মহেড়া জমিদার বাড়ির (Mohera Jamindar Bari) মত চমৎকার এবং যত্নে সংরক্ষিত জমিদার বাড়ি বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। মূল ভবনে পিছনের দিকে পাসরা পুকুর ও রানী পুকুর নামে আরো দুইটি পুকুর রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: মহেড়া জমিদার বাড়িতে ভেতরে যেতে ৮০ টাকা টিকিট মূল্য প্রদান করতে হয়। গাড়ি থাকলে তার পার্কিং ফি ৫০ টাকা। বোট রাইডে চড়তে দরদাম করে নিন কারণ ছুটির দিনগুলোতে রাইডে চড়ার মূল্য বহু বেশি বেড়ে যায়। শিশু পার্কে

মহেরা জমিদার বাড়ি সম্পর্কে
রাজধানী ঢাকার বেশ কাছে হওয়ায় সকালে রওনা দিলে এক দিনেই জমিদার বাড়ি থেকে ঘুরে আসা যায়। মহেরা জমিদার বাড়িতে যে ভবন গুলো রয়েছেচৌধুরী লজ: মূল ফটক দিয়ে জমিদার বাড়ি প্রবেশের পরেই চৌধুরী লজ দেখা যায়। এই ভবনটি শুটিং স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া দেশের অন্য কোন জায়গা থেকে আসতে হলে আপনাকে যে কোন উপায়ে টাঙ্গাইল আসতে হবে। ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রতি রাত থাকার জন্যে আপনাকে দিতে হবে ৩,০০০-১০,০০০ টাকা।
উপরের ভবনগুলো ছাড়াও মহেরা জমিদার বাড়িতে রয়েছে নায়েব ভবন, কাচারি ভবন ও রানী মহল। ভ্রমণ টিপসমহেরা জমিদার বাড়িতে পুলিশ ট্রেনিং একাডেমির কার্যক্রম চালু আছে তাই বাড়িটিতে অনুমতি নিয়ে ভ্রমণকারীদের ভেতরে যেতে হয়। ভবনটিতে মোট কক্ষ আছে ১২ টি, সামনে বাগান ও পেছনে একটা টেনিস কোর্ট রয়েছে।
ডুবাইল থেকে অটোরিকশায় মহেড়া জমিদার বাড়ি যেতে প্রতিজন ১৫ টাকা ভাড়া লাগে, আর যদি রিজার্ভ নিতে চান যদিও ৭৫ টাকা ভাড়া লাগবে। টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে আট একর জায়গা জুড়ে মহেড়া জমিদার বাড়ি বিস্তৃত। অন্যোন্য স্থাপত্য শৈলীর জন্য বিকাল বেলা ভবনের ভেতর থেকে চমৎকার আলোর ঝলকানি দেখা যায়।
এছাড়া ট্রেনে যেতে চাইলে একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী কোন ট্রেন মহেরা স্টেশন স্টপেজ দেয়। যদি মাহাখালী থেকে ১৬০ টাকা ভাড়ায় নিরালা বাসে চড়েন যদিও ডুবাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে নামলে আপনার সুবিধা হবে। গোলাপি রঙের ভবনটির পিলার গুলো রোমান স্থাপত্য শৈলীতে নির্মাণ করা হয়েছে।
আনন্দ লজ: মহেরা জমিদার বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভবন হচ্ছে আনন্দ লজ। শিশু পার্কে ঢোকার টিকেট ২০ টাকা। আবাসন সুবিধাচাইলে আপনি সেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতেও পারবেন।
ইংরেজি ‘ইউ’ অক্ষরের আদলে এই ভবনটি ইংরেজ স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত। সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে চাইলে দিতে হবে ৩০০ টাকা। টিকেটের মূল্যমহেড়া জমিদার বাড়িতে ভেতরে যেতে ৮০ টাকা টিকিট মূল্য প্রদান করতে হয়।
মহেড়া জমিদার বাড়ি প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যের অমূল্য নিদর্শন স্বরূপ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। যদিও এই ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে প্রায়শই জ্যাম থাকে তাই সেইভাবে সময় হিসেব করে বের হলে ভালো। গাড়ি থাকলে তার পার্কিং ফি ৫০ টাকা।
খাবার সুবিধামহেরা পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে একটা স্বল্প মূল্যের ক্যান্টিন রয়েছে। গোলাপি রঙের মহারাজ লজের সামনের সিঁড়ির বাঁকানো রেলিংটি ও ঝুলন্ত বারান্দা ভবনের শোভা বৃদ্ধি করেছে। দোতলা এই ভবনের সামনে রয়েছে চমৎকার বাগান ও সবুজ মাঠ।
আনন্দ লজের সামনে হরিণ, বাঘ ও পশু-পাখির মূর্তিসহ একটা চমৎকার বাগান আছে। মহারাজ লজ: বাইজেনটাইন স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত মহারাজ লজ ভবনের সামনে ৬ টি কলাম আছে। মহেরা জমিদার বাড়িটিই এখন পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নাটিয়াপাড়ায় বাস থেকে নেমে সিএনজি, রিকশা বা বেবী টেক্সী যোগে মহেরাপাড়া পুলিশ প্রশিক্ষন কেন্দ্রে আসতে হবে। এই জমিদার বাড়ির প্রবেশ পথেই রয়েছে বিশাল দুইটি সুরম্য গেট। তিন তলা রয়েছে ঝুলন্ত বারান্দা এ ভবনকে করেছে আরো দৃষ্টিনন্দন।
