আগুন পাহাড় (Agun Pahar) সিলেট জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরের উৎলারপার গ্যাস ফিল্ড এর কাছে রয়েছে। কোথায় থাকবেনআগুন পাহাড়ের কাছে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

আগুন পাহাড় সম্পর্কে
ইতিহাস যাই হোক, উতলারপাড়ে এই আগুন পাহাড় কৌতূহলী মানুষদের কাছে এখন একটা পর্যটনকেন্দ্র। তাই রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে এসে আপনার প্রয়োজন মত যেকোন হোটেল এ থাকতে পারবেন। রিজার্ভ নিলে ভাড়া লাগবে ৩০০-৩৫০ টাকা।
পাহাড়ের যেকোন জায়গাে খোঁচা দিলেই আগুন বের হয়ে আসে। আগুন পাহাড়ের আসল রহস্যহরিপুর এর এই যায়গাতেই বাংলাদেশে প্রথম ১৯৫৫ সালে প্রকৃতির গ্যাসের সন্ধান পায় তৎকালীন পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল)। টিলার মধ্যে ছোট ছোট গর্তে প্রতিনিয়ত জ্বলতে দেখতে পাওয়া যায় আগুন।
রোদ-বৃষ্টি কোনো কিছুতেই থেমে নেই আগুন। কিন্তু গ্যাসের অতিরিক্ত উচ্চচাপের কারণে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। যদিও লোকমুখে শোনা যায় এক ভিন্ন কাহিনি।
বাসে হরিপুর বাজারে গিয়ে সেখান থেকে অটোরিকশায় যাওয়া যায়। বিস্ফোরণের পর কয়েকদিন ধরে পুরো অঞ্চল জ্বলতে থাকে এবং জায়গাীয়রা সেই পীরের সাহায্য নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যার কারণে এইখানে বহু জায়গাতে আগুন জ্বলে থাকে।
পাশাপাশি সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যে কোন রেস্তোরাঁে খেয়ে নিতে পারেন। হরিপুরের আগুন পাহাড় প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। এইসব রেস্তোরাঁের বাহারী খাবার দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ।
আরও পড়ুনঃ সিলেট এর সেরা হোটেল ও রিসোর্টকোথায় খাবেনসিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে সুলভ মূল্যে পছন্দমত বিচিত্র রকম দেশী খাবার খেতে পারেন। চট্টগ্রাম থেকেও বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়। সিএনজি অটোরিশায় জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০ টাকা।
তাদের দাবি, ওই অঞ্চলয় শাহ আহমদ আলী একজন পীর ছিলেন, যিনি পুকুর খননের ব্যাপারে নিষেধ করেছিলেন। বিস্ময়কর এই প্রকৃতির ঘটনা দেখতে প্রত্যেক দিন শতশত দর্শনার্থী এখানে ভীড় করেন। গ্যাস উত্তোলনের লক্ষ্যে ওই বছরেই কূপ খননের কাজ শুরু করে তারা।
এই পাহাড়ে দিনরাত আগুন জ্বলে থাকে। আশেপাশের ছোট টিলার পাহাড় গুলোর মধ্য দিয়েও গ্যাস নির্গত হয়।
কীভাবে যাবেন
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট বা ধোপাদীঘির পাড় থেকে পাওয়া বাস, অটোরিকশা ও লেগুনায় চড়ে যেতে সময় লাগে ৪০-৪৫ মিনিট। আরও পড়ুনঃ ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায়টিপসঃ জাফলং বা লালাখাল ঘুরতে গেলে হরিপুর হয়েই যেতে হয়, তাই আপনি চাইলে খুব অল্প সময়ে জাফলং ভ্রমণের সাথে আগুন পাহাড় ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে সহজেই। কিন্তু তার নিষেধ অমান্য করে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়ায় এই বিস্ফোরণ ঘটে।
যদিও অঞ্চলটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গ্যাস ফিল্ড কর্তৃপক্ষ সতর্কতার জন্য সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে রেখেছে। আশেপাশের দর্শনীয় জায়গাসিলেট শহর এবং সিলেটের আশেপাশে যে সকল দর্শনীয় জায়গা রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পর্যটন জায়গা হলো, হযরত শাহপরাণ মাজার, জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, ভোলাগঞ্জ, লালাখাল, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, ক্বীন ব্রিজ, আলী আমজাদের ঘড়ি ও ড্রিমল্যান্ড পার্ক ইত্যাদি। ভূমিধসের কারনে এই জায়গায় পুকুরের মতো গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়।
ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়। আরও পড়ুনফুরমোন পাহাড়
কীভাবে যাবেন?
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট বা ধোপাদীঘির পাড় থেকে পাওয়া বাস, অটোরিকশা ও লেগুনায় চড়ে যেতে সময় লাগে ৪০-৪৫ মিনিট।
বাসে হরিপুর বাজারে গিয়ে সেখান থেকে অটোরিকশায় যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়।
সিএনজি অটোরিশায় জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০ টাকা।
চট্টগ্রাম থেকেও বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়।
রিজার্ভ নিলে ভাড়া লাগবে ৩০০-৩৫০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
আগুন পাহাড়ের কাছে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। তাই রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে এসে আপনার প্রয়োজন মত যেকোন হোটেল এ থাকতে পারবেন। আরও পড়ুনঃ সিলেট এর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট
কোথায় খাবেন?
সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে সুলভ মূল্যে পছন্দমত বিচিত্র রকম দেশী খাবার খেতে পারেন। এইসব রেস্তোরাঁের বাহারী খাবার দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যে কোন রেস্তোরাঁে খেয়ে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আগুন পাহাড় কীভাবে যাবেন?
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট বা ধোপাদীঘির পাড় থেকে পাওয়া বাস, অটোরিকশা ও লেগুনায় চড়ে যেতে সময় লাগে ৪০-৪৫ মিনিট। বাসে হরিপুর বাজারে গিয়ে সেখান থেকে অটোরিকশায় যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়। সিএনজি অটোরিশায় জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০ টাকা। চট্টগ্রাম থেকেও বাসে বা ট্রেনে সিলেট যাওয়া য
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
আগুন পাহাড়ের কাছে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। তাই রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে এসে আপনার প্রয়োজন মত যেকোন হোটেল এ থাকতে পারবেন। আরও পড়ুনঃ সিলেট এর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট
আগুন পাহাড় সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
আগুন পাহাড় (Agun Pahar) সিলেট জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরের উৎলারপার গ্যাস ফিল্ড এর কাছে রয়েছে। কোথায় থাকবেনআগুন পাহাড়ের কাছে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। ইতিহাস যাই হোক, উতলারপাড়ে এই আগুন পাহাড় কৌতূহলী মানুষদের কাছে এখন একটা পর্যটনকেন্দ্র।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
