শহরের কোলাহলের মাঝে হঠাৎ যদি একটা ঘন সবুজ জঙ্গলে ঢুকে যান — মনে হবে কোথাও একটা টাইম ট্রাভেল হয়ে গেছে। চট্টগ্রামের টাইগারপাসে এই অসম্ভব সুন্দর কাজটাই করে দেখিয়েছে মিয়াওয়াকি বন।
🌳 বৃক্ষ প্রজাতি: ১২০টি দেশীয় প্রজাতি
🎟️ প্রবেশ মূল্য: বিনামূল্যে
📏 দূরত্ব: চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ২ কিমি
কেন যাবেন মিয়াওয়াকি বনে?
জাপানি বিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকির উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে তৈরি এই বনে মাত্র কয়েক বছরেই শত প্রজাতির গাছ ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। শহরের মাঝে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ বাংলাদেশে বিরল।
কীভাবে যাবেন
- চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে: রিকশা বা সিএনজিতে মাত্র ২ কিলোমিটার
- বাসে: নগরীর যেকোনো স্থান থেকে টাইগারপাসগামী বাসে আসা যায়
- ঢাকা থেকে: ট্রেন বা বাসে চট্টগ্রাম, তারপর স্থানীয় যানবাহনে টাইগারপাস
বনে কী দেখবেন

১২০ প্রজাতির দেশীয় গাছের ঘন আচ্ছাদন, পাখির কলরব ও শীতল পরিবেশ এই বনকে শহরের মাঝে এক ভিন্ন জগৎ বানিয়েছে। সকালের দিকে গেলে পাখি ও প্রজাপতির দেখা পাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
নানা বাজেটে হোটেল পাওয়া যায়। ৮০০–৩,০০০৳ রেঞ্জে ভালো আবাসন মেলে।
ব্যবসায়িক এলাকায় মিড-রেঞ্জ হোটেল বেশি, চট্টগ্রাম ঘুরতে সুবিধাজনক।
কোথায় খাবেন
টাইগারপাস এলাকায় বিভিন্ন রেস্তোরাঁ আছে। চট্টগ্রামের বিখ্যাত মেজবান ও কাচ্চি বিরিয়ানি এলাকার যেকোনো রেস্তোরাঁয় পাবেন।
আনুমানিক বাজেট
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের ট্রেন টিকেট, হোটেল বুকিং এখন সহজ। Tripzao.com ভিজিট করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রবেশ করা যায়।
জাপানি বিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকির উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ঘনভাবে দেশীয় গাছ লাগানো হয়, যা দ্রুত ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়।
মাত্র ২ কিলোমিটার, রিকশা বা সিএনজিতে ১০ মিনিটেই পৌঁছানো যায়।


