শরীয়তপুর জেলায় রয়েছে এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের নাম রুদ্রকর মঠ (Rudrakar Moth)। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী অন্যতম।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

রুদ্রকর মঠ সম্পর্কে
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। রুদ্রকর মঠের সামনে একটা প্রাচীন পুকুর রয়েছে। ধারণা করা হয়, নবাব আলীবর্দী খানের আমল অর্থাৎ ১৩০৫ থেকে ১৩১৫ বঙ্গাব্দে তৎকালীন জমিদার বাবু গুরুচরণ চক্রবর্তী মা রাশমণি দেবীর সমাধিকে অমর করে রাখার জন্য এই মন্দির নির্মাণ করেন।
জমিদার বাড়ির কাছে বিশালাকার পুকুরের পাড়ে রুদ্রকর মঠ দেখার সুযোগ পাবেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে। এখানে প্রতিবছর সাড়ম্বরে পূজা ও কীর্তনের আয়োজন করা হয়। ধারণা করা হয়, মঠ এবং পুকুর একই সাথে তৈরী।
রুদ্রকর মঠের গায়ে ৪টি দেবী মূর্তির অলঙ্করণ রয়েছে। মূল মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ২০ মিটার এবং অন্য চারটি ছোট মন্দির উচ্চতা ১.৯৫ মিটার। রুদ্রকর মঠে একটা বড় শশ্মান মন্দির রয়েছে, যার মূল উপাসনালয় কক্ষের সাথে বারান্দার চারকোণে ৪টি ছোট মন্দির লক্ষণীয়।
কোথায় খাবেন
খাবারের জন্য জেলা শহরে নানা মানের চাইনিজ এবং বাংলা খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন। ১৮৯৮ সালে অনুপম স্থাপত্যশৈলীর এই মঠটি পূণনির্মাণ করা হয়। জায়গাীয়ভাবে বহুেই একে বাবুবাড়ি নামে ডাকেন।
কোথায় থাকবেন
শরীয়তপুর জেলায় তেমন ভাল মানের আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। শরীয়তপুর জেলার এককেবল মঠ রুদ্রকর মূলত একটা মন্দির। শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে ডামুড্যা-শরীয়তপুর মহাসড়কের পাশে রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের উত্তর দিকে রুদ্রকর জমিদার বাড়ির অবজায়গা।
শরীয়তপুর শহরে রয়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁের মধ্যে উৎসব চাইনিজ রেস্তোরাঁ, হোটেল জনতা, চিকন্দি ফুড পার্ক, চিলেকোঠা ক্যাফে এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে।
জায়গাীয়ভাবে বহুেই একে বাবুবাড়ি নামে ডাকেন।
শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে ডামুড্যা-শরীয়তপুর মহাসড়কের পাশে রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের উত্তর দিকে রুদ্রকর জমিদার বাড়ির অবজায়গা।
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা।
জমিদার বাড়ির কাছে বিশালাকার পুকুরের পাড়ে রুদ্রকর মঠ দেখার সুযোগ পাবেন।
কোথায় থাকবেন?
শরীয়তপুর জেলায় তেমন ভাল মানের আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী অন্যতম।
কোথায় খাবেন?
খাবারের জন্য জেলা শহরে নানা মানের চাইনিজ এবং বাংলা খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন। শরীয়তপুর শহরে রয়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁের মধ্যে উৎসব চাইনিজ রেস্তোরাঁ, হোটেল জনতা, চিকন্দি ফুড পার্ক, চিলেকোঠা ক্যাফে এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রুদ্রকর মঠ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে গ্লোরী এক্সপ্রেস, শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সাগরিকা পরিবহন এর বাস পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর চলাচল করে। জায়গাীয়ভাবে বহুেই একে বাবুবাড়ি নামে ডাকেন। শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে ডামুড্যা-শরীয়তপুর মহাসড়কের পাশে রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের উত
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
শরীয়তপুর জেলায় তেমন ভাল মানের আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী অন্যতম।
রুদ্রকর মঠ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
শরীয়তপুর জেলায় রয়েছে এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের নাম রুদ্রকর মঠ (Rudrakar Moth)। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল, চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ, হোটেল শের আলী অন্যতম। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