বোট রাইডে চড়তে দরদাম করে নিন কারণ ছুটির দিনগুলোতে রাইডে চড়ার মূল্য বহু বেশি বেড়ে যায়। টাঙ্গাইল নটিয়াপাড়া এসে উপরে উল্লেখিত উপায়ে মহেড়া জমিদার বাড়ি ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন। এই সমস্ত বাস ভাড়া লাগে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।
বিশাল তিনটি প্রধান ভবনের সাথে নায়েব সাহেবের ঘর, কাছারি ঘর, গোমস্তাদের ঘর, দীঘি ও আরো তিনটি লজ রয়েছে। আর উত্তরবঙ্গ থেকে আসার সময় জেনে নিবেন কোন ট্রেন মহেরা স্টেশন বা টাঙ্গাইল স্টেশন এ স্টপেজ দেয়। পছন্দমত কোন বাসে চড়ে নাটিয়াপাড়া বাস ষ্ট্যান্ডে আসতে হবে।
কালীচরণ লজ: জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির শেষের দিকে নির্মিত কালীচরণ লজ অন্য ভবন থেকে বেশ আলাদা। তাহলে চাইলে সেই সব ট্রেনে করেও যেতে পারবেন। জমিদার বাড়ির সাথেই ছোট পার্ক, চিড়িয়াখানা, পিকনিক স্পট ও বোট রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রবেশ পথের আগেই বিশাখা সাগর নামে একটা দীঘি আছে। নীল ও সাদা রঙের ভবনটির সামনে ৮ টি সুদৃশ্য কলাম রয়েছে। চমৎকার নকশাখচিত ভবনের ভেতরে রয়েছে ঢেউ খেলানো ছাদ।
বাসে যেতে সময় লাগবে ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এখানে আগে অর্ডার দিলে আপনার পছন্দের মেনু অনুযায়ী খাবারও খেতে পারবেন।
পিকনিক বা যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যে যোগাযোগ করুনঃ 01320 216899 / 01933 996699
কীভাবে যাবেন
মহেড়া জমিদার বাড়ি দেখতে আপনাকে রওনা দিতে হবে টাঙ্গাইল জেলার নটিয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ড। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
মহেড়া জমিদার বাড়িতে ভেতরে যেতে ৮০ টাকা টিকিট মূল্য প্রদান করতে হয়। গাড়ি থাকলে তার পার্কিং ফি ৫০ টাকা। বোট রাইডে চড়তে দরদাম করে নিন কারণ ছুটির দিনগুলোতে রাইডে চড়ার মূল্য বহু বেশি বেড়ে যায়। শিশু পার্কে ঢোকার টিকেট ২০ টাকা। সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে চাইলে দিতে হবে ৩০০ টাকা। পিকনিক বা যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যে যোগাযোগ করুনঃ 01320 216899 / 01933 996699
কীভাবে যাবেন?
মহেড়া জমিদার বাড়ি দেখতে আপনাকে রওনা দিতে হবে টাঙ্গাইল জেলার নটিয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ড।
ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
যদিও এই ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে প্রায়শই জ্যাম থাকে তাই সেইভাবে সময় হিসেব করে বের হলে ভালো।
ডুবাইল থেকে অটোরিকশায় মহেড়া জমিদার বাড়ি যেতে প্রতিজন ১৫ টাকা ভাড়া লাগে, আর যদি রিজার্ভ নিতে চান যদিও ৭৫ টাকা ভাড়া লাগবে।
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
টাঙ্গাইল নটিয়াপাড়া এসে উপরে উল্লেখিত উপায়ে মহেড়া জমিদার বাড়ি ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।
ট্রাভেল টিপস
মহেরা জমিদার বাড়িতে পুলিশ ট্রেনিং একাডেমির কার্যক্রম চালু আছে তাই বাড়িটিতে অনুমতি নিয়ে ভ্রমণকারীদের ভেতরে যেতে হয়। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মহেরা জমিদার বাড়ি-এ প্রবেশ মূল্য কত?
মহেড়া জমিদার বাড়িতে ভেতরে যেতে ৮০ টাকা টিকিট মূল্য প্রদান করতে হয়। গাড়ি থাকলে তার পার্কিং ফি ৫০ টাকা। বোট রাইডে চড়তে দরদাম করে নিন কারণ ছুটির দিনগুলোতে রাইডে চড়ার মূল্য বহু বেশি বেড়ে যায়। শিশু পার্কে ঢোকার টিকেট ২০ টাকা। সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে চাইলে দিতে হবে ৩০০ টাকা। পিকনিক বা যে কোন অনুষ্ঠান আয়ো
মহেরা জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?
মহেড়া জমিদার বাড়ি দেখতে আপনাকে রওনা দিতে হবে টাঙ্গাইল জেলার নটিয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ড। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। যদিও এই ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে প্রায়শই জ্যাম থাকে তাই সেইভাবে সময় হিসেব করে বের হলে ভালো। ডুবাইল থেকে অটোরিকশায় মহেড়া জমিদার বাড়ি যেতে প্রতিজন ১৫ টাকা ভাড়া লাগে, আর যদি রিজার্ভ ন
মহেরা জমিদার বাড়ি ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?
মহেরা জমিদার বাড়িতে পুলিশ ট্রেনিং একাডেমির কার্যক্রম চালু আছে তাই বাড়িটিতে অনুমতি নিয়ে ভ্রমণকারীদের ভেতরে যেতে হয়। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
