এখন কক্সবাজার ভ্রমনের সর্বাধিক দর্শনীয় বিষয় হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড (Marine Drive Road)। মেরিন ড্রাইভ রোডের এক দিকে রয়েছে উত্তাল সমুদ্র সৈকত আর অন্য দিকে রয়েছে সবুজের ঢাকা ছোট-বড় পাহাড়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মেরিন ড্রাইভ রোড সম্পর্কে
এছাড়া আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে কক্সবাজার যেতে পারবেন। বাস ভেদে ভাড়া ৪২০ থেকে ১০০০ টাকা নিবে। ঢাকা থেকে সৌদিয়া, এস আলম মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন ইত্যাদি বাস প্রত্যেক দিন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোড কক্সবাজারের কলাতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। পিক সিজনে ছুটির দিন হলে খরচ একটু বেশি হতে পারে।
জীপ গাড়ি বা চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করতে ৩০০০ – ৪০০০ টাকা লাগতে পারে। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি, আল গনি, ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। ঝামেলা এড়াতে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি সঙ্গে রাখুন।
সময় কম হলে সিএনজি অথবা জীপ রিজার্ভ করে ঘুরুন, এতে সময় কম লাগবে। এখানে সিজনের উপর গাড়ি ভাড়া নির্ভর করে। আরও পড়ুনঃ কক্সবাজারের ৬০ টি হোটেল ও রিসোর্টের তথ্য
কোথায় খাবেন
মেরিন ড্রাইভ রোডের নানা জায়গাে নানা মানের রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ, সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট, উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট উল্লেখ্য। যদিও কলাতলীর ডলফিন মোড়ে সবসময় গাড়ি পাবেন।
যদি সম্পূর্ন মেরিন ড্রাইভ রোড দেখতে চান যদিও গাড়ি ঠিক করার সময় ড্রাইভারকে সেটা জানিয়ে রাখবেন। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শ নেয়া উচিত নয়। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে।
অথবা আপনার হাতে যদি অল্প সময় থাকে তাহলে হিমছড়ি কিংবা ইনানী বীচ পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসতে পারেন। পুরো মেরিন ড্রাইভ ও আশেপাশের জায়গা গুলো ভাল করে ঘুরে দেখতে ৪-৫ ঘন্টা সময় হাতে রাখতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার, ইউএস বাংলা, এয়ার আস্ট্রা ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
মেরিন ড্রাইভ রোড কীভাবে যাবেন
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে। আবার কোথাও কোথাও পাহাড়ের গা বেয়ে ঝর্ণা ধারার দেখা মিলে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো।
সারাদিনের জন্যে ইজিবাইক বা সিএনজি ভাড়া লাগবে ৮০০-১৫০০ টাকা। জেনে রাখা ভালপথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি চেকপোস্ট পড়বে। সেই সাথে সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলবে টেকনাফ গর্জন ফরেস্ট খ্যাত চিরহরিৎ বন।
শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৯০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। ভাড়া সেই ভাবে করে নিবেন। মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে যেতে যেতে বিস্তৃত সাগরের সমস্ত সৌন্দর্য্য আহরণ ও জেলেদের সাগরে মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।
অফ সিজনে অগ্রিম হোটেল বুকিং না দিলেও রুম পাবার নিশ্চয়তা থাকে কিন্তু ডিসেম্বরে থেকে ফেব্রুয়ারি মাস অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে। সেখানে বিনা সংকোচে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।
কক্সবাজারের থেকে খোলা জিপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি কিংবা অটোরিকশায় মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে হিমছড়ি ও ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। মেরিন ড্রাইভ কতটুকু ঘুরবেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। তা না হলে হয়তো আশেপাশের একটু জায়গা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।
চাইলে এসব রেস্তোরাঁের একটাতে উদরপূর্তি করে ফেলতে পারেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজার নানা উপায়ে আসা যায়। কক্সবাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ রোডকক্সবাজারের যে কোন জায়গা থেকে মেরিন ড্রাইভ রোড যাবার খোলা জীপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি ও অটো পাবেন।
আবার কক্সবাজারে সব ধরনের ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। অফসিজনে প্রায়ই হোটেলের ভাড়া অর্ধেকেরও কম থাকে। চট্টগ্রাম থেকে আসতে চাইলে নতুন ব্রিজ অঞ্চল, অলংকার মোড়, সিনেমা প্যালেস অথবা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এস আলম, হানিফ অথবা ইউনিক পরিবহনের বাসে কক্সবাজার আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ট্রেনে সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে কক্সবাজার এক্সপ্রেস অথবা দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রা করতে পারেন। আরও পড়ুনকক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ রোডের সেরা ১০ হোটেল ও রিসোর্ট
কীভাবে যাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার, ইউএস বাংলা, এয়ার আস্ট্রা ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
চট্টগ্রাম থেকে আসতে চাইলে নতুন ব্রিজ অঞ্চল, অলংকার মোড়, সিনেমা প্যালেস অথবা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এস আলম, হানিফ অথবা ইউনিক পরিবহনের বাসে কক্সবাজার আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ট্রেনে সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে কক্সবাজার এক্সপ্রেস অথবা দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রা করতে পারেন।
ঢাকা থেকে সৌদিয়া, এস আলম মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন ইত্যাদি বাস প্রত্যেক দিন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বাস ভেদে ভাড়া ৪২০ থেকে ১০০০ টাকা নিবে।
কোথায় থাকবেন?
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ, সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট, উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট উল্লেখ্য। অফসিজনে প্রায়ই হোটেলের ভাড়া অর্ধেকেরও কম থাকে। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শ নেয়া উচিত নয়। অফ সিজনে অগ্রিম হোটেল বুকিং না দিলেও রুম পাবার নিশ্চয়তা থাকে কিন্তু ডিসেম্বরে থেকে ফেব্রুয়ারি মাস অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। আরও পড়ুনঃ কক্সবাজারের ৬০ টি হোটেল ও রিসোর্টের তথ্য
কোথায় খাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডের নানা জায়গাে নানা মানের রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি, আল গনি, ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। আবার কক্সবাজারে সব ধরনের ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। চাইলে এসব রেস্তোরাঁের একটাতে উদরপূর্তি করে ফেলতে পারেন। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মেরিন ড্রাইভ রোড কীভাবে যাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে। এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার, ইউএস বাংলা, এয়ার আস্ট্রা ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। চট্টগ্রাম থেকে আসতে চাইলে নতুন ব্রিজ অঞ্চল, অলংকার মোড়, সিনেমা প্যালেস অথবা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এস আলম, হানিফ অথবা ইউনিক
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায
মেরিন ড্রাইভ রোড সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
এখন কক্সবাজার ভ্রমনের সর্বাধিক দর্শনীয় বিষয় হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড (Marine Drive Road)। মেরিন ড্রাইভ রোডের এক দিকে রয়েছে উত্তাল সমুদ্র সৈকত আর অন্য দিকে রয়েছে সবুজের ঢাকা ছোট-বড় পাহাড়। এছাড়া আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে কক্সবাজার যেতে পারবেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
