প্রায় চারশত বৎসর আগে জমিদার মুরারিদেব ঘোষাল ভট্টাচার্য লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি (Tushbhander Jaminderbari) প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে কোচবিহারের রাজাকে দেওয়ার জন্য পুরো জমিদারি অঞ্চল ধানের তুষ সংগ্রহ করে জমিদার বাড়ির পূর্ব পাশে রাখা হত।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি সম্পর্কে
কোথায় থাকবেন
কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। কিন্তু ঘোষাল ভট্টাচার্য একজন ব্রাহ্মণ ছিলেন তাই তিনি মহারাজার দান ভোগে আপত্তি জানান এবং তিনি রাজাকে সেই সম্পত্তি ভোগের উপর খাজনা নেওয়ার প্রস্তাব করেন। প্রতিষ্ঠার প্রায় চারশত বছর পর ১৯৩৫ সালে জমিদার গীরিন্দ্র মোহন রায় চৌধুরীর মৃত্যুর মাধ্যমে তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ির ইতিহাস-সমৃদ্ধ শাসনামলের অবসান ঘটে।
এই ঘটনা থেকে এই জমিদার বাড়িটি তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ি হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। তৎকালীন সময়ে ধর্মীয় কাজের জন্য ভূমি দান করা হত। আর গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে হানিফ এবং শাহ আলী পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে লালমনি এক্সপ্রেস ও মঙ্গলবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ০৮ টা ৩০ মিনিটে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা করে। যেভাবে যাবেনঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা।
যদিও রাজা খাজনা হিসেবে ধানের তুষ নেওয়ার জন্য দাবী করেন। এই জমিদার বংশের আরেক জমিদার কালী প্রসাদ রায় চৌধুরীর নামে কালীগঞ্জ উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া লালমনিরহাটে রয়েছে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য।
কথিত আছে, ১৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে মহারাজা প্রাণ নারায়ণের শাসনামলে মুরারিদেব ঘোষাল ভট্টাচার্য চব্বিশ পরগনা জেলা হতে রসিক রায় বিগ্রহ নামক একটা ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কোচবিহারে আসেন। নানা জায়গাীয় পরিবহণে চরে লালমনিরহাট থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নে রয়েছে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন। লালমনিরহাট শহর হতে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার।
মহারাজা প্রাণ নারায়ণ ঘোষাল ভট্টাচার্যকে বিগ্রহ পূজা করার জন্য ৯টি মৌজা দান করেন।
কোথায় খাবেন
লালমনিরহাটে প্যারাডাইস, সীমান্ত ক্যান্টিন, পলাশী, পালকি, নিউ শান্তি এবং মুক্তিযোদ্ধা হোটেল সহ বেশকিছু খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে।
আর গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে হানিফ এবং শাহ আলী পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
লালমনিরহাট শহর হতে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা।
কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে লালমনি এক্সপ্রেস ও মঙ্গলবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ০৮ টা ৩০ মিনিটে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা করে।
নানা জায়গাীয় পরিবহণে চরে লালমনিরহাট থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নে রয়েছে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। এছাড়া লালমনিরহাটে রয়েছে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য।
কোথায় খাবেন?
লালমনিরহাটে প্যারাডাইস, সীমান্ত ক্যান্টিন, পলাশী, পালকি, নিউ শান্তি এবং মুক্তিযোদ্ধা হোটেল সহ বেশকিছু খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। আর গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে হানিফ এবং শাহ আলী পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লালমনিরহাট শহর হতে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা। কমলাপুর রেলওয়ে ষ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। এছাড়া লালমনিরহাটে রয়েছে মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য।
তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
প্রায় চারশত বৎসর আগে জমিদার মুরারিদেব ঘোষাল ভট্টাচার্য লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি (Tushbhander Jaminderbari) প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে কোচবিহারের রাজাকে দেওয়ার জন্য পুরো জমিদারি অঞ্চল ধানের তুষ সংগ্রহ করে জমিদার বাড়ির পূর্ব পাশে রাখা হত। কোথায় থাকবেনকালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

