রাজবাড়ী জেলার নবাবপুর ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রামের পাশে কল্যাণ দীঘি (Kalyan Dhigi) রয়েছে। আর তাদের দ্বারা কল্যাণ দীঘি খনন করা হইয়েছে বলে মনে করা হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

কল্যাণ দীঘি সম্পর্কে
রাজা সীতারাম প্রত্যেক দিন নতুন খননকৃত জলাশয়ের স্নান করতেন বলেও মানুষের মুখে শুনোতে পাওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। খান জাহান আলী ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে একদল ধর্ম প্রচারককে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রেরণ করেন।
কোথায় খাবেন
রাজবাড়ীতে নানামানের খাবারের হোটেলে আপনার প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ৭৮২ টাকা। রাজবাড়ী থেকে ইজিবাইক অথবা জায়গাীয় যেকোন পরিবহনে কল্যাণ দীঘি দেখতে যেতে পারবেন।
খান জাহান আলী জনহিতকর কাজের অংশ হিসাবে অসংখ্য দীঘি খনন করেন। বহুের মতে অষ্টাদশ শতকে রাজা সীতারাম কল্যাণ দীঘিকল্যাণ দীঘি খনন করেন। লোকমুখে প্রচলিত আছে রাজা সীতারামের ২০০ জন সৈন্যের এক বাহিনী ছিল যারা যুদ্ধের সময় ব্যতীত মানুষের পানির কষ্ট দূর করতে জলাশয় খনন করতেন।
আবার বহুে মনে করেন কল্যাণ দীঘি খান জাহান আলী কতৃক খননকৃত। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাকবাংলো।
কোথায় থাকবেন
রাজবাড়ী জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাকবাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। ১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দে খান জাহান আলী যশোর এবং খুলনা এলাকা জয় করে খলিফাতাবাদ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। রাজা সীতারাম রাম সাগর, সুখ সাগর এবং কৃষ্ণ সাগর দীঘিগুলো খনন করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন। ১৬ খাদা জমি নিয়ে এমন বিরাট আয়তনের দীঘি এ এলাকাে বিরল। এখন বিশালাকারের দীঘিটি সমতল বিলে পরিনত হলেও দীঘির আয়তন স্পষ্টই বুঝতে পারা যায়।
এছাড়াও অন্যান্য খাবারের মধ্যে পান বাজারে রয়েছে ভাদু শাহার দোকানের চমচম, রেলগেইটের হৈরা শাহের চপ এবং ঝালাই পট্টির কুলফি মালাই খেয়ে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে।
এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ৭৮২ টাকা।
রাজবাড়ী থেকে ইজিবাইক অথবা জায়গাীয় যেকোন পরিবহনে কল্যাণ দীঘি দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
রাজবাড়ী জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাকবাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাকবাংলো।
কোথায় খাবেন?
রাজবাড়ীতে নানামানের খাবারের হোটেলে আপনার প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। এছাড়াও অন্যান্য খাবারের মধ্যে পান বাজারে রয়েছে ভাদু শাহার দোকানের চমচম, রেলগেইটের হৈরা শাহের চপ এবং ঝালাই পট্টির কুলফি মালাই খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কল্যাণ দীঘি কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগব
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাজবাড়ী জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাকবাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাকবাংলো।
কল্যাণ দীঘি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
রাজবাড়ী জেলার নবাবপুর ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রামের পাশে কল্যাণ দীঘি (Kalyan Dhigi) রয়েছে। আর তাদের দ্বারা কল্যাণ দীঘি খনন করা হইয়েছে বলে মনে করা হয়। রাজা সীতারাম প্রত্যেক দিন নতুন খননকৃত জলাশয়ের স্নান করতেন বলেও মানুষের মুখে শুনোতে পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

