bangladesh · Editorial

সোমেশ্বরী নদী, দুর্গাপুর

নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার গারো পাহাড় থেকে বয়ে চলা অপুর্ব সোমেশ্বরী নদী (Somessori River) দেখতে যাবার পরিবহন বা যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাত্রি যাপনের...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

সোমেশ্বরী নদী (Someshwari River) ও তার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে রওনা দিতে হবে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায়। এছাড়া ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দেখার সুযোগ পাবেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ের জন্য তৈরী কিছু পিলার।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

সোমেশ্বরী নদী, দুর্গাপুর

সোমেশ্বরী নদী, দুর্গাপুর-এ কী দেখবেন?

সারাদিন ঘুরার জন্য মোটরসাইকেল বা সিএনজি ভাড়া করে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। দুর্গাপুরের তালুকদার প্লাজার সামনে থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে, গোলাপী পাহাড়, গারো পাহাড়, চীনা মাটির পাহাড়ের নীল পানির হ্রদ, বিজয়পুর বিজিবি ক্যাম্প, রানিখং চার্চ ইত্যাদি থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। এছাড়া ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দেখার সুযোগ পাবেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ের জন্য তৈরী কিছু পিলার।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে সরকার এবং জিন্নাত পরিবহণের বাস ছেড়ে যায়।

এ দুটি বাসে চড়ে দুর্গাপুর যেতে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগে।

কিংবা একটু সহজে যেতে চাইলে হাওড় এক্সপ্রেস/মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে নেত্রকোনা এসে চল্লিশা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় সব স্পট দেখে ফিরতে পারবেন।

এছাড়া বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভোর ৪.০০/৪.৩০ তে যাত্রা করা জারিয়া স্টেশনগামী ট্রেনে করে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় জারিয়া এসে ট্রলার, অটো, সিএনজি বা মোটরসাইকেলে করে দূর্গাপুর যাওয়া যায়।

সুখনগরী থেকে নৌকায় করে একটা ছোট নদী পার হয়ে রিকশা, বাস বা মোটর সাইকেলে দূর্গাপুর যেতে হয়।

দুর্গাপুর বলা হলেও প্রায়ই এই বাসগুলো সুখনগরী পর্যন্ত যায়।

কোথায় থাকবেন?

সুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন – জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ০৯৫২৫৫৬০১৫, ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস (০১৭৪৩৩০৬২৩০), YWCA গেষ্ট হাউজ (০১৭১১০২৭৯০১), ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমী গেষ্ট হাউজ ( ১৮৯২-৮২২৯০৫) দুর্গাপুরে মধ্যম মানের হোটেলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – স্বর্ণা গেস্ট হাউস ( ০১৭১২২৮৪৬৯৮), হোটেল সুসং (০১৯১৪৭৯১২৫৪), বিরিশিরি রিসোর্ট (০১৯৭৪৯২০০৮২), হোটেল জবা (০১৭১১১৮৬৭০৮, ০১৭৫৩১৫৪৬১৭), নদীবাংলা গেষ্ট হাউজ (০১৩২৪৯৭৪০৯৭)। এই হোটেলগুলোতে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

দুর্গাপুরে বেশকিছু সাধারণ মানের খাবারের হোটেল রয়েছে, যার মধ্যে নিরালা হোটেল বেশ প্রসিদ্ধ। বেশি খিদে পেলে ডিম, পরোটা দিয়ে খেদে নিবারন করতে পারেন। অবশ্যই দূর্গাপুর বাজার থেকে নেত্রকোণার সুপরিচিত বালিশ মিষ্টির স্বাধ নিতে ভুল করবেন না। এছাড়া আশেপাশে আরো বেশকিছু খাবার হোটেল রয়েছে যদিও সেগুলোতে ভারি খাবার পরিহার করার উত্তম। এছাড়া বিরিশিরি বাজারেও মোটামুটি মানের খাবার হোটেল আছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সোমেশ্বরী নদী, দুর্গাপুর কীভাবে যাবেন?

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে সরকার এবং জিন্নাত পরিবহণের বাস ছেড়ে যায়। এ দুটি বাসে চড়ে দুর্গাপুর যেতে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগে। কিংবা একটু সহজে যেতে চাইলে হাওড় এক্সপ্রেস/মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে নেত্রকোনা এসে চল্লিশা বাজার থেকে মোটর সাইকেলে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় সব স্

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সুসং দুর্গাপুরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বেশকিছু গেস্ট হাউস এবং মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল আছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন – জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ০৯৫২৫৫৬০১৫, ইয়ুথ মেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমসিএ-এর রেস্ট হাউস (০১৭৪৩৩০৬২৩০), YWCA গেষ্ট হাউজ (০১৭১১০২৭৯০১), ক্ষুদ্র নৃ-

সোমেশ্বরী নদী, দুর্গাপুর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

সোমেশ্বরী নদী (Someshwari River) ও তার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে রওনা দিতে হবে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায়। এছাড়া ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে দেখার সুযোগ পাবেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ের জন্য তৈরী কিছু পিলার। বাস যেতে ২০ টাকা, রিকশায় যেতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং মোটর সাইকেলে ২ জন ১০০ টাকা ভাড়ায় দু

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.