কক্সবাজার, পতেঙ্গা কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ছাড়াও বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি স্বল্প পরিচিত সমুদ্র সৈকত রয়েছে। বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত নির্জনতা প্রেমীদের জন্য এক আদর্শ জায়গা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
কোথায় থাকবেনচট্টগ্রাম থেকে দিনে গিয়ে অনায়াসেই বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়। বাঁশখালির কাছেই রয়েছে আরও এক দর্শনীয় ভ্রমণ গন্তব্য কুতুবদিয়া দ্বীপ। বালুময় বেলাভূমি ও ঝাউবনে ঘেরা বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের পর বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত।
চট্টগ্রাম শহরের নতুন ব্রিজ/বহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে সিএনজি বা বাসে গুনাগরি বাজার নেমে লোকাল অটোরিকশায় বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে পারবেন। সমুদ্র সৈকত দেখে ফেরার সময় বহু ক্ষেত্রে যানবাহন পাওয়ার সুযোগ আছে না তাই সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে নিন। চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত (Banshkhali Sea Beach) তেমনি এক অপ্রচলিত ভ্রমণ গন্তব্য।
তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে বাঙ্গালি, চাইনিজ বা ফাস্ট ফুডের বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ আছে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি খাবার ও কালা ভুনা খেয়ে দেখবেন। সমুদ্র নামার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, জায়গাীয় মানুষের সাহায্য নিন নামার উপযুক্ত জায়গা নির্বাচনে।
ভ্রমণ পরামর্শসমুদ্র সৈকতে তেমন কোন দোকান নেই, প্রয়োজনে শুকনো খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন। নির্জন এই সাগর সৈকতে নিরাপত্তার অভাব নেই মোটেও। আরও পড়ুনঃ চট্টগ্রামের সেরা হোটেল কোথায় খাবেনবাঁশখালীতে সাধারন মানের বেশ কিছু হোটেল ও মনছুড়িয়া বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান আছে।
কীভাবে যাবেন
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে চাইলে ঢাকা বা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম শহরে চলে আসুন। দিগন্ত বিস্তৃত সাগরের বুকে সূর্যাস্তের দৃশ্য, লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ কিংবা দলবেঁধে বীচ ফুটবলে মেতে উঠার আনন্দ ভ্রমণকারীদের দেয় এক অপার্থিব পূর্ণতা। চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন।
এটি ছনুয়া, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, খানখানাবাদ উপকূল মিলিয়ে সর্বমোট ৩৭ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাবাঁশখালীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত, চাঁদপুর বেলগাঁও চা বাগান এবং বাঁশখালী ইকোপার্ক উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে চাইলে ঢাকা বা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম শহরে চলে আসুন।
চট্টগ্রাম শহরের নতুন ব্রিজ/বহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে সিএনজি বা বাসে গুনাগরি বাজার নেমে লোকাল অটোরিকশায় বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম থেকে দিনে গিয়ে অনায়াসেই বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন। আরও পড়ুনঃ চট্টগ্রামের সেরা হোটেল
কোথায় খাবেন?
বাঁশখালীতে সাধারন মানের বেশ কিছু হোটেল ও মনছুড়িয়া বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান আছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে বাঙ্গালি, চাইনিজ বা ফাস্ট ফুডের বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ আছে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি খাবার ও কালা ভুনা খেয়ে দেখবেন।
ট্রাভেল টিপস
সমুদ্র সৈকতে তেমন কোন দোকান নেই, প্রয়োজনে শুকনো খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন।সমুদ্র সৈকত দেখে ফেরার সময় বহু ক্ষেত্রে যানবাহন পাওয়ার সুযোগ আছে না তাই সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে নিন।সমুদ্র নামার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, জায়গাীয় মানুষের সাহায্য নিন নামার উপযুক্ত জায়গা নির্বাচনে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত কীভাবে যাবেন?
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে চাইলে ঢাকা বা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম শহরে চলে আসুন। চট্টগ্রাম শহরের নতুন ব্রিজ/বহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে সিএনজি বা বাসে গুনাগরি বাজার নেমে লোকাল অটোরিকশায় বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম থেকে দিনে গিয়ে অনায়াসেই বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কক্সবাজার, পতেঙ্গা কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ছাড়াও বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি স্বল্প পরিচিত সমুদ্র সৈকত রয়েছে। বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত নির্জনতা প্রেমীদের জন্য এক আদর্শ জায়গা। কোথায় থাকবেনচট্টগ্রাম থেকে দিনে গিয়ে অনায়াসেই বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে পৌঁছানো যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
