bangladesh · Editorial

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি

রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে কাপ্তাই লেকের ছোট্ট এক দ্বীপে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বাঙ্গালির অন্যতম এক বীর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক

Photograph · Collected for Tripzao Journal

রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে কাপ্তাই লেকের ছোট্ট এক দ্বীপে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বাঙ্গালির অন্যতম এক বীর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ (Birsrestha Munshi Abdur Rauf Monument)। কোথায় খাবেনরাঙ্গামাটির স্পাইস রেস্তোরা, পাজন রেস্তোরাঁ, ইরিশ রেস্তোরাঁ ও সাবারাং রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি সম্পর্কে

সেদিন হঠাৎ ভারি অস্ত্র বোঝাই তিনটি লঞ্চ ও দুইটি স্পীড বোট মুক্তিযোদ্ধাদের ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে বুড়িঘাট ভাঙ্গামুড়া অঞ্চলর জায়গাীয় দয়াল চাকমা তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে কাপ্তাই লেকের ছোট্ট দ্বীপে সমাহিত করেন। আরও জানতে পড়ুন রাঙ্গামাটির হোটেল ও রিসোর্ট : ভাড়া, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার।

১৯৯৬ সালের ২৫ এপ্রিল মুন্সি আব্দুর রউফের সহযোদ্ধা ও অঞ্চলবাসীর সহযোগিতায় সমাধিস্থল চিহ্নিত করা হয়। অথৈ নীল জল পরিবেষ্টিত সমাধি স্থলে লেখা “তুমি দুর্জয়, নির্ভীক মৃত্যুহীন এক প্রাণ” কথাগুলো যেন তাঁর গৌরবজ্বল বীরত্বের এক অনন্য প্রকাশ। ঢাকা থেকে যাওয়ার ক্ষেত্রে, কমলাপুর, ফকিরাপুর, গাবতলি বা কলাবাগান হতে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিগামী নানা বাস সার্ভিস রয়েছে।

প্রতিবছর স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে দূর দূরান্ত থেকে বহু ভ্রমণকারী মুক্তিযুদ্ধের মহান এই নায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। তাছাড়া নানিয়ারঘাটে চা নাস্তার খুচরা দোকান রয়েছে। এছাড়া সমাধি স্থলে যাওয়ার পথে নানিয়ারচরের আনারস বাগান, কাপ্তাই লেকে দলবেধে চলা ইঞ্জিন চালিত নৌকা এবং চারপাশের অসাধারণ প্রকৃতির দৃশ্যও সকলকে মুগ্ধ করে।

আর রাঙ্গামাটি শহর থেকে গাড়ী রিজার্ভ নিয়ে জেটিঘাট এসে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় সমাধিস্থল পৌঁছানো যায়। কোথায় থাকবেনরাঙ্গামাটি শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রিন্স, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল মতি মহল, হোটেল জুম প্যালেস, হোটেল গ্রীন ক্যাসেলের মতো বেশকিছু ভাল মানের হোটেল রয়েছে। লক্ষ্যনীয় কিছু বিষয়সমাধিস্থলে যাওয়ার সময় শালীন পোশাক পরিধাণ করুন।

আকস্মিক হানাদার বাহিনীর ছোড়া একটা মর্টারের আঘাতে মুন্সি আব্দুর রউফ শাহদাত বরণ করেন। যুদ্ধে হানাদার বাহিনির দুটো লঞ্চ ও একটা স্পীড বোট পানিতে ডুবে যায়, মারা যায় দুই প্লাটুন সৈন্য। সমাধিস্থলে নীরবতা বজায় রেখে শ্রদ্ধা জানান।

কীভাবে যাবেন

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি হয়ে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধিস্থলে পৌঁছানো যায়। ২০০৬ সালের ২৫ মার্চ রাইফেলের ভাস্কর্য সংবলিত স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটা অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটির মহালছড়ি থানার বুড়িঘাট চিংড়ি খাল অঞ্চলর পাকিজায়গাী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ছিল।

