দরিয়ানগর (Doria Nogor) পর্যটন কেন্দ্রটি হচ্ছে পাহাড়, সমুদ্র আর সূর্যের অসাধারণ মিলনস্থল। দরিয়ানগরে উঁচু পাহাড়ের নিচ দিয়ে আঁকাবাঁকা একটা সুড়ঙ্গ পথ আছে, যা শাহেনশাহ গুহা নামে পরিচিত, আরও আছে ছোট কিছু ঝিরি ঝর্ণা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

দরিয়া নগর সম্পর্কে
চমৎকার সূযার্স্ত দেখার জন্যে অতুলনীয়। প্যারাসেইলিং প্যাকেজ, জেট স্কি প্যাকেজ, স্পিডবোট প্যাকেজ ও বিচ বাইক প্যাকেজ। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত।
চাইলে এসব রেস্তোরাঁের একটাতে উদরপূর্তি করে ফেলতে পারেন। লোকাল অটোরিক্সা ভাড়া ২০ টাকা। এরপর চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ অঞ্চল, অলংকার মোড়, সিনেমা প্যালেস অথবা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এস আলম, হানিফ অথবা ইউনিক পরিবহনের বাসে কক্সবাজার আসতে পারবেন।
এই প্যাকেজগুলোর যেকোনটি নিতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৫০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকা। টিকিট মূল্য ও গাইডঃ দরিয়ানগর সী ভিউ পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি টিকিটের মূল্য ৪০ টাকা। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো।
এই রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে সামনে পড়বে বড়ছেড়া গ্রামের পাঁচটি পাহাড়ের সমন্বয়ে গড়ে উঠা দরিয়ানগর বিনোদন কেন্দ্র। আবার কক্সবাজারে সব ধরণ ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। সকল ক্ষেত্রেই ৫ থেকে ১২ মিনিট সময় পর্যন্ত ৩০০ থেকে ৪৫০ ফুট পর্যন্ত ওপরে উঠানো হয়।
বাস ভেদে ভাড়া ৪২০ থেকে ১০০০ টাকা নিবে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪০৫-১৩৯৮ টাকা। আপনি চাইলে কেবল ৫০ থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে তাদের সাহায্য নিতে পারেন যা আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও তথ্যসমৃদ্ধ করবে।
আর ২,৫০০ টাকার রাইডে আকাশে উড়ানোর পর নিচে সমুদ্রের পানিতে পা স্পর্শ করিয়ে আবার আকাশে উড়ানো হয়। এছারা ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার আসতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী ট্রেনে সুবিধানুযায়ী যাত্রা করতে পারেন। অফসিজনে প্রায়ই হোটেলের ভাড়া অর্ধেকেরও কম থাকে।
কোথায় থাকবেন
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার নানা উপায়ে আসা যায়। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে।
পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে সময় কাটানো এবং ছবি তোলার জন্য এই পার্কটি চমৎকার। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হলে ভিন্ন স্বাদ নিতে চাইলে ঘুরে আসুন সেই গুহা। যেগুলো ২,০০০ ও ২,৫০০ টাকায় নেওয়া যায়।
হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শ নেয়া উচিত নয়। স্যাটেলাইট ভিশন সি স্পোর্টস প্রতিষ্ঠানটির প্যারাসেইলিং সহ চারটি প্যাকেজ আছে। কক্সবাজার বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে শুধুকেবল দরিয়ানগর সৈকতেই রয়েছে প্যারাসেইলিং করার ব্যবস্থা।
প্যারাসেইলিং – ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা, জেট স্কি – ৫০০ টাকা (৩-৫ কিলোমিটার) ও ১ ঘন্টা ৮,০০০ টাকা, স্পিডবোট – ১,৫০০ টাকা (৫-৬ কিলোমিটার) ও ৩,০০০ টাকা (১২-১৫ কিলোমিটার), বিচ বাইক – ৫০০ টাকা (৩-৫ কিলোমিটার) ও ১ ঘন্টা ৩,০০০ টাকা। এখন দরিয়ানগরে দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্যারাসেইলিং করা যায়। একদিকে দৃষ্টি জুড়ে বঙ্গোপসাগর আর অন্য দিকে পাহাড় এরই মাঝখান দিয়ে কক্সবাজার হতে টেকনাফগামী রাস্তা।
আপনার হাতে সময় ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে দরিয়ানগরের আশেপাশে যা আছে ঘুরে দেখে নিতে পারবেন। আর ফানফেস্ট বীচ এক্টিভিটিজ নামের প্রতিষ্ঠানটির প্যারাসেইলিং এর দুইটি প্যাকেজ রয়েছে। শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৯০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকার পর্যন্ত।
পার্কটিতে বসার জন্য চমৎকার ব্যবস্থা, সিঁড়ি এবং ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। এছাড়া আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে কক্সবাজার যেতে পারবেন। তাই ভ্রমণ পরিকল্পনা করে নিতে পারেন সেইভাবেই।
দরিয়ানগর থেকে একটু আগালেই হিমছড়ি, আর এই রোড দিয়েই যেতে হয় ইনানী বীচ। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। প্রকৃতির এ অপরূপ সমন্বয় অবলোকনের জন্য রওনা দিতে হবে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে কলাতলী মোড় থেকে কেবল ৪ কিলোমিটার পূর্বদিকে।
যোগাযোগ
ঃ স্যাটেলাইট ভিশন সি স্পোর্টসমোবাইলঃ 01783598892Facebook Pageফানফেস্ট বীচ এক্টিভিটিজমোবাইলঃ 01730633757Facebook Page জেনে রাখা ভালো, প্যারাসেইলিং এর ২,০০০ টাকার রাইডে শুধু আকাশে উড়ায়। বিশেষ করে সূর্যাস্তের সময় পাহাড়ের উপর থেকে সমুদ্রের রূপ দেখার জন্য এটি একটা অতুলনীয় জায়গা। ইজিবাইক/অটোরিক্সা বা সিএনজি রিজার্ভ করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
