চায়ের শহর হিসেবে খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরের পূর্ব পাশে অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল (Baikka Beel) রয়েছে। ভ্রমণকারীদের প্রকৃতির অপরূপ রূপ দেখার সুবিধার্থে বিলের কাছে তৈরি করা হয়েছে একটা দ্বিতল অবজারভেশন টাওয়ার।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

বাইক্কা বিল সম্পর্কে
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে বাইক্কা বিলের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এখন হাওরটি ৮০ প্রজাতির মাছ, ১৮ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ এবং প্রায় ১৬০ প্রজাতির পাখির নিরাপদ আবাসস্থল। ঢাকার কমলাপুর থেকে সিলেটগামী উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত ও কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন।
এসি/নন-এসি এসব বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৭০ থেকে ৭০০ টাকা। কোথায় খাবেনশ্রীমঙ্গল শহরের গ্র্যান্ড তাজ, হাবিব হোটেল, কুটুম বাড়ী ও শ্রীমঙ্গল ইনের খাবার বেশ পরিচিত। অবশ্যই শ্রীমঙ্গলের সুপরিচিত সাত রঙের চায়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
মৌসুম ভেদে নবরূপে সেজে উঠা বাইক্কা বিলের বিশাল জলরাশি ভরে উঠে হিজল, কলমি, নয়নকারা, পানা, শাপলা, নীল পদ্ম, সিংড়া ও মাখনার মতো বিচিত্র ধরনের জলজ উদ্ভিদ ও জীব বৈচিত্রে। বিপুল পরিমাণ পাখির আগমণের কারণে প্রতি বছর এই বাইক্কা বিলে পাখিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় এবং এই তথ্য আন্তর্জাতিক ভাবে সংরক্ষণ করা হয়। ওয়াচ টাওয়ার থেকে ঘন সবুজ বন ও পুরো বিলের নৈসর্গিক প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করা যায়।
উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে হোটেল মেরিনা, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট, শান্তি বাড়ি ইত্যাদি। ২০০৩ সালের ১ জুলাই বাইক্কা বিলকে মৎস্য অভয়াশ্রম হিসেবে সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের পর বাইক্কা বিলকে ঘিরে দর্শনীয় পর্যটন স্পট গড়ে উঠেছে। নয়নাভিরাম প্রকৃতির দৃশ্য আর হাজার হাজার পাখির কলতানে মুখরিত থাকা বাইক্কা বিলে রয়েছে বালি, বুনো হাঁসের বসতি ও গরু মহিষের বিশাল চরন ভূমি।
১০০ হেক্টর জলাভূমি জুড়ে বিস্তৃত জলজ ও উভচর প্রাণীর আবাসস্থল বাইক্কা বিলের উল্লেখযোগ্য পাখির মধ্যে আছে পানকৌড়ি, কানিবক, ডাহুক, জল মোরগ, ধলাবক, ধূপনি বক, রাঙ্গা বক, মাছ রাঙ্গা, গোবক, শঙ্খচিল ইত্যাদি। কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে শুধু বাইক্কা বিল ঘুরতে গেলে এক দিনের মধ্যেই ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। রাত্রি যাপনের জন্য শ্রীমঙ্গল শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলে যাওয়া যায়। যদিও বাইক্কা বিলের যাওয়ার সময় সাথে শুকনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। শ্রীমঙ্গল হতে ইজিবাইক, অটো রিকশা কিংবা মাইক্রো ভাড়া করে সহজে বাইক্কা বিল ঘুরে আসতে পারবেন।
প্রতি শীতে বিলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে দূর দূরান্ত থেকে দেশি-বিদেশী দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় জমায়। এছাড়া হানিফ, এনা, শ্যামলী এবং সিলেট এক্সপ্রেসের মতো বাসে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন। শ্রেণিভেদে ভাড়া পড়বে ২৪০ থেকে ৮২৮ টাকা।
মৌলভীবাজারের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গামৌলভীবাজারের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, মাধবকুন্ড ও হামহাম জলপ্রপাত উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলে যাওয়া যায়।
শ্রেণিভেদে ভাড়া পড়বে ২৪০ থেকে ৮২৮ টাকা।
ঢাকার কমলাপুর থেকে সিলেটগামী উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত ও কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন।
এছাড়া হানিফ, এনা, শ্যামলী এবং সিলেট এক্সপ্রেসের মতো বাসে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন।
এসি/নন-এসি এসব বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৭০ থেকে ৭০০ টাকা।
শ্রীমঙ্গল হতে ইজিবাইক, অটো রিকশা কিংবা মাইক্রো ভাড়া করে সহজে বাইক্কা বিল ঘুরে আসতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে শুধু বাইক্কা বিল ঘুরতে গেলে এক দিনের মধ্যেই ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। রাত্রি যাপনের জন্য শ্রীমঙ্গল শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে হোটেল মেরিনা, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট, শান্তি বাড়ি ইত্যাদি।
কোথায় খাবেন?
শ্রীমঙ্গল শহরের গ্র্যান্ড তাজ, হাবিব হোটেল, কুটুম বাড়ী ও শ্রীমঙ্গল ইনের খাবার বেশ পরিচিত। যদিও বাইক্কা বিলের যাওয়ার সময় সাথে শুকনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। অবশ্যই শ্রীমঙ্গলের সুপরিচিত সাত রঙের চায়ের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাইক্কা বিল কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলে যাওয়া যায়। শ্রেণিভেদে ভাড়া পড়বে ২৪০ থেকে ৮২৮ টাকা। ঢাকার কমলাপুর থেকে সিলেটগামী উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত ও কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন। এছাড়া হানিফ, এনা, শ্যামলী এবং সিলেট এক্সপ্রেসের মতো বাসে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন। এসি/নন-এসি এসব বাসে যেতে ভাড়
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে শুধু বাইক্কা বিল ঘুরতে গেলে এক দিনের মধ্যেই ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। রাত্রি যাপনের জন্য শ্রীমঙ্গল শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। উল্লেখযোগ্য হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে হোটেল মেরিনা, প্যারাডাইস লজ, হোটেল মহসিন প্লাজা, নভেম ইকো রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, গ্
বাইক্কা বিল সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চায়ের শহর হিসেবে খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরের পূর্ব পাশে অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল (Baikka Beel) রয়েছে। ভ্রমণকারীদের প্রকৃতির অপরূপ রূপ দেখার সুবিধার্থে বিলের কাছে তৈরি করা হয়েছে একটা দ্বিতল অবজারভেশন টাওয়ার। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে বাইক্কা বিলের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
