bangladesh · Editorial

ভাটপাড়া নীলকুঠি

মেহেরপুর জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গাংনী উপজেলার কাজলা নদীর তীরে ব্রিটিশদের নির্মম নির্যাতনের সাক্ষী হিসেবে ভাটপাড়া নীলকুঠি (Bhatpara Neelkuthi)

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মেহেরপুর জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গাংনী উপজেলার কাজলা নদীর তীরে ব্রিটিশদের নির্মম নির্যাতনের সাক্ষী হিসেবে ভাটপাড়া নীলকুঠি (Bhatpara Neelkuthi) দাড়িয়ে আছে। ভবনের সামনে রয়েছে একটা আমবাগান ও দক্ষিণ পাশে নীল কুঠির কর্মকর্তাদের প্রার্থনার জন্য গড়ে তোলা চার্চের ভগ্নাংশ।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

ভাটপাড়া নীলকুঠি

ভাটপাড়া নীলকুঠি সম্পর্কে

মেহেরপুর থেকে জায়গাীয় পরিবহণে ভাটপাড়া নীলকুঠিতে যেতে পারবেন। কোথায় খাবেনচুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর হাইওয়ের কাছে গালিব রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ইন, দাওয়াত রেস্তোরাঁ, ইসলামিয়া হোটেল, ফিন ফুড রেস্তোরাঁ ও লা ভোগ সহ বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। ২০১৬ সালে সরকারী উদ্যোগে ভাটপাড়া নীলকুঠিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে কৃত্রিম লেক, ঝর্ণা, নানা পশু পাখির দৃষ্টিনন্দন মূর্তি, কিডস জোন ও দর্শনীয় ফুলের বাগান তৈরি করা হয়।

এখন এই নীলকুঠি বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। প্রত্যেক দিন ভ্রমণকারীরা কালের সাক্ষী হিসেবে দাড়িয়ে থাকা এই ভাটপাড়া নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ দেখতে ও মনোমুগ্ধকর আবহে ঘুরে বেড়াতে আসেন। নীলকুঠির পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কাজলা নদী।

মেহেরপুরের পরিচিত খাবারের মধ্যে অবশ্যই সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টির স্বাদ নিয়ে দেখবেন। লোকে মুখে প্রচলিত রয়েছে, এখনও গভীর রাতে নীলকুঠি থেকে নর্তকীদের নূপুরের আওয়াজ ও চাষিদের আর্তনাদ শোনা যায়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে জেআর, শ্যামলী, এস এম, রয়েল এক্সপ্রেস, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ডিলাক্সে মেহেরপুর পৌঁছানো যায়। এখন মূল ভবন ছাড়াও সাহেবদের প্রমোদ ঘর, শয়নকক্ষ, কাচারি ঘর, জেলখানা, মৃত্যুকূপ ও ঘোড়ার ঘর টিকে আছে। কোথায় থাকবেনমেহেরপুরে হোটেল রনি, মেহেরপুর পৌর গেস্ট হাউজ, হোটেল অনাবিল, সোহাগ গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিন টাওয়ার, হোটেল নাইট বিলাস, হোটেল শাহজাদী, হোটেল আটলান্টিকা, হোটেল প্রিন্স, হোটেল মিতা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

১৮৫৯ সালে ২৭ একর জায়গা জুড়ে ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭০ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ঠ এই নীলকুঠিটি নির্মাণ করা হয়। ইট চুন সুরকি দিয়ে নির্মিত নীলকুঠির ছাদ লোহার বীম ও ইটের টালি দিয়ে তৈরি। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা।

মেহেরপুর জেলার দর্শনীয় জায়গামেহেরপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য, আমঝুপি নীলকুঠি, মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স, নীলকুঠি ও ডিসি ইকোপার্ক অন্যতম।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে জেআর, শ্যামলী, এস এম, রয়েল এক্সপ্রেস, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ডিলাক্সে মেহেরপুর পৌঁছানো যায়।

বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা।

মেহেরপুর থেকে জায়গাীয় পরিবহণে ভাটপাড়া নীলকুঠিতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

মেহেরপুরে হোটেল রনি, মেহেরপুর পৌর গেস্ট হাউজ, হোটেল অনাবিল, সোহাগ গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিন টাওয়ার, হোটেল নাইট বিলাস, হোটেল শাহজাদী, হোটেল আটলান্টিকা, হোটেল প্রিন্স, হোটেল মিতা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর হাইওয়ের কাছে গালিব রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ইন, দাওয়াত রেস্তোরাঁ, ইসলামিয়া হোটেল, ফিন ফুড রেস্তোরাঁ ও লা ভোগ সহ বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। মেহেরপুরের পরিচিত খাবারের মধ্যে অবশ্যই সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টির স্বাদ নিয়ে দেখবেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ভাটপাড়া নীলকুঠি কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে জেআর, শ্যামলী, এস এম, রয়েল এক্সপ্রেস, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ডিলাক্সে মেহেরপুর পৌঁছানো যায়। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা। মেহেরপুর থেকে জায়গাীয় পরিবহণে ভাটপাড়া নীলকুঠিতে যেতে পারবেন।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

মেহেরপুরে হোটেল রনি, মেহেরপুর পৌর গেস্ট হাউজ, হোটেল অনাবিল, সোহাগ গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিন টাওয়ার, হোটেল নাইট বিলাস, হোটেল শাহজাদী, হোটেল আটলান্টিকা, হোটেল প্রিন্স, হোটেল মিতা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

ভাটপাড়া নীলকুঠি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মেহেরপুর জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গাংনী উপজেলার কাজলা নদীর তীরে ব্রিটিশদের নির্মম নির্যাতনের সাক্ষী হিসেবে ভাটপাড়া নীলকুঠি (Bhatpara Neelkuthi) দাড়িয়ে আছে। ভবনের সামনে রয়েছে একটা আমবাগান ও দক্ষিণ পাশে নীল কুঠির কর্মকর্তাদের প্রার্থনার জন্য গড়ে তোলা চার্চের ভগ্নাংশ। মেহেরপুর থেকে জায়গাীয

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.