bangladesh · Editorial

সোনাদিয়া দ্বীপ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপ (Sonadia Island) ক্যাম্পিং বা একদিনে কীভাবে ঘুরবেন, কি দেখবেন, যাওয়ার সকল উপায়, ক্যাম্পিং এর বিস্তারিত খরচ সহ...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

কক্সবাজারের মহেশখালি উপজেলার ৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট সোনাদিয়া দ্বীপ (Sonadia Island) এডভেঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের জন্যে ক্যাম্পিং করার একটা আদর্শ জায়গা। ছোট বাচ্চা বা বহুের খারাপ লাগতে পারে এই যাত্রা।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

সোনাদিয়া দ্বীপ

সোনাদিয়া দ্বীপ সম্পর্কে

মহেশখালি ঘাট থেকে রিসার্ভ অটোরিক্সা নিলে ভাড়া লাগবে ২৫০-৩০০ টাকার মতো। তাই সবচেয়ে ভাল হয় অন্তত দুই দিনের সময় নিয়ে সোনাদিয়া দ্বীপ ও মহেশখালী দ্বীপ এর দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখা। সময় লাগবে ২০-৩০ মিনিট।

৬নং ঘাট থেকে যদি লাইফ বোটে করে যাওয়া আসা করেন তাহলে ভাড়া লাগবে ৬০০০ টাকা। ঘটিভাঙ্গা ঘাটে সোনাদিয়া পূর্ব পাড়া বা পশ্চিম পাড়া যাওয়ার লোকাল বোট থাকে, লোকাল ভাড়া ৫০ টাকা। তারপরেও অযাচিত ঝামেলা এড়াতে কোথাও ক্যাম্পিং করার আগে জায়গাীয় মানুষদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।

এক স্পিড বোটে ৯-১০ জন বসতে পারবেন। কক্সবাজার থেকে কাছে হওয়ায় রিজার্ভ ট্রলার/স্পিডবোটে সহজে যাওয়া যায়। কক্সবাজার এর সাথে সোনাদিয়ার কোন লোকাল ঘাট না থাকায় বোট রিজার্ভ করে আসতে হবে।

কক্সবাজার থেকে অথবা মহেশখালী থেকে আগেই প্রয়োজনীয় বাজার করে নিতে হবে। এখানের প্রকৃতি সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তকে সাজিয়েছে অকৃত্রিম ভালবাসায় যা বাংলাদেশের আর কোথাও আপনি পাবেন না। যদি স্পিডবোট এ করে ৬ নাম্বার ঘাট থেকে যেতে চান তাহলে যাওয়া ও আসার ভাড়া লাগবে ৬০০০-৭০০০ টাকা।

যেহেতু এডভেঞ্চার ধরণের ট্যুর, তাই বহু কিছুই আপনাকে মানিয়ে নেবার মনোভাব থাকতে হবে। স্পিডবোটে যাত্রায় কিছুটা রোলিং হতে পারে। যদি ভাবেন সোনাদিয়া দ্বীপ থেকে একদিনেই চলে আসবেন কিংবা রাত্রি যাপন করবেন না যদিও সকালের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত থেকে আপনি বঞ্চিত হবেন।

একটা খাল সোনাদিয়া দ্বীপকে মহেশখালি থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। আর জায়গাীয়ভাবে খাবারের কোন হোটেল নেই। সোনাদিয়া দ্বীপের পূর্ব সৈকত এবং পশ্চিম সৈকত, এই দুই জায়গা ক্যাম্পিং করার জন্যে উপযুক্ত।

লোকাল ভাবে গেলে, গোরকঘাটা বাজার হয়ে ঘটিভাঙ্গা যেতে জনপ্রতি ৫০টাকা লাগবে। আপনি যদি সোনাদিয়ার কোন ক্যাম্প সাইটের প্যাকেজ বুকিং দিয়ে যান তাহলে তাদের কাছ থেকে আগেই জেনে নিবেন কক্সবাজার হতে যাওয়া আসা সহ প্যাকেজ আছে কিনা। এ দ্বীপের তিন দিক থেকে আছে সমুদ্র সৈকত, আছে জীব বৈচিত্রের পরিপূর্ণ জলাবন, ছোট বড় খালের সমন্বয়ে প্যারাবন, সাগর লতায় ঢাকা বালিয়াড়ি এবং বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি।

মনে রাখা ভালো ঘুরাঘুরি আর ক্যাম্পিং এর জন্য সোনাদিয়া দ্বীপ নিরাপদ। নিরিবিলি এক সমুদ্র সৈকত ও জীববৈচিত্রের অসাধারণ সমন্বয় দেখতে দর্শনার্থীরা সোনাদিয়া দ্বীপে ভীড় জমায়। তাই এই পথে যেতে চাইলে জোয়ারে সময় কখন এবং ঘটিভাঙ্গা থেকে কখন বোট ছাড়বে তা আগেই জেনে রওনা দিতে হবে।

