আনুমানিক ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে শীতলক্ষ্যা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম দিকে জনৈক হিন্দু রাজা ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ২ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একডালা দুর্গ (Ekdala Fort) নির্মাণ করেন। চাইলে ঢাকা থেকে সকাল বেলা রওনা দিয়ে একডালা দুর্গ দেখে সন্ধ্যার মধ্যে অনায়াসে ফিরে আসতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

একডালা দুর্গ সম্পর্কে
কাপাসিয়া উপজেলা সদর থেকে সিএনজি, রিকশা কিংবা ইজিবাইকের মত জায়গাীয় পরিবহণে চড়ে তারাগঞ্জ বাজারের পাশে শীতলক্ষা নদীর তীরে রয়েছে একডালা দুর্গে যেতে পারবেন। এরপর আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র নাসির উদ্দিন শাহ ১৫১৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে পুনরায় দুর্গটি সংস্কার করেন। এখন দূর্গটি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার কোন অস্তিত্ব নেই!
কীভাবে যাবেন
ঢাকা শহরের নানা জায়গা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা যাওয়ার অসংখ্য বাস সার্ভিস রয়েছে।
কোথায় থাকবেন
কাপাসিয়ার কাছে বেশকিছু আকর্ষণীয় রিসোর্ট রয়েছে। ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে ইলিয়াস শাহ দিল্লীর সুলতান ফিরোজ তুঘলকের সাম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দুর্গটি সংস্কার করেন। রায়েদ ইউনিয়নে কালী বানার নদীর তীরে রয়েছে দ্বার-ই দরিয়া (দরদরিয়া) দুর্গটি একডালা দুর্গের শাখা দুর্গ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
কোথায় খাবেন
কাপাসিয়াতে ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি, হোটেল ড্রিম ক্যাফে, বার্গার প্লাস, নিরু হোটেল, হোটেল নীলা প্রভৃতি সাধারণ মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে রাজা টোডরমল এই এলাকাকে ভাওয়াল পরগণার অন্তর্ভুক্ত করলে ধীরে ধীরে একডালা দুর্গটি পরিত্যাক্ত হয়ে পড়ে। আর গাজীপুর চৌরাস্তা হতে কাপাসিয়া উপজেলা যাওয়ার নানা বাস পাওয়া যায়।
১৩৫৩ এবং ১৩৫৭ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লীর সুলতান ফিরোজ তুঘলক দুইবার একডালা দুর্গ আক্রমণ করেও দুর্গটি দখল করতে পারেননি। এদের মধ্যে সারাহ রিসোর্ট, নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, জলেশ্বরী রিসোর্ট, রংবসন্তী রিসোর্ট, সাহেব বাড়ি রিসোর্ট, রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট, ভাওয়াল রিসোর্ট অন্যতম। গাজীপুরের দর্শনীয় জায়গাগাজীপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক, নুহাশ পল্লী, দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা শহরের নানা জায়গা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা যাওয়ার অসংখ্য বাস সার্ভিস রয়েছে।
আর গাজীপুর চৌরাস্তা হতে কাপাসিয়া উপজেলা যাওয়ার নানা বাস পাওয়া যায়।
কাপাসিয়া উপজেলা সদর থেকে সিএনজি, রিকশা কিংবা ইজিবাইকের মত জায়গাীয় পরিবহণে চড়ে তারাগঞ্জ বাজারের পাশে শীতলক্ষা নদীর তীরে রয়েছে একডালা দুর্গে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কাপাসিয়ার কাছে বেশকিছু আকর্ষণীয় রিসোর্ট রয়েছে। এদের মধ্যে সারাহ রিসোর্ট, নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, জলেশ্বরী রিসোর্ট, রংবসন্তী রিসোর্ট, সাহেব বাড়ি রিসোর্ট, রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট, ভাওয়াল রিসোর্ট অন্যতম। চাইলে ঢাকা থেকে সকাল বেলা রওনা দিয়ে একডালা দুর্গ দেখে সন্ধ্যার মধ্যে অনায়াসে ফিরে আসতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
কাপাসিয়াতে ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি, হোটেল ড্রিম ক্যাফে, বার্গার প্লাস, নিরু হোটেল, হোটেল নীলা প্রভৃতি সাধারণ মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
একডালা দুর্গ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা শহরের নানা জায়গা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা যাওয়ার অসংখ্য বাস সার্ভিস রয়েছে। আর গাজীপুর চৌরাস্তা হতে কাপাসিয়া উপজেলা যাওয়ার নানা বাস পাওয়া যায়। কাপাসিয়া উপজেলা সদর থেকে সিএনজি, রিকশা কিংবা ইজিবাইকের মত জায়গাীয় পরিবহণে চড়ে তারাগঞ্জ বাজারের পাশে শীতলক্ষা নদীর তীরে রয়েছে একডালা দুর্গে যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কাপাসিয়ার কাছে বেশকিছু আকর্ষণীয় রিসোর্ট রয়েছে। এদের মধ্যে সারাহ রিসোর্ট, নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, জলেশ্বরী রিসোর্ট, রংবসন্তী রিসোর্ট, সাহেব বাড়ি রিসোর্ট, রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট, ভাওয়াল রিসোর্ট অন্যতম। চাইলে ঢাকা থেকে সকাল বেলা রওনা দিয়ে একডালা দুর্গ দেখে সন্ধ্যার মধ্যে অনায়াসে ফিরে আসতে পারবেন।
একডালা দুর্গ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
আনুমানিক ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে শীতলক্ষ্যা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম দিকে জনৈক হিন্দু রাজা ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ২ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একডালা দুর্গ (Ekdala Fort) নির্মাণ করেন। চাইলে ঢাকা থেকে সকাল বেলা রওনা দিয়ে একডালা দুর্গ দেখে সন্ধ্যার মধ্
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