রাঙ্গামাটি থেকে নানিয়ারচরের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে রাঙ্গামাটি এসে একই পদ্ধতিতে সমাধিস্থলে যাওয়া যাবে। হানাদার বাহিনীর আকস্মিক আক্রমনে মুন্সি আব্দুর রউফ মেশিনগান নিয়ে একাই শত্রুদের সাথে লড়াই করে তাঁর সহযোদ্ধাদের নিরাপদে সরে যেতে সাহায্য করেন।

সমাধিস্থলে উঠার আগে জুতা বা স্যান্ডেল খুলে রাখুন। খাগড়াছড়ি পৌঁছে নানিয়ারচর হয়ে ইঞ্জিন চলিত নৌকা নিয়ে সমাধিস্থত যেতে পারবেন। নানিয়ারচরের ঘাট থেকে সমাধিস্থল যেতে সময় লাগে দেড় ঘন্টার মত সময় লাগে।

সমাধিস্থলে কোন ধরনের ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না।

কীভাবে যাবেন?

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি হয়ে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধিস্থলে পৌঁছানো যায়।

চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে রাঙ্গামাটি এসে একই পদ্ধতিতে সমাধিস্থলে যাওয়া যাবে।

রাঙ্গামাটি থেকে নানিয়ারচরের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার।

খাগড়াছড়ি পৌঁছে নানিয়ারচর হয়ে ইঞ্জিন চলিত নৌকা নিয়ে সমাধিস্থত যেতে পারবেন।

আর রাঙ্গামাটি শহর থেকে গাড়ী রিজার্ভ নিয়ে জেটিঘাট এসে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় সমাধিস্থল পৌঁছানো যায়।

ঢাকা থেকে যাওয়ার ক্ষেত্রে, কমলাপুর, ফকিরাপুর, গাবতলি বা কলাবাগান হতে খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিগামী নানা বাস সার্ভিস রয়েছে।

কোথায় থাকবেন?

রাঙ্গামাটি শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রিন্স, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল মতি মহল, হোটেল জুম প্যালেস, হোটেল গ্রীন ক্যাসেলের মতো বেশকিছু ভাল মানের হোটেল রয়েছে। আরও জানতে পড়ুন রাঙ্গামাটির হোটেল ও রিসোর্ট : ভাড়া, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার।

কোথায় খাবেন?

রাঙ্গামাটির স্পাইস রেস্তোরা, পাজন রেস্তোরাঁ, ইরিশ রেস্তোরাঁ ও সাবারাং রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত। তাছাড়া নানিয়ারঘাটে চা নাস্তার খুচরা দোকান রয়েছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি কীভাবে যাবেন?

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি হয়ে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধিস্থলে পৌঁছানো যায়। চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে রাঙ্গামাটি এসে একই পদ্ধতিতে সমাধিস্থলে যাওয়া যাবে। রাঙ্গামাটি থেকে নানিয়ারচরের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। খাগড়াছড়ি পৌঁছে নানিয়ারচর হয়ে ইঞ্জিন চলিত নৌকা নিয়ে সমাধিস্থত যেতে পারবেন। আ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

রাঙ্গামাটি শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রিন্স, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল মতি মহল, হোটেল জুম প্যালেস, হোটেল গ্রীন ক্যাসেলের মতো বেশকিছু ভাল মানের হোটেল রয়েছে। আরও জানতে পড়ুন রাঙ্গামাটির হোটেল ও রিসোর্ট : ভাড়া, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার।

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে কাপ্তাই লেকের ছোট্ট এক দ্বীপে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বাঙ্গালির অন্যতম এক বীর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ (Birsrestha Munshi Abdur Rauf Monument)। কোথায় খাবেনরাঙ্গামাটির স্পাইস রেস্তোরা, পাজন রেস্তোরাঁ, ইরিশ রেস্তোরাঁ ও সাবারাং রেস্তোরাঁ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.