ঘটিভাঙ্গা হয়ে লোকাল ভাবে যাওয়াটাই বেশিরভাগ দর্শনার্থী পছন্দ করে থাকেন। কক্সবাজার ৬ নাম্বার ঘাট থেকে লোকাল স্পিড বোটে ৯০-১০০ টাকা ভাড়ায় মহেশখালি ঘাটে রওনা দিতে হবে। এই সাইটে তাবুতে থাকার পাশাপাশি ইকো হাউজে থাকার সুযোগ আছে।

যদিও সেখানে থাকার জন্যে হোটেল বা রিসোর্ট নেই। যদি না হয় তাহলে তাদের কাছে যাওয়া আসার ব্যাপারে হেল্প নিতে পারেন। একসাথে ৩০ জন যেতে পারবেন।

জায়গাীয়দের বেশ কিছু ক্যাম্প সাইট রয়েছে। রোদ থেকে বাচতে সাথে সানগ্লাস, সানস্ক্রিন, ক্যাপ, গামছা ও ছাতা রাখুনপ্রয়োজনীয় ঔষুধ সাথে রাখুন, কিছু শুকনো খাবার ও রাখতে পারেন। জনপ্রিয় কিছু ক্যাম্প সাইটের মধ্যে আছে-ক্যাম্প ফায়ার সোনাদিয়া (Campfire Sonadia)সোনাদিয়া পূর্ব পাড়া অর্থাৎ পূর্ব বীচে রয়েছে সোনাদিয়ার জনপ্রিয় ক্যাম্পসাইট গুলোর একটা।

যদিও নিজস্ব ক্যাম্পিং করার সরঞ্জাম না নিয়ে গিয়েও সেখানে রাত যাপন করার সুযোগ পাবেন। সোনাদিয়া ক্যাম্পিং দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। তা না হলে কাদাময় পানিতে নেমে নৌকায় উঠা বা নামার জন্যে প্রস্তুত থাকতে হবে।

যদি আপনারা সংখ্যায় কম হয়ে থাকেন তাহলে অন্য গ্রুপের সাথে মিলে একটা স্পিডবোট বা ইঞ্জিন বোট ভাড়া করতে পারেন। এতে যাত্রা যেমন সহজ হবে, খরচ ও কম হবে।

সোনাদিয়া দ্বীপ কীভাবে যাবেন

সোনাদিয়া দ্বীপে যেতে দেশের যেকোনো জায়গা থেকে নিজের পছন্দমত যানবাহনে করে প্রথমে কক্সবাজার আসতে হবে। সেখান থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে ঘটিভাঙ্গা রওনা দিতে হবে অটোরিক্সায়/অটোরিকশায়। নতুন নতুন ক্যাম্প সাইট উদ্যোগ নিয়ে জায়গাীয় বহু উদ্যোক্তা এগিয়ে আসছে।

সমুদ্র সৈকতের পাশে তাবুতে রাত যাপন আপনাকে ভিন্ন একটা অভিজ্ঞতা দিবে। আর ঘটিভাঙ্গা হয়ে গেলে আপনাকে বেশ কিছু পথ হেটে রওনা দিতে হবে রিসোর্টে পৌছাতে। সোনাদিয়ার জনপ্রিয় ক্যাম্প সাইটপ্রায়ই জনপ্রতি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় তাবুতে থাকা, ৩ বেলা খাওয়া ও ক্যাম্প সাইটের আরও কিছু সুবিধা সহ প্যাকেজ পাওয়া যায়।

💰 প্যাকেজঃ জনপ্রতি ১২৫০ টাকা থেকে শুরু☎️

যোগাযোগ

ঃ 01635279147স্যান্ডি হিল বীচ সোনাদিয়া (Sandy Hill Beach Sonadia)সোনাদিয়ার পশ্চিম পাড়ায় রয়েছে এই ক্যাম্প সাইটে গেলে পশ্চিম বীচ ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে কাছ থেকেই। পূর্ব সৈকত আর পশ্চিম সৈকতের মধ্যকার দূরত্ব প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার। এক্ষেত্রে চট্টোগ্রাম নতুন ব্রিজ থেকে অটোরিকশায় কক্সবাজারের বদরখালী আসতে হবে, সেখান থেকে সিএনজি দিয়ে ঘটিভাঙ্গা যাওয়া যায়।

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণের জন্যে যে কোন সময় যেতে পারবেন। রাতে থাকতে হলে থাকতে হবে তাবুতে। যদিও সবদিক বিবেচনায় শীতকালের সময়টাই অর্থাৎ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এই মাস গুলো ক্যাম্পিং করার আদর্শ।

