শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে নরসুন্দা নদীর তীরে রয়েছে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দান। বহুের মতে, মোনাজাতে তিনি মুসললিদের প্রাচুর্যতা প্রকাশে ‘সোয়া লাখ’ কথাটি ব্যবহার করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

শোলাকিয়া ঈদ্গাহ ময়দান সম্পর্কে
এভাবে প্রায় তিন লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ পড়ে থাকেন। দেশের বিচিত্র প্রান্ত থেকে ও বিদেশ থেকে বহু মুসুল্লির আগমনে এ মাঠের ঈদের জামাতের মর্যাদা বহু বেড়ে গেছে। দেওয়ান মান্নান দাদ খান ছিলেন বীর ঈশা খাঁর অধঃস্তন বংশধর।
মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দেখতে পারেন একরামপুর এর লক্ষী নারায়ণ মিস্টান্ন ভান্ডারে কিংবা মদন গোপালে। ৭ একর আয়তনের শোলাকিয়া ঈদগাহ (Sholakia Eidgah) মাঠে মোট ২৬৫ সারি আছে এবং প্রতি সারিতে প্রায় ছয়-সাতশ করে মুসল্লি দাঁড়াবার ব্যবস্থা আছে। আবাসন সুবিধারাতে থাকতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সদরের স্টেশন রোড অঞ্চলয় রিভার ভিউ, গাংচিল, নিরালা, উজানভাটি, ক্যাসেল সালাম নামে বেশ কিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছ।
পরবর্তীতে উচ্চারণের বিবর্তনে শোলাকিয়া নামটি চালু হয়ে যায়। এমনকি অসংখ্য দর্শনার্থী এই অভূতপূর্ব মহামিলনের সময়টি দেখার দেখার জন্যে শোলাকিয়ায় উপস্থিত হয়। ১৮২৮ সাল থেকে এই মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
একসাথে বহুজন মিলে আসলে বাস কিংবা কোন প্রাইভেট গাড়ি রিজার্ভ করেও চলে আসতে পারবেন। এরপর ৪০টাকা রিক্সা ভাড়া বা লোকাল ইজিবাইকে ১০টাকা ভাড়ায় চলে আসুন শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে। ঢাকা থেকে আসতে চাইলে ট্রেনে অথবা বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেনী ভেদে ১৩৫ টাকা থেকে ৩৬৮ টাকা লাগে। ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে এগারোসিন্ধুর ট্রেনে উঠলে ১১ টার মধ্যে কিশোরগঞ্জ পৌঁছে যাবেন। যদিও প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের সময় দেখতে পাওয়া যায় মাঠে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় চারপাশের খোলা জায়গা, আশপাশের সড়ক, আশেপাশের ঘর বাড়ির উঠানেও নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
সেই হিসেবে মাঠে এক লাখ ষাট থেকে আঁশি হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন। মাঠের ইতিহাসইসলামের ঐশী বাণী প্রচারের জন্য সুদূর ইয়েমেন থেকে আগত শোলাকিয়া ‘সাহেব বাড়ির’ পূর্বপুরুষ সুফি সৈয়দ আহমেদ তার নিজস্ব তালুকে ১৮২৮ সালে নরসুন্দা নদীর তীরে ঈদের জামাতের আয়োজন করেন। কিশোরগঞ্জ রেল স্টেশনে নেমে ৩০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে সহজেই চলে যেতে পারবেন শোলাকিয়া ময়দানে।
পরবর্তিতে ১৯৫০ সালে জায়গাীয় হয়বতনগর দেওয়ান পরিবারের অন্যতম দেওয়ান মান্নান দাদ খানের বদান্যতায় এ মাঠের কলেবর বৃদ্ধি পায় এবং এবং এর পরিধি বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে এর নাম হয় ‘সোয়া লাখি’। আরেক মতে, সেদিনের জামাতে ১ লাখ ২৫ হাজার (অর্থাৎ সোয়া লাখ) লোক জমায়েত হয়।
আর বাসে করে আসতে চাইলে ঢাকার মহাখালী বা গোলাপবাগ বাস স্ট্যান্ড থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যেকোন বাসে করে কিশোরগঞ্জের গাইটাল বাসস্ট্যান্ড চলে আসুন। কোথায় খাবেনকিশোরগঞ্জ শহরে ধানসিঁড়ি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া। আবার কেউ কেউ বলেন, মোগল আমলে এখানে রয়েছে পরগনার রাজস্বের পরিমাণ ছিল সোয়া লাখ টাকা।
