ইতালির ভেনিস দেখতে গেলে লম্বা journey লাগে — কিন্তু ঢাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টায় ভেনিসের মতো লেকসাইড কটেজের স্বাদ পেতে চাইলে গাজীপুরের সোহাগ পল্লী রিসোর্ট-এ চলে আসুন। ১১ একরের সবুজে ঘেরা এই রিসোর্টে লেকের পানির উপর ঝুলন্ত সাঁকো, কারুকাজ করা বেলকনি আর খোদাই করা পিলার — সব মিলিয়ে সত্যিই ভেনিসের ছায়া।
- অবস্থান: কালামপুর, কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, গাজীপুর
- প্রবেশমূল্য: ২০০৳ (সাধারণ দর্শনার্থী)
- আয়তন: ১১ একর
- বিশেষত্ব: ভেনিসের আদলে লেকসাইড কটেজ
- যোগাযোগ: 01321-213232
সোহাগ পল্লীতে কী আছে
রিসোর্টে কৃত্রিম লেকে সারা বছর পানি থাকে এবং তাতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। লেকের কিনার ঘেঁষে উন্নতমানের কটেজ সারি — প্রতিটি কটেজের সামনে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে লেকের পানি। ঝুলন্ত সাঁকো, মেজবান দ্বিতল রেস্টুরেন্ট, সুইমিং পুল, কনফারেন্স হল এবং বাচ্চাদের জন্য আকর্ষণীয় প্রতিকৃতি ও খেলার ব্যবস্থা।
জন্মদিন, এনিভার্সারি, পিকনিক বা যেকোনো সভা-সেমিনার আয়োজন করা যায়। ৪০ জন কর্মচারী সার্বক্ষণিক সেবা দেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত। সেখান থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
চন্দ্রা মোড়ে নামুন। সেখান থেকে অটোরিকশা বা সিএনজিতে সরাসরি সোহাগ পল্লী।
বাজেট ও থাকার ব্যবস্থা
সোহাগ পল্লীতে শুধু দিনে ঘুরতে এলে ২০০৳ প্রবেশমূল্যে সুন্দর সময় কাটানো যায়। পূর্ণিমার রাতে কটেজে থাকলে লেকের জোছনা অসাধারণ দেখায়।
সাপ্তাহিক ছুটিতে সোহাগ পল্লী বেশ ভিড় হয়। রাতযাপনের জন্য আগে থেকে বুকিং করে যান। ওয়েবসাইট বা ফোনে যোগাযোগ করুন।
সস্তায় গাজীপুর যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao-তে সার্চ করুন — multi-city route-এ আরও বেশি সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সোহাগ পল্লীতে রাতে থাকা যায়?
হ্যাঁ, উন্নতমানের কটেজে রাতযাপনের সুবিধা আছে। আগে থেকে বুকিং জরুরি।
সোহাগ পল্লীতে কি পিকনিক করা যায়?
হ্যাঁ, পিকনিক আয়োজনের সুব্যবস্থা আছে। আগে থেকে যোগাযোগ করে পিকনিক স্পট বুক করুন।
চন্দ্রা মোড় থেকে সোহাগ পল্লী কীভাবে যাব?
চন্দ্রা মোড়ে যেকোনো বাস থেকে নেমে অটোরিকশা বা সিএনজিতে সরাসরি সোহাগ পল্লী — দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার।