ভিন্ন পথে সোনাদিয়াকক্সবাজার না গিয়েও সোনাদিয়া যাওয়া যায়। যদিও ঘাট না থাকায় যাওয়া আসা করতে হয় পানিতে ভিজেই। পশ্চিম ঘাট থেকে বেশ কিছুটা পথ হেটে রওনা দিতে হবে ক্যাম্প সাইটে।

যে কোন প্রয়োজনে আপনার বুকিং দেওয়া ক্যাম্প সাইট ম্যানেজারের সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে জায়গাীয় কারও বাড়িতে বাজার করে দিলে খাবার রান্নার আয়োজন করার সুযোগ পাবেন। সোনাদিয়া ভ্রমণ ছোট বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ অথবা যারা রিলাক্স ট্যুর পছন্দ করেন তাদের জন্যে উপযোগী নাও হতে পারে।

যেখানে খাওয়া দাওয়া, তাবুতে থাকা, ওয়াশরুম ও অন্যান্য কিছু সুবিধা নিয়ে বেশ কিছু প্যাকেজ পাওয়া যায়। প্রয়োজনে পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখুন। আপনি যদি একটু সবুজ প্রকৃতি পছন্দ করেন যদিও পৌঁছাতে পারবেন বর্ষাকালেও।

নিজেরা ক্যাম্পিং করে থাকলে সবকিছুই নিজেদেরই আয়োজন করতে হবে। কক্সবাজার থেকে রিসার্ভ বোট নিয়ে যেতে একটু খরচ বেশি হয়। নাজিরারটেক থেকে সোনাদিয়ার কোন প্রান্তের নামবেন তার উপর নির্ভর করে সময় লাগবে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা।

৩ বেলা খাবার, রাতে থাকা, উন্নত ওয়াশরুম ও বিচিত্র সুবিধাসহ এখানে প্যাকেজ আছে। সময় লাগবে প্রায় ১ ঘন্টা বা তার চেয়ে একটু বেশি। ছোট এ দ্বীপে কেবল ১০০ থেকে ১২৫ বছর আগে মানব বসতি গড়ে উঠেছে।

আপনি সোনাদিয়া যাবার আগেই যোগাযোগ করে নিতে হবে। সেইক্ষেত্রে কক্সবাজারের নাজিরার টেক ঘাট অথবা ৬ নাম্বার ঘাট হতে বোট ভাড়া পাওয়া যায়। লাইফ বোটে সর্বোচ্চ ৩০ জন উঠতে পারবেন।

আপনি কোথায় ক্যাম্প সাইট ঠিক করবেন তা আগে পরিকল্পনা করে নিতে হবে। ঘটিভাঙ্গা হয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই জোয়ার ভাটার সময় মেনে চলতে হবে। লোকাল বোটে সরাসরি সোনাদিয়া যাবার উপায় নেই।

অথবা বাসে চকরিয়া নেমে সেখান থেকে বদরখালী হয়ে ঘটিভাঙ্গা ঘাট দিয়ে নৌকায় সোনাদিয়া যাওয়া যায়। নাজিরার টেক লাইফ বোট করে যেতে চাইলে যাওয়া ও আসার জন্যে ভাড়া লাগবে ৪০০০ টাকা। কোন ক্যাম্প সাইটে থাকার অভিজ্ঞতা থাকলে জানান কমেন্ট করে।

কক্সবাজার থেকে কম খরচে সোনাদিয়া যেতে চাইলে অথবা আপনার যদি প্ল্যান থাকে মহেশখালী দ্বীপ ও সোনাদিয়া ভ্রমণ একসাথে করবেন তাহলে নিচের মত করে পৌঁছাতে পারবেন। 💰 প্যাকেজঃ জনপ্রতি ১৪০০ টাকা থেকে শুরু☎️

যোগাযোগ

ঃ 01318887444এছাড়াও আছে সোনাদিয়া গ্ল্যাম্পার্স হাট (পশ্চিম পাড়া), রেড ক্র্যাব ক্যাম্পিং (পশ্চিম পাড়া) সহ আরও কিছু ক্যাম্প সাইট। কক্সবাজার থেকে সোনাদিয়া আসার সর্বাধিক সহজ পথ হচ্ছে সরাসরি বোটে করে চলে আসা। সোনাদিয়া ভ্রমণ টিপসসোনাদিয়াতে বিদ্যুত নেই, যদিও ক্যাম্প সাইটে সোলার পাওয়ারে অথবা ছোট জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল চার্জ দেবার ব্যবস্থা আছে।

