১৮৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কোদালা চা বাগান (Kodala Tea Estate) বাংলাদেশের প্রথম এবং শীর্ষজায়গাীয় চা বাগানের মধ্যে অন্যতম। শুধু চা উৎপাদন নয় ইতিমধ্যে এই চা বাগানটি দর্শনীয় জায়গা হিসাবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান সম্পর্কে
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি হোটেলে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন
চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অঞ্চলয় কিছু জায়গাীয় খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁে সুলভ মূল্যে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। কোদালা চা বাগানের সৌন্দর্যে বুঁদ হতে প্রত্যেক দিন শত শত দর্শনার্থী এখানে ছুটে আসেন।
সবুজ পাহাড় আর প্রকৃতির নিঃস্বর্গে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া সদর উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কোদালা ইউনিয়নে এই ঐতিহ্যবাহী কোদালা চা বাগানের অবজায়গা।
কোথায় থাকবেন
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অঞ্চলয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। চা শ্রমিকদের কর্মতৎপরতা, পাখির কিচিরমিচির শব্দ এবং ব্রিটিশ আমলের বাংলো প্রভৃতি যেন ১০০ বছর আগের কোন ঘটনা ধারাবাহিকভাবে পুনরাবৃত্তি করে চলেছে। চা বাগানের পাশে দিয়ে রূপের মাধুরী ছড়িয়ে বয়ে গেছে লুসাই কন্যা কর্ণফুলী।
এখন বাংলাদেশের সর্বমোট ১৬২টি চা বাগানের মধ্যে গুণে মানে ও আয়ে কোদালা চা বাগানের অবজায়গা তৃতীয়। ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। স্বাধীনতার পর নানা সময়ে লিজের মাধ্যমে এই চা বাগানের মালিকানা পরিবর্তীত হয়।
কীভাবে যাবেন
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান হয়ে কোদালা চা বাগানের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রোডে চলাচলকারী বাসে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অথবা সরফভাটা গোডাউন অঞ্চলয় নেমে সিএনজি বা অটোরিক্সা নিয়ে ৫ কিলোমিটার দূরের কোদালা চা বাগান যাওয়া যায়। শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। সর্বশেষ ২০০৪ সালে ৭ অক্টোবর ব্র্র্যাক আনুষ্ঠানিকভাবে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ডের আওতাধীন কোদালা চা বাগান লিজ নেয়।
পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেল যাচাই করে নিন। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডির নাম, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ রয়েছে।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান হয়ে কোদালা চা বাগানের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রোডে চলাচলকারী বাসে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অথবা সরফভাটা গোডাউন অঞ্চলয় নেমে সিএনজি বা অটোরিক্সা নিয়ে ৫ কিলোমিটার দূরের কোদালা চা বাগান যাওয়া যায়।
শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কোথায় থাকবেন?
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অঞ্চলয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেল যাচাই করে নিন। চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি হোটেলে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অঞ্চলয় কিছু জায়গাীয় খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁে সুলভ মূল্যে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডির নাম, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান হয়ে কোদালা চা বাগানের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান অঞ্চলয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী হোটেল নিতে কয়েকটি হোটেল যাচাই করে নিন। চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য আবাসিক হোটেল পাবেন। প্যারামাউন্ট, হোটেল অবকাশ, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার
রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১৮৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কোদালা চা বাগান (Kodala Tea Estate) বাংলাদেশের প্রথম এবং শীর্ষজায়গাীয় চা বাগানের মধ্যে অন্যতম। শুধু চা উৎপাদন নয় ইতিমধ্যে এই চা বাগানটি দর্শনীয় জায়গা হিসাবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