অটোরিক্সা/ইজিবাক বা সিএনজি দিয়ে মেরিন ড্রাইভ রোডের সৌন্দর্য দেখতে দেখতেই পৌঁছে যাবেন কলাতলী বীচের মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার দূরের দরিয়ানগরে। এছাড়া বাংলাদেশ বিমান, এয়ার আস্ট্রা ও ইউএস বাংলা এয়ারওয়েজের বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে চমৎকার মনোমুগ্ধকর আবহে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে একটু নিরবিলিতে সমুদ্র দেখতে চাইলে দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকত হতে পারে আদর্শ জায়গা।
ঢাকা থেকে ট্রেনে সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে কক্সবাজার এক্সপ্রেস অথবা দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রা করতে পারেন। পার্কের ভেতরে পাহাড়ি পথ এবং গুহাগুলো ঘুরে দেখানোর জন্য জায়গাীয় কিছু কিশোর গাইড হিসেবে কাজ করে। ইনানী বা হিমছড়ি যাওয়া বা আসার পথে একটু সময় কাটাতে পারেন দরিয়ানগরে।
দরিয়ানগর
কীভাবে যাবেন
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে।
কোথায় খাবেন
মেরিন ড্রাইভ রোডের নানা জায়গাে নানা মানের রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। কক্সবাজার থেকে দরিয়ানগরকক্সবাজারের যে কোন জায়গা থেকে দরিয়া নগর যেতে পারবেন খুব সহজেই। অফ সিজনে অগ্রিম হোটেল বুকিং না দিলেও রুম পাবার নিশ্চয়তা থাকে কিন্তু ডিসেম্বরের ১৫ থেকে জানুয়ারী ১৫ তারিখ পর্যন্ত অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।
প্যারাসেইলিং ও অন্যান্য অ্যাক্টিভিটিজএখন দরিয়া নগরে সবচেয়ে বড় আকর্ষন প্যারাসেইলিং, জেট স্কি, স্পিডবোট ও বিচ বাইক। ঢাকা থেকে সৌদিয়া, এস আলম মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, মডার্ন লাইন ইত্যাদি বাস প্রত্যেক দিন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। যদিও দরিয়ানগরে সবচেয়ে ভালো হয় বিকেলের সময়টায় গেলে।
দরিয়ানগর সী ভিউ পার্কদরিয়ানগরের পাহাড়ের চূড়ায় রয়েছে দরিয়ানগর সী ভিউ পার্ক (Doria Nogor Sea View Park) দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ, সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট, উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট উল্লেখ্য। আশেপাশের দর্শনীয় জায়গাদরিয়ানগর দেখার জন্যেই হয়তো আপনি কক্সবাজার যাবেন না।
পাহাড়ের ওপর থেকে সমুদ্রের বিশাল নীল জলরাশি দেখার অভিজ্ঞতা এখান থেকেই সর্বাধিক ভালো পাওয়ার সুযোগ আছে। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। হিমছড়িইনানী সৈকতকক্সবাজার বীচরামুমহেশখালীসেন্টমার্টিন
কীভাবে যাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে।
ইজিবাইক/অটোরিক্সা বা সিএনজি রিজার্ভ করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
লোকাল অটোরিক্সা ভাড়া ২০ টাকা।
এছাড়া আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে কক্সবাজার যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার নানা উপায়ে আসা যায়।
অটোরিক্সা/ইজিবাক বা সিএনজি দিয়ে মেরিন ড্রাইভ রোডের সৌন্দর্য দেখতে দেখতেই পৌঁছে যাবেন কলাতলী বীচের মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার দূরের দরিয়ানগরে।
কোথায় থাকবেন?
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শ নেয়া উচিত নয়। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ, সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট, উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট উল্লেখ্য। অফসিজনে প্রায়ই হোটেলের ভাড়া অর্ধেকেরও কম থাকে। অফ সিজনে অগ্রিম হোটেল বুকিং না দিলেও রুম পাবার নিশ্চয়তা থাকে কিন্তু ডিসেম্বরের ১৫ থেকে জানুয়ারী ১৫ তারিখ পর্যন্ত অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।
কোথায় খাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডের নানা জায়গাে নানা মানের রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। আবার কক্সবাজারে সব ধরণ ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। চাইলে এসব রেস্তোরাঁের একটাতে উদরপূর্তি করে ফেলতে পারেন। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
দরিয়া নগর কীভাবে যাবেন?
মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে কক্সবাজার আসতেই হবে। ইজিবাইক/অটোরিক্সা বা সিএনজি রিজার্ভ করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। লোকাল অটোরিক্সা ভাড়া ২০ টাকা। এছাড়া আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে কক্সবাজার যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজার নানা উপায়ে আসা যায়। অটোরিক্সা/ইজিবাক বা সিএনজি দিয়
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কক্সবাজার প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল বা কটেজ আছে। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শ নেয়া উচিত নয়। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। এদের মধ্যে মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়ম
দরিয়া নগর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
দরিয়ানগর (Doria Nogor) পর্যটন কেন্দ্রটি হচ্ছে পাহাড়, সমুদ্র আর সূর্যের অসাধারণ মিলনস্থল। দরিয়ানগরে উঁচু পাহাড়ের নিচ দিয়ে আঁকাবাঁকা একটা সুড়ঙ্গ পথ আছে, যা শাহেনশাহ গুহা নামে পরিচিত, আরও আছে ছোট কিছু ঝিরি ঝর্ণা। চমৎকার সূযার্স্ত দেখার জন্যে অতুলনীয়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