যদিও মনে রাখতে হবে ঘটিভাঙ্গা থেকে সোনাদিয়া যাবার বোট জোয়ার ভাটার উপর নির্ভর করে ছেড়ে যায়। 💰 প্যাকেজঃ জনপ্রতি ১২৫০ টাকা☎️

যোগাযোগ

ঃ 01829606707ওশান ব্রীজ রীসোর্ট সোনাদিয়া (Ocean Breeze Sonadia)সোনাদিয়া পশ্চিম সৈকতে রয়েছে ওশান ব্রীজ এখন সোনাদিয়ার বেশ গুছানো একটা ক্যাম্প সাইট। সোনাদিয়া দ্বীপে ক্যাম্পিংসোনাদিয়া দ্বীপের আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে আপনাকে অবশ্যই এক রাত সেখানে থাকতে হবে। প্রয়োজনে জায়গাীয় মানুষের সাহায্য নিন।

কীভাবে যাবেন?

সোনাদিয়া দ্বীপে যেতে দেশের যেকোনো জায়গা থেকে নিজের পছন্দমত যানবাহনে করে প্রথমে কক্সবাজার আসতে হবে।

কক্সবাজার থেকে কম খরচে সোনাদিয়া যেতে চাইলে অথবা আপনার যদি প্ল্যান থাকে মহেশখালী দ্বীপ ও সোনাদিয়া ভ্রমণ একসাথে করবেন তাহলে নিচের মত করে পৌঁছাতে পারবেন।

ছোট বাচ্চা বা বহুের খারাপ লাগতে পারে এই যাত্রা।

সময় লাগবে ২০-৩০ মিনিট।

এক স্পিড বোটে ৯-১০ জন বসতে পারবেন।

ঘটিভাঙ্গা ঘাটে সোনাদিয়া পূর্ব পাড়া বা পশ্চিম পাড়া যাওয়ার লোকাল বোট থাকে, লোকাল ভাড়া ৫০ টাকা।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

সোনাদিয়াতে বিদ্যুত নেই, যদিও ক্যাম্প সাইটে সোলার পাওয়ারে অথবা ছোট জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল চার্জ দেবার ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজনে পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখুন। তারপরেও অযাচিত ঝামেলা এড়াতে কোথাও ক্যাম্পিং করার আগে জায়গাীয় মানুষদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। মনে রাখা ভালো ঘুরাঘুরি আর ক্যাম্পিং এর জন্য সোনাদিয়া দ্বীপ নিরাপদ। সোনাদিয়া ভ্রমণ ছোট বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ অথবা যারা রিলাক্স ট্যুর পছন্দ করেন তাদের জন্যে উপযোগী নাও হতে পারে। তাই সবচেয়ে ভাল হয় অন্তত দুই দিনের সময় নিয়ে সোনাদিয়া দ্বীপ ও মহেশখালী দ্বীপ এর দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখা। যে কোন প্রয়োজনে আপনার বুকিং দেওয়া ক্যাম্প সাইট ম্যানেজারের সাথে কথা বলুন। রো

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সোনাদিয়া দ্বীপ কীভাবে যাবেন?

সোনাদিয়া দ্বীপে যেতে দেশের যেকোনো জায়গা থেকে নিজের পছন্দমত যানবাহনে করে প্রথমে কক্সবাজার আসতে হবে। কক্সবাজার থেকে কম খরচে সোনাদিয়া যেতে চাইলে অথবা আপনার যদি প্ল্যান থাকে মহেশখালী দ্বীপ ও সোনাদিয়া ভ্রমণ একসাথে করবেন তাহলে নিচের মত করে পৌঁছাতে পারবেন। ছোট বাচ্চা বা বহুের খারাপ লাগতে পারে এই যাত্রা। স

সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?

সোনাদিয়াতে বিদ্যুত নেই, যদিও ক্যাম্প সাইটে সোলার পাওয়ারে অথবা ছোট জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল চার্জ দেবার ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজনে পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখুন। তারপরেও অযাচিত ঝামেলা এড়াতে কোথাও ক্যাম্পিং করার আগে জায়গাীয় মানুষদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। মনে রাখা ভালো ঘুরাঘুরি আর ক্যাম্পিং এর জন্য সোনাদিয়া দ

সোনাদিয়া দ্বীপ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

কক্সবাজারের মহেশখালি উপজেলার ৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট সোনাদিয়া দ্বীপ (Sonadia Island) এডভেঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের জন্যে ক্যাম্পিং করার একটা আদর্শ জায়গা। ছোট বাচ্চা বা বহুের খারাপ লাগতে পারে এই যাত্রা। মহেশখালি ঘাট থেকে রিসার্ভ অটোরিক্সা নিলে ভাড়া লাগবে ২৫০-৩০০ টাকার মতো।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.