পাহাড়ের পাশে সেনাবাহিনী কতৃক পরিচালিত একটা ক্যান্টিন চালু আছে। চিম্বুক থেকে আরও ২০ কিলোমিটার সামনে গেলে নীলগিরি। এসব হোটেল ও রিসোর্টে সময়ানুপাতে ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় রাতে থাকতে পারবেন।
রাত ৯-১০টায় রওনা দিলে সকাল ৭টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন বান্দরবান। আর বর্ষায় চিম্বুক পাহাড় থেকে সাজেকের মত দুরন্ত মেঘের উড়াউড়ি দেখা যায়, আর ভাগ্য ভাল হলে হাত বাড়িয়ে নেয়া যায় মেঘের স্পর্শ। এই ক্যান্টিনে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার খাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
যদিও জেলা প্রশাসকের তত্ত্ববধানে একটা রেস্টহাউস পরিচালিত হয়ে আসছে। চম্বুক পাহাড় চূড়াতেই রয়েছে চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্র। যাওয়ার উপায়দেশের যে প্রান্তেই আপনার অবজায়গা হোক না কেন চিম্বুক যেতে চাইলে বান্দরবান চলে আসুন।
বান্দরবানের রিসোর্ট ও হোটেল নিয়ে নিচের লিংক থেকে বিস্তারিত জানতে আমাদের বান্দরবানের হোটেল ও রিসোর্ট গাইড পড়ুন। ঢাকার কলাবাগান, সায়েদাবাদ, গাবতলী এবং ফকিরাপুল থেকে শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহণের বাস প্রত্যেক দিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কম খরচে থাকতে চিয়ালে বান্দরবান জেলা শহরে নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আছে।
আর নীলগিরি যেতে চাইলে নীলগিরি যাবার পথেই চিম্বুকের অবজায়গা। চট্টগ্রাম হয়ে যেতে চাইলে চট্টগ্রামের বদ্দারহাট বাস স্ট্যান্ড থেকে বান্দারবান যাবার বাস পাওয়া যায়। প্রায়ই দর্শনার্থীরা চিম্বুক, নীলগিরি, শৈলপ্রপাত ঝর্ণা এইসব একসাথে ঘুরে দেখার জন্যে গাড়ি ভাড়া করে থাকে।
চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ২০০ – ২৫০ টাকা। এছাড়া চিম্বুক পাহাড়ে যাওয়ার পথে মিলনছড়ি ও শৈলপ্রপাত ঝর্ণা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২৫০০ ফুট উঁচু চিম্বুক পাহাড়ে যাওয়ার আঁকাবাঁকা রাস্তার দুই পাশের চমৎকার প্রকৃতির দৃশ্য এবং সর্পিল সাঙ্গু নদীর সৌন্দর্য মনকে প্রশান্ত করে।
বান্দরবান থেকে চিম্বুক পাহাড়বান্দরবান জেলা শহরের বাস স্ট্যান্ড হতে চাঁদের গাড়ি, জীপ বা সিএনজি ভাড়া করে চিম্বুক যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
পাহাড়ী অঞ্চল ও দূর্গম হওয়ার কারণে চিম্বুকে কোন থাকার হোটেল নেই। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে বান্দরবান (Bandarban) যাওয়া যায়। বান্দরবান শহর থেকে যেতে প্রায় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে।
যদিও চিম্বুক পর্যটন থেকে আরও দূরে নীলগিরি অথবা আগে বিলাসঅসংখ্যল সাইরু রিসোর্ট আছে। পাহাড়ের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাঁড়িয়ে নৈস্বর্গিক প্রকৃতিক রূপের সুধা পান করতে করতে মেঘের ভেলা চেপে হারিয়ে যাওয়া যায় অপার্থিব জগতের গভীরে। আগে থেকে বলে রাখলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করে দিবে।
কোথায় থাকবেন?
পাহাড়ী অঞ্চল ও দূর্গম হওয়ার কারণে চিম্বুকে কোন থাকার হোটেল নেই। এসব হোটেল ও রিসোর্টে সময়ানুপাতে ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। যদিও চিম্বুক পর্যটন থেকে আরও দূরে নীলগিরি অথবা আগে বিলাসঅসংখ্যল সাইরু রিসোর্ট আছে। কম খরচে থাকতে চিয়ালে বান্দরবান জেলা শহরে নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আছে। যদিও জেলা প্রশাসকের তত্ত্ববধানে একটা রেস্টহাউস পরিচালিত হয়ে আসছে। বান্দরবানের রিসোর্ট ও হোটেল নিয়ে নিচের লিংক থেকে বিস্তারিত জানতে আমাদের বান্দরবানের হোটেল ও রিসোর্ট গাইড পড়ুন।
কোথায় খাবেন?
চিম্বুক পাহাড়ের পাশে সেনাবাহিনী কতৃক পরিচালিত একটা ক্যান্টিন চালু আছে। এই ক্যান্টিনে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার খাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্রের সামনে আদিবাসীদের খাবার হোটেল আছে। আগে থেকে বলে রাখলে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করে দিবে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
পাহাড়ী অঞ্চল ও দূর্গম হওয়ার কারণে চিম্বুকে কোন থাকার হোটেল নেই। এসব হোটেল ও রিসোর্টে সময়ানুপাতে ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। যদিও চিম্বুক পর্যটন থেকে আরও দূরে নীলগিরি অথবা আগে বিলাসঅসংখ্যল সাইরু রিসোর্ট আছে। কম খরচে থাকতে চিয়ালে বান্দরবান জেলা শহরে নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল ও রিসো
চিম্বুক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বান্দরবান জেলা শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক (Chimbuk Hill) পাহাড়ের অবজায়গা। রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো একটা বাসে চড়ে সহজেই বান্দরবান আসতে পারেন। এসব নন-এসি ও এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
