বাংলাদেশের পাহাড়ি জনপদ বান্দরবান যেন প্রকৃতির এক রহস্যময় ভান্ডার। এখানে থাকার জন্য বিজিবি সীমান্ত অবকাশ রিসোর্ট, চিংক্য ম্রো গেস্ট হাউস, মেঘবতী রিসোর্ট, জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস, থানচি কুটির সহ বেশকিছু হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কুমারী ঝর্ণা সম্পর্কে
এই ঝর্নার নদীর তীর ঘেঁষে থাকায় এর কাছে পৌঁছানো তুলনামূলকভাবে সহজ। থানচি থেকে রেমাক্রি যাওয়ার পথে বড় পাথর বা রাজা পাথর অঞ্চলর কাছেই কুমারী ঝর্নার অবজায়গা । তারপর বান্দরবান থেকে থানচি ও থানচি থেকে নৌকায় সাঙ্গু নদী দিয়ে রেমাক্রি যাওয়ার পথে বড় পাথর বা রাজা পাথর অঞ্চলর কাছে নেমে কিছুটা হেঁটে গেলেই পেয়ে যাবেন কুমারী ঝর্নার দেখা।
কোথায় খাবেনথানচি বাজারের আশেপাশে বহু রেস্তোরাঁ আছে, যেখানে আপনি জায়গাীয় ও সাধারণ খাবার উপভোগ করতে পারেন। জায়গাীয়দের মতে এই ঝর্ণাটি শুধু বর্ষাকালেই পূর্ণতা লাভ করে। ঢাকা থেকে বান্দরবান পৌঁছানোর বিস্তারিত জানতে পড়ুন বান্দরবান যাওয়ার উপায় ও ভাড়া গাইড।
তেমনই এক মন মুগ্ধকর ঝর্ণা হলো কুমারী ঝর্ণা যা বর্ষার সময় তার পূর্ণ যৌবন লাভ করে। এছারা বছরের অন্যান্য সময় পানি কম থাকে বা শুকিয়ে যায়। এইসব ঝর্না দেখতে দেশ-বিদেশ থেকে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।
কুমারী ঝর্ণা কীভাবে যাবেন
কুমারী ঝর্ণা দেখতে হলে ঢাকা থেকে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরে আসতে হবে প্রথম। এইসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ৭০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত। কোথায় থাকবেনকুমারী ঝর্ণা দেখে রাতে থাকতে চাইলে থানচি উপজেলা সদর চলে আসুন।
এটি শুধু একটা ঝর্না নয়, এটি যেন প্রকৃতির নির্জন কোলে বসে থাকা এক মিষ্টি কুমারীর হাসি। এখানের জায়গাীয় খাবারগুলো প্রায়ই পাহাড়ি সবজি এবং মাছ দিয়ে তৈরি হয়, জয়া দর্শনার্থীেরা বেশ পছন্দ করে থাকে। এখানে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ঝর্ণা।
কুমারী ঝর্ণা (Kumari Waterfall) বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের কাছে রয়েছে। এই মৌসুমী স্বভাবের কারণেই এই ঝর্নার নাম কুমারী ঝর্না। কুমারী ঝর্নার সৌন্দর্য স্থায়ী নয় বরং ক্ষণস্থায়ী বহুটা লাজুক কুমারীর মতো যে বছরে একবারই তার রূপ মেলে ধরে।
আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
কীভাবে যাবেন?
কুমারী ঝর্ণা দেখতে হলে ঢাকা থেকে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরে আসতে হবে প্রথম।
তারপর বান্দরবান থেকে থানচি ও থানচি থেকে নৌকায় সাঙ্গু নদী দিয়ে রেমাক্রি যাওয়ার পথে বড় পাথর বা রাজা পাথর অঞ্চলর কাছে নেমে কিছুটা হেঁটে গেলেই পেয়ে যাবেন কুমারী ঝর্নার দেখা।
ঢাকা থেকে বান্দরবান পৌঁছানোর বিস্তারিত জানতে পড়ুন বান্দরবান যাওয়ার উপায় ও ভাড়া গাইড।
কোথায় থাকবেন?
কুমারী ঝর্ণা দেখে রাতে থাকতে চাইলে থানচি উপজেলা সদর চলে আসুন। এখানে থাকার জন্য বিজিবি সীমান্ত অবকাশ রিসোর্ট, চিংক্য ম্রো গেস্ট হাউস, মেঘবতী রিসোর্ট, জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস, থানচি কুটির সহ বেশকিছু হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। এইসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ৭০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত।
কোথায় খাবেন?
থানচি বাজারের আশেপাশে বহু রেস্তোরাঁ আছে, যেখানে আপনি জায়গাীয় ও সাধারণ খাবার উপভোগ করতে পারেন। এখানের জায়গাীয় খাবারগুলো প্রায়ই পাহাড়ি সবজি এবং মাছ দিয়ে তৈরি হয়, জয়া দর্শনার্থীেরা বেশ পছন্দ করে থাকে। আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুমারী ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?
কুমারী ঝর্ণা দেখতে হলে ঢাকা থেকে আপনাকে বান্দরবান জেলা সদরে আসতে হবে প্রথম। তারপর বান্দরবান থেকে থানচি ও থানচি থেকে নৌকায় সাঙ্গু নদী দিয়ে রেমাক্রি যাওয়ার পথে বড় পাথর বা রাজা পাথর অঞ্চলর কাছে নেমে কিছুটা হেঁটে গেলেই পেয়ে যাবেন কুমারী ঝর্নার দেখা। ঢাকা থেকে বান্দরবান পৌঁছানোর বিস্তারিত জানতে পড়ু
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কুমারী ঝর্ণা দেখে রাতে থাকতে চাইলে থানচি উপজেলা সদর চলে আসুন। এখানে থাকার জন্য বিজিবি সীমান্ত অবকাশ রিসোর্ট, চিংক্য ম্রো গেস্ট হাউস, মেঘবতী রিসোর্ট, জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস, থানচি কুটির সহ বেশকিছু হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। এইসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ৭০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত।
কুমারী ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাংলাদেশের পাহাড়ি জনপদ বান্দরবান যেন প্রকৃতির এক রহস্যময় ভান্ডার। এখানে থাকার জন্য বিজিবি সীমান্ত অবকাশ রিসোর্ট, চিংক্য ম্রো গেস্ট হাউস, মেঘবতী রিসোর্ট, জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস, থানচি কুটির সহ বেশকিছু হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। এই ঝর্নার নদীর তীর ঘেঁষে থাকায় এর কাছে পৌঁছানো তুলনামূলকভাবে সহজ।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
