মাদারীপুর জেলার আমড়াতলা ও খাতিয়াল গ্রামের মধ্যবর্তী কালকিনি উপজেলায় রয়েছে সেনাপতির দিঘী (Senapati Dighi/Shenapoti Lake) ইতিহাস-সমৃদ্ধ এক নিদর্শন। নৌপথে, ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি তরীকা ও দ্বীপরাজ লঞ্চ মাদারীপুর রুটে চলাচল করে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সেনাপতির দিঘী সম্পর্কে
সেই সময় অঞ্চলর জনগণদের পানির অভাব দূর করার জন্য সেনাপতি ইসলাম খাঁর সেনাবাহিনী এই দীঘিটি খনন করেন। মাদারীপুর শহরে হোটেল মাতৃভূমি, সুমন হোটেল, হোটেল পলাশ, সৈকত হোটেল, হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল জাহিদের মত বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। মাদারীপুর জেলা থেকে বাসে কালকিনি উপজেলায় পৌঁছে অটোরিকশায় চড়ে মাদারীপুর-পাথুরিয়া পাড় রোড দিয়ে ৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সেনাপতি দিঘী দেখতে যেতে পারবেন।
ঘোড়দৌড়ের এক পর্যায়ে দীঘির দক্ষিণ দিক থেকে পানি উঠতে শুরু করে এবং মুহূর্তের মধ্যেই দীঘিটি পানিতে পূর্ণ হয়ে যায়। গাবতলী থেকে সার্বিক, চন্দ্রা ও সোহেল পরিবহনের বাসে মাদারীপুর যেতে পারবেন। আবার গাবতলী থেকে বরিশালগামী যেকোন বাসে মোস্তফাপুর নেমে সেখান থেকে বাস/অটোরিক্সায় মাদারীপুর সদরে পৌঁছানো যায়।
ছুটির দিনে প্রায় সাড়ে তিনশত বছরের পুরনো মোঘল আমলের এই দিঘীর পাড়ে বহু ভ্রমণকারী ঘুরতে ও পিকনিক করতে আসেন। জনশ্রুতি রয়েছে, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে সুবাদার শায়েস্তা খাঁর নেতৃত্বে উমেদ খাঁ চট্টগ্রাম থেকে মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করে ঢাকায় আসার পথে কিছুদিন কালকিনি উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের মধ্যবর্তী আমড়াতলা ও খাতিয়াল অঞ্চলয় অবজায়গা করেছিলেন। কালকিনি উপজেলার জায়গাীয় হিন্দুদের বহুেই মনে করেন, সেনাপতি দীঘির পানিতে রোগ মুক্তির বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী ও কেরানিগঞ্জ থেকে পদ্মা অসংখ্যমুখী সেতু হয়ে মাদারীপুরগামী সরাসরি বাস সার্ভিস রয়েছে। কথিত আছে, দীঘি খননের পর পানি না উঠায় এই জায়গাে ঘোড়দৌড়ের আয়োজন করা হয়। ১৬৬৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর শায়েস্তা খাঁর বড় ছেলে বুজুর্গ উমেদ খাঁর বিশ্বস্ত সেনাপতি ইসলাম খাঁ প্রায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে ৬০,৭০৩ বর্গমিটার আয়তনের এই দিঘীটি খনন করেন।
কোথায় থাকবেনকালকিনি উপজেলায় থাকার মত তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। কোথায় খাবেনকালকিনি উপজেলার কাছে গৌরনদীতে বেশ ভাল মানের কিছু রেস্তোরাঁ আছে। বাঁশ ঝাড়ে ঘেরা এই দীঘির পানি নাকি কখনোই শুকায় না।
সেনাপতি দিঘীর দৈর্ঘ ২৮৮ মিটার ও প্রস্থ ১৫৭ মিটার এবং প্রতি পাড়ের উচ্চতা ১৩.৫ মিটার। এই কারণে দীঘিটির নামকরণ করা হয় সেনাপতির দিঘী। এককালে নানা অনুষ্ঠানাদির জন্য দীঘির কাছে থালা-বাসন চাইলে রাতের বেলা দীঘির পাড়ে থালা-বাসন উঠে আসত, আবার অনুষ্ঠান শেষে দীঘির পাড়ে রেখে আসলে দিঘীসেগুলো ফেরত নিয়ে নিত।
ইতিহাস-সমৃদ্ধ সেনাপতির দীঘি নিয়ে বিচিত্র লোককথা প্রচলিত আছে। মাদারীপুর জেলার দর্শনীয় জায়গামাদারীপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মিঠাপুর জমিদার বাড়ি, গনেশ পাগল সেবাশ্রম, শকুনি লেক ও আউলিয়াপুর নীলকুঠি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও কেরানিগঞ্জ থেকে পদ্মা অসংখ্যমুখী সেতু হয়ে মাদারীপুরগামী সরাসরি বাস সার্ভিস রয়েছে।
গাবতলী থেকে সার্বিক, চন্দ্রা ও সোহেল পরিবহনের বাসে মাদারীপুর যেতে পারবেন।
নৌপথে, ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি তরীকা ও দ্বীপরাজ লঞ্চ মাদারীপুর রুটে চলাচল করে।
আবার গাবতলী থেকে বরিশালগামী যেকোন বাসে মোস্তফাপুর নেমে সেখান থেকে বাস/অটোরিক্সায় মাদারীপুর সদরে পৌঁছানো যায়।
মাদারীপুর জেলা থেকে বাসে কালকিনি উপজেলায় পৌঁছে অটোরিকশায় চড়ে মাদারীপুর-পাথুরিয়া পাড় রোড দিয়ে ৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সেনাপতি দিঘী দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কালকিনি উপজেলায় থাকার মত তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। মাদারীপুর শহরে হোটেল মাতৃভূমি, সুমন হোটেল, হোটেল পলাশ, সৈকত হোটেল, হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল জাহিদের মত বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
কালকিনি উপজেলার কাছে গৌরনদীতে বেশ ভাল মানের কিছু রেস্তোরাঁ আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সেনাপতির দিঘী কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও কেরানিগঞ্জ থেকে পদ্মা অসংখ্যমুখী সেতু হয়ে মাদারীপুরগামী সরাসরি বাস সার্ভিস রয়েছে। গাবতলী থেকে সার্বিক, চন্দ্রা ও সোহেল পরিবহনের বাসে মাদারীপুর যেতে পারবেন। নৌপথে, ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি তরীকা ও দ্বীপরাজ লঞ্চ মাদারীপুর রুটে চলাচল করে। আবার গাবতলী থেকে বরিশালগামী যেকোন বাসে মোস্তফাপুর
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কালকিনি উপজেলায় থাকার মত তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। মাদারীপুর শহরে হোটেল মাতৃভূমি, সুমন হোটেল, হোটেল পলাশ, সৈকত হোটেল, হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল ও হোটেল জাহিদের মত বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
সেনাপতির দিঘী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মাদারীপুর জেলার আমড়াতলা ও খাতিয়াল গ্রামের মধ্যবর্তী কালকিনি উপজেলায় রয়েছে সেনাপতির দিঘী (Senapati Dighi/Shenapoti Lake) ইতিহাস-সমৃদ্ধ এক নিদর্শন। নৌপথে, ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি তরীকা ও দ্বীপরাজ লঞ্চ মাদারীপুর রুটে চলাচল করে। সেই সময় অঞ্চলর জনগণদের পানির অভাব দূর করার জন্য সেনাপতি ইসলাম খাঁর সেনা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide



