bangladesh · Editorial

পরীর দালান

ইতিহাস-সমৃদ্ধ পরীর দালান (Porir Dalan) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর গ্রামে রয়েছে। হেমনগর জমিদার বাড়ি হিসাবেও সুপরিচিত পরীর দালানের মোট জমির পরিমাণ

Photograph · Collected for Tripzao Journal

ইতিহাস-সমৃদ্ধ পরীর দালান (Porir Dalan) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর গ্রামে রয়েছে। হেমনগর জমিদার বাড়ি হিসাবেও সুপরিচিত পরীর দালানের মোট জমির পরিমাণ প্রায় ৬০ একর।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

পরীর দালান

পরীর দালান সম্পর্কে

এছাড়াও থাকতে পারেন এলেঙ্গা কিংবা যমুনা রিসোর্ট-এর মতো আকর্ষনীয় জায়গায়। নিরালা মোড়ের কাছাকাছি দূরত্বে কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে। সড়ক পথে টাঙ্গাইল (Tangail) যেতে ৩ ঘণ্টার মত সময় লাগে।

টাঙ্গাইলে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে- আফরিন হোটেল, হোটেল সাগর রেসিডেন্সিয়াল, এস এস রেস্ট হাউজ, পলাশ হাউজ, সুগন্ধা হোটেল, নিরালা হোটেল, হোটেল কিছুক্ষণ, হোটেল প্রিন্স উল্লেখযোগ্য। এখন পরীর দালান হেমনগর ডিগ্রি কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং রাজবাড়ির কাছে গড়ে উঠেছে বিশাল বাজার। এছাড়া পরীর দালান থেকে ৩ কিলোমিটার জুড়ে বেশ কয়েকটি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে।

রাজবাড়ির উপর নির্মিত দুইটি রাজসিক পরীর ভাস্কর্যের কারণেই মূলত এই দালানের নাম হয় এঞ্জেল হাউজ বা পরীর দালান।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা (Dhaka) হতে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৩ কিলোমিটার। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা বা টাঙ্গাইলের অন্যান্য জায়গা ঘুরে দেখতে চাইলে হোটেলে থাকতে হতে পারে। টাঙ্গাইল থেকে বাস বা সুবিধাজনক পরিবহণে গোপালপুর যেয়ে সিএনজি বা অটোরিকশায় চড়ে হেমনগর রেলওয়ে ষ্টেশন সংলগ্ন হেমনগর রাজবাড়ি (Hemnagar Rajbari) বা পরীর দালান আসতে পারবেন।

পরীর দালানের দেয়াল, পিলার এবং দরজায় রঙ্গিন কাচে তৈরি ফুল, লতা, তারা, গাছের নকশা, দামি কড়ি ও পাথরে সুসজ্জিত দুইটি পরীর ভাস্কর্য বিশেষত উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে ১৮৯০ সালে সুবর্ণখালি গ্রাম যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়লে হেমচন্দ্র চৌধুরী সুবর্ণখালি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে শিমলা পাড়া গ্রামে এই পরীর দালান নির্মাণ করা হয়। ইতিহাসজমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর পিতা কালিবাবু চৌধুরী সূর্যাস্ত আইনের আওতায় শিমুলিয়া পরগণার জমিদারি কিনে নেন।

আর দালানের কাছেই আছে ৭ টি সুরম্য ভবন, যা জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর তিন বোন ও আত্মীয়ের বাড়ি হিসাবে পরিচিত। হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৮৮০ সালে মধুপুর উপজেলার আমবাড়িয়া রাজবাড়ি পরিত্যাগ করে গোপালপুর উপজেলার সুবর্ণখালি গ্রামে দ্বিতীয় রাজবাড়ি নির্মাণ করেন। চারপাশে সীমানা প্রাচীর ঘেরা হেমনগর রাজবাড়ীর প্রাঙ্গনে পৃথক তিনটি ভবন, ২৫ টি নানা ধরনের কক্ষ, শান বাঁধানো পুকুর ঘাট, খেলার মাঠ এবং কয়েকটি পাসা কুয়া রয়েছে।

বাস বা ট্রেনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়। এখানে পরীদের আবাস্থল বা পরীদের নির্মিত ভবনের দেখা পাওয়া না গেলেও দিল্লি ও কলকাতার কারিগর দ্বারা তৈরি চমৎকার কারুকার্যমণ্ডিত স্থাপনা আগত ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। টাঙ্গাইলের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাভাল মানের টাঙ্গাইল শাড়ি কিনতে চাইলে পাথরাইলে রয়েছে পাইকারি মার্কেট থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন।

ট্রেনে শ্রেণীভেদে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৯৫ থেকে ৩৯৭ টাকা। এর মধ্যে শহরের নিরালা মোড়ে রয়েছে হোটেল নিরালা বিশেষত প্রসিদ্ধ।

কোথায় খাবেন

টাঙ্গাইল খাওয়ার জন্য নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। হেমচন্দ্র চৌধুরীর নামানুসারে অঞ্চলর নাম পরিবর্তন করে হেমনগর রাখা হয়। টাঙ্গাইল থেকে হেমনগর রাজবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার এবং গোপালপুর থেকে রাজবাড়ির দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার।

কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে চাইলে এক দিনেই পরীর দালান ঘুরে ফিরে যেতে পারবেন। এসি/নন-এসি এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা। এছাড়া কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে ধুমকেতু, একতা, সিল্কসিটি, সিরাজগঞ্জ, চিত্রা, দ্রুতযান, লালমনি ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়।

এছাড়া টাঙ্গাইলের সুপরিচিত পোড়াবাড়িরি চমচম খেতে ভুলে যাবেন না। টাঙ্গাইলের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আছে মহেরা জমিদার বাড়ি, পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি, নাগরপুর জমিদার বাড়ি, এসপি পার্ক, ধনবাড়ি মসজিদ ইত্যাদি।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা (Dhaka) হতে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৩ কিলোমিটার।

সড়ক পথে টাঙ্গাইল (Tangail) যেতে ৩ ঘণ্টার মত সময় লাগে।

বাস বা ট্রেনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়।

এছাড়া কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে ধুমকেতু, একতা, সিল্কসিটি, সিরাজগঞ্জ, চিত্রা, দ্রুতযান, লালমনি ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়।

এসি/নন-এসি এসব বাসের ভাড়া লাগবে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা।

ট্রেনে শ্রেণীভেদে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৯৫ থেকে ৩৯৭ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

ঢাকা থেকে চাইলে এক দিনেই পরীর দালান ঘুরে ফিরে যেতে পারবেন। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা বা টাঙ্গাইলের অন্যান্য জায়গা ঘুরে দেখতে চাইলে হোটেলে থাকতে হতে পারে। টাঙ্গাইলে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে- আফরিন হোটেল, হোটেল সাগর রেসিডেন্সিয়াল, এস এস রেস্ট হাউজ, পলাশ হাউজ, সুগন্ধা হোটেল, নিরালা হোটেল, হোটেল কিছুক্ষণ, হোটেল প্রিন্স উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও থাকতে পারেন এলেঙ্গা কিংবা যমুনা রিসোর্ট-এর মতো আকর্ষনীয় জায়গায়।

কোথায় খাবেন?

টাঙ্গাইল খাওয়ার জন্য নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এর মধ্যে শহরের নিরালা মোড়ে রয়েছে হোটেল নিরালা বিশেষত প্রসিদ্ধ। নিরালা মোড়ের কাছাকাছি দূরত্বে কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইলের সুপরিচিত পোড়াবাড়িরি চমচম খেতে ভুলে যাবেন না।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

পরীর দালান কীভাবে যাবেন?

ঢাকা (Dhaka) হতে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৩ কিলোমিটার। সড়ক পথে টাঙ্গাইল (Tangail) যেতে ৩ ঘণ্টার মত সময় লাগে। বাস বা ট্রেনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়। এছাড়া কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে ধুমকেতু, একতা, সিল্কসিটি, সিরাজগঞ্জ, চিত্রা, দ্রুতযান, লালমনি ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ঢাকা থেকে চাইলে এক দিনেই পরীর দালান ঘুরে ফিরে যেতে পারবেন। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা বা টাঙ্গাইলের অন্যান্য জায়গা ঘুরে দেখতে চাইলে হোটেলে থাকতে হতে পারে। টাঙ্গাইলে উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে- আফরিন হোটেল, হোটেল সাগর রেসিডেন্সিয়াল, এস এস রেস্ট হাউজ, পলাশ হাউজ, সুগন্ধা হোটেল, নিরালা হোটেল,

পরীর দালান সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

ইতিহাস-সমৃদ্ধ পরীর দালান (Porir Dalan) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর গ্রামে রয়েছে। হেমনগর জমিদার বাড়ি হিসাবেও সুপরিচিত পরীর দালানের মোট জমির পরিমাণ প্রায় ৬০ একর। এছাড়াও থাকতে পারেন এলেঙ্গা কিংবা যমুনা রিসোর্ট-এর মতো আকর্ষনীয় জায়গায়।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.