ঈদের দিন খুব সকালে স্পেশাল ট্রেন দুটি কিশোরগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। উচ্চারণের বিবর্তনে সোয়া লাখ থেকে সোয়ালাখিয়া সেখান থেকে শোলাকিয়া।
কীভাবে যাবেন
শোলাকিয়া আসতে চাইলে আপনাকে যে কোন উপায়ে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে। ঈদে স্পেশাল সার্ভিস : ঈদের জামাত পড়তে চাইলে আপনি যদি দূর থেকে আসেন তাহলে আপনার উচিৎ হবে আগের দিনই চলে আসা। এছাড়া ঈদের জামাতের জন্যে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস চালু থাকে।
বাস ভাড়া ২৭০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা। তাছাড়া অনুমতি সাপেক্ষে জেলা সদরের সরকারি ডাক-বাংলোতে থাকতে পারবেন। ওই জামাতে ইমামতি করেন সুফি সৈয়দ আহমেদ নিজেই।
আশেপাশে দর্শনীয় জায়গাযদি হাতে সময় থাকে তাহলে কিশোরগঞ্জ ভ্রমণে আরও যা দেখতে পারেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কবি চন্দ্রাবতী মন্দির, গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি, উল্লাস ডিসি পার্ক, কিশোরগঞ্জ লেক পার্ক, মিঠামইন হাওর ও নিকলী হাওর ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
শোলাকিয়া আসতে চাইলে আপনাকে যে কোন উপায়ে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে।
ঈদে স্পেশাল সার্ভিস : ঈদের জামাত পড়তে চাইলে আপনি যদি দূর থেকে আসেন তাহলে আপনার উচিৎ হবে আগের দিনই চলে আসা।
আর বাসে করে আসতে চাইলে ঢাকার মহাখালী বা গোলাপবাগ বাস স্ট্যান্ড থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যেকোন বাসে করে কিশোরগঞ্জের গাইটাল বাসস্ট্যান্ড চলে আসুন।
ঈদের দিন খুব সকালে স্পেশাল ট্রেন দুটি কিশোরগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেনী ভেদে ১৩৫ টাকা থেকে ৩৬৮ টাকা লাগে।
এরপর ৪০টাকা রিক্সা ভাড়া বা লোকাল ইজিবাইকে ১০টাকা ভাড়ায় চলে আসুন শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে।
কোথায় খাবেন?
কিশোরগঞ্জ শহরে ধানসিঁড়ি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া। মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দেখতে পারেন একরামপুর এর লক্ষী নারায়ণ মিস্টান্ন ভান্ডারে কিংবা মদন গোপালে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শোলাকিয়া ঈদ্গাহ ময়দান কীভাবে যাবেন?
শোলাকিয়া আসতে চাইলে আপনাকে যে কোন উপায়ে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে। ঈদে স্পেশাল সার্ভিস : ঈদের জামাত পড়তে চাইলে আপনি যদি দূর থেকে আসেন তাহলে আপনার উচিৎ হবে আগের দিনই চলে আসা। আর বাসে করে আসতে চাইলে ঢাকার মহাখালী বা গোলাপবাগ বাস স্ট্যান্ড থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যেকোন বাসে করে কিশোরগঞ্জের গাইটাল
শোলাকিয়া ঈদ্গাহ ময়দান-এর কাছে কোথায় খাবেন?
কিশোরগঞ্জ শহরে ধানসিঁড়ি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া। মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দেখতে পারেন একরামপুর এর লক্ষী নারায়ণ মিস্টান্ন ভান্ডারে কিংবা মদন গোপালে।
শোলাকিয়া ঈদ্গাহ ময়দান সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে নরসুন্দা নদীর তীরে রয়েছে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দান। বহুের মতে, মোনাজাতে তিনি মুসললিদের প্রাচুর্যতা প্রকাশে ‘সোয়া লাখ’ কথাটি ব্যবহার করেন। এভাবে প্রায় তিন লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ পড়ে থাকেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
