সিলেট শহরের মির্জাজাঙ্গালে উনবিংশ শতাব্দীতে মণিপুরী রাজবাড়ি (Manipuri Rajbari) স্থাপিত হয়। প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির অন্যতম নিদর্শন এই মণিপুরী রাজবাড়ি।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

মণিপুরী রাজবাড়ি সম্পর্কে
তাছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন। ইতিহাস-সমৃদ্ধ নিদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী জায়গা হিসাবে বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ মণিপুরী রাজবাড়ি।
কীভাবে যাবেন
সিলেট থেকে মণিপুরী রাজবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। দেশের যেখান থেকেই মণিপুরী রাজবাড়ি যেতে চান আপনাকে প্রথমে সিলেট শহরে আসতে হবে। সিলেট শহর থেকে সিএনজি, অটোরিক্সা অথবা জায়গাীয় যে কোন যানবাহন ভাড়া করে চলে পৌঁছাতে পারবেন মনিপুরী রাজবাড়ি।
দর্শনার্থীরাও বাড়িটির প্রশংসা করেন। পরবর্তীতে চৌর্জিৎ সিং ও মার্জিত সিং ভানুগাছ অঞ্চলয় এসে বসতি স্থাপন করলেও রাজা গম্ভীর সিং থেকে যান মির্জাজাঙ্গালে। বাড়ির প্রধান ফটক, ঘেরা দেয়াল, চমৎকার কারুকাজ করা সিঁড়ি এবং বালাখানার ধ্বংসাবশেষ বর্তমান মণিপুরী রাজবাড়ির নিদর্শন।
দর্শনার্থীদের কাছেও রয়েছে বাড়িটির বিশেষ কদর। পড়ুনঃ ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায়কি খাবেনজায়গাীয় কিছু দোকান ছাড়া মণিপুরী রাজবাড়িতে তেমন কোন খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে না। রাজা গম্ভীর সিংয়ের স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটি নানা সময়ের প্রকৃতির দূর্যোগ ও রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে স্বকীয়তা হারালেও আকর্ষণ হারায়নি।
এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- একমণ ওজনের মন্দিরের একটা ঘন্টা যার গায়ে মনিপুরী ভাষায় লেখা আছে, ‘‘শ্রীহট্ট কুনোঙ্গী শ্রী মহাপ্রভুদা শ্রীলশ্রী পঞ্চযুক্ত মনিপুরে স্বরচন্দ কীর্ত্তি সিংহ মহারাজন্য কৎখিবী সরিকনি ইতিশকাব্দা ১৮০০ তারিখ ১৮ জৈষ্ঠ্য’’। এছারা সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে কম খরচে বিচিত্র রকম দেশীয় খাবার খেতে পারেন। পূর্বসূরী রাজার রেখে যাওয়া বিচিত্র বস্তুকে স্বর্ণালী স্মৃতি হিসেবে ধারণ করে আছে পরিবারগুলো।
১৮২২-২৪ সালে সিলেট শহরের মির্জাজাঙ্গাল রোডে এই ইতিহাস-সমৃদ্ধ বাড়িটি নির্মাণ করেন মণিপুরের রাজা গম্ভীর সিং ও তার ভাইয়েরা। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাসিলেট জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আছে হযরত শাহজালালের মাজার, হযরত শাহপরাণের মাজার, ক্বীন ব্রীজ, মালনীছড়া চা বাগান, জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, লোভাছড়া, লালাখাল, পান্থুমাই ঝর্ণা, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, হাকালুকি হাওর, ভোলাগঞ্জ, ড্রিমল্যান্ড পার্ক এবং জাকারিয়া সিটি।
কীভাবে যাবেন?
সিলেট থেকে মণিপুরী রাজবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার।
সিলেট শহর থেকে সিএনজি, অটোরিক্সা অথবা জায়গাীয় যে কোন যানবাহন ভাড়া করে চলে পৌঁছাতে পারবেন মনিপুরী রাজবাড়ি।
দেশের যেখান থেকেই মণিপুরী রাজবাড়ি যেতে চান আপনাকে প্রথমে সিলেট শহরে আসতে হবে।
পড়ুনঃ ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায়
কোথায় খাবেন?
জায়গাীয় কিছু দোকান ছাড়া মণিপুরী রাজবাড়িতে তেমন কোন খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে না। এছারা সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে কম খরচে বিচিত্র রকম দেশীয় খাবার খেতে পারেন। তাছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মণিপুরী রাজবাড়ি কীভাবে যাবেন?
সিলেট থেকে মণিপুরী রাজবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। সিলেট শহর থেকে সিএনজি, অটোরিক্সা অথবা জায়গাীয় যে কোন যানবাহন ভাড়া করে চলে পৌঁছাতে পারবেন মনিপুরী রাজবাড়ি। দেশের যেখান থেকেই মণিপুরী রাজবাড়ি যেতে চান আপনাকে প্রথমে সিলেট শহরে আসতে হবে। পড়ুনঃ ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায়
মণিপুরী রাজবাড়ি-এর কাছে কোথায় খাবেন?
জায়গাীয় কিছু দোকান ছাড়া মণিপুরী রাজবাড়িতে তেমন কোন খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে না। এছারা সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে কম খরচে বিচিত্র রকম দেশীয় খাবার খেতে পারেন। তাছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
মণিপুরী রাজবাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সিলেট শহরের মির্জাজাঙ্গালে উনবিংশ শতাব্দীতে মণিপুরী রাজবাড়ি (Manipuri Rajbari) স্থাপিত হয়। প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির অন্যতম নিদর্শন এই মণিপুরী রাজবাড়ি। তাছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

