১২৫৫ বঙ্গাব্দে কোটালী পাড়া উপজেলার পোলসাইর গ্রামে সাধু পুরুষ গনেশ পাগল জন্মগ্রহণ করেন। শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সেবাশ্রম সংঘের এই মেলা উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ কুম্ভমেলা হিসাবে স্বীকৃত।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

গনেশ পাগল সেবাশ্রম সম্পর্কে
এছাড়া গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালগামী বাসে মোস্তফাপুর এসে সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে মাদারীপুর সদরে বা টেকেরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। শ্রী বিন্দু দাস গোসাই-এর অনুচর মহামানব গনেশ পাগল ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে মহাপ্রয়াণ করেন। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মিত বিরতিতে মাদারীপুরগামী নানা বাস যাতায়াত করে।
শ্রী শ্রী নারায়ন ঠাকুরের আশির্বাদে গনেশ পুজার দিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় তাঁর নাম ‘গনেশ’ রাখা হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের ১৩ তারিখ মেলার সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হচ্ছে। ১৩৭ বছর আগে ১৩ জন সাধু মিলিত হয়ে ১৩ কেজি চাল ও ১৩ টাকা নিয়ে ১৩ ই জ্যৈষ্ঠ ভারতের কুম্ভমেলার আদলে সেবাশ্রমে কুম্ভমেলার আয়োজন করেন।
ডিরেক্ট বাসের টিকেট কাটতে চেষ্টা করুন, বাসের টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)। মাদারীপুরের আগে টেকেরহাট নামক জায়গাে বাস হতে নেমে মাহিন্দ্রতে চড়ে গণেশ পাগল সেবাশ্রম যেতে পারবেন। বাসে চড়ে মাদারীপুর পৌঁছাতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে।
প্রায় ১৬৭ একর জমি অর্থাৎ ৯ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত থাকে মেলার আয়তন। প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই কুম্ভমেলার আয়োজনে দেশ-বিদেশের প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।
কোথায় খাবেন
দিনের স্বাভাবিক খাবারেরে চাহিদা মেটানোর জন্য মাদারীপুরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। ঢাকা থেকে গাবতলি কিংবা কেরানীগঞ্জের নয়া বাজারের ব্রীজের প্রান্ত হতে সরাসরি মাদারীপুর যাওয়ার বাস পাওয়া যায়। গনেশ পাগলের পিতা শিরোমনি এবং মাতা নারায়ণী দেবী উভয়েই শ্রী শ্রী নারায়ন দেবের উপাসক ছিলেন।
গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সার্বিক পরিবহন, চন্দ্রা পরিবহন, সোনালী পরিবহন এবং সোহেল পরিবহনের বাস মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অতীতে কেবল একদিনের জন্য মেলা অনুষ্ঠিত হলেও এখন এই মেলার চলে তিন দিন ব্যাপী।
কোথায় থাকবেন
মাদারীপুরে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল রয়েছে। হোটেল সার্বিক (01718101335), হোটেল মাতৃভূমি (01708-529781) এবং হোটেল সৈকত (01734788404) উল্লেখযোগ্য। গনেশ পাগলের অনুসারীদের জন্য ১৩১২ বঙ্গাব্দে মাদারীপুরের (Madaripur) রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী দিঘীরপাড় অঞ্চলয় প্রায় ৩৬৫ বিঘা জমিতে গনেশ পাগল সেবাশ্রম (Ganesh Pagol Sebashram) গড়ে তোলা হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুরের দূরত্ব ১২৮ কিলোমিটার। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মেলায় আগত মানুষেরা বিশ্বাস করেন মেলায় আসলে এবং গণেশ পাগলের মন্দির দর্শন করলে সকল ধরণের বিপদ আপদ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতেও থাকার সুযোগ রয়েছে।
হাতে সময় থাকলে মাদারীপুর সদরে রয়েছে শকুনি লেকের কাছের দোকান থেকে চটপটি, ফুচকা এবং সুস্বাদু মিষ্টি খেয়ে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুরের দূরত্ব ১২৮ কিলোমিটার।
এছাড়া গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালগামী বাসে মোস্তফাপুর এসে সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে মাদারীপুর সদরে বা টেকেরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বাসে চড়ে মাদারীপুর পৌঁছাতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে।
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মিত বিরতিতে মাদারীপুরগামী নানা বাস যাতায়াত করে।
ডিরেক্ট বাসের টিকেট কাটতে চেষ্টা করুন, বাসের টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)।
গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সার্বিক পরিবহন, চন্দ্রা পরিবহন, সোনালী পরিবহন এবং সোহেল পরিবহনের বাস মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কোথায় থাকবেন?
মাদারীপুরে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল রয়েছে। হোটেল সার্বিক (01718101335), হোটেল মাতৃভূমি (01708-529781) এবং হোটেল সৈকত (01734788404) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতেও থাকার সুযোগ রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
দিনের স্বাভাবিক খাবারেরে চাহিদা মেটানোর জন্য মাদারীপুরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। হাতে সময় থাকলে মাদারীপুর সদরে রয়েছে শকুনি লেকের কাছের দোকান থেকে চটপটি, ফুচকা এবং সুস্বাদু মিষ্টি খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গনেশ পাগল সেবাশ্রম কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুরের দূরত্ব ১২৮ কিলোমিটার। এছাড়া গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালগামী বাসে মোস্তফাপুর এসে সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে মাদারীপুর সদরে বা টেকেরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাসে চড়ে মাদারীপুর পৌঁছাতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মিত বিরতিতে মাদ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মাদারীপুরে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল রয়েছে। হোটেল সার্বিক (01718101335), হোটেল মাতৃভূমি (01708-529781) এবং হোটেল সৈকত (01734788404) উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতেও থাকার সুযোগ রয়েছে।
গনেশ পাগল সেবাশ্রম সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১২৫৫ বঙ্গাব্দে কোটালী পাড়া উপজেলার পোলসাইর গ্রামে সাধু পুরুষ গনেশ পাগল জন্মগ্রহণ করেন। শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সেবাশ্রম সংঘের এই মেলা উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ কুম্ভমেলা হিসাবে স্বীকৃত। এছাড়া গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালগামী বাসে মোস্তফাপুর এসে সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে মাদারীপুর সদরে বা টেকেরহাট যাওয়া
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

