কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় মেঘনা নদীর উপর দাঁড়িয়ে আছে একটি নান্দনিক সেতু — সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু। ১৯৯৯ সালে নির্মিত এই সড়ক সেতুটি ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ঠিক পাশেই আছে ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক রাজা ষষ্ঠ জর্জ রেলসেতু — দুটো সেতু পাশাপাশি দেখলে দুই যুগের স্থাপত্যের তুলনা চোখে পড়ে।
- নির্মাণ: ১৯৯৯ সাল
- অবস্থান: ভৈরব উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- নদী: মেঘনা
- কাছে: রাজা ষষ্ঠ জর্জ রেলসেতু (ব্রিটিশ আমল)
- প্রবেশ ফি: বিনামূল্যে
কেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু দেখবেন
মেঘনার বিস্তৃত বুকে দুটো সেতু — একটি ব্রিটিশ আমলের রেলসেতু, আরেকটি আধুনিক সড়ক সেতু — এই দৃশ্য অসাধারণ। ভৈরব বাজার থেকে রিকশায় এসে সেতুর নিচে মেঘনার দৃশ্য দেখা, নদীতে নৌকার যাতায়াত উপভোগ করা — এটা একটা ভিন্ন ভ্রমণ অনুভূতি।
কীভাবে যাবেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু
সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী থেকে ভৈরবগামী বাস। ভাড়া ১২০–১৮০ টাকা।
কমলাপুর থেকে চট্টগ্রামগামী বা সিলেটগামী ট্রেনে ভৈরব বাজার স্টেশন।
দুর্জয় মোড় থেকে রিকশায় সেতুর কাছে — ভাড়া ১৫–২৫ টাকা।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
ভৈরব শহর
স্থানীয় আবাসিক হোটেল ৫০০–১,২০০৳/রাত
কিশোরগঞ্জ শহর
হোটেল রিভারভিউ, গাংচিল ৮০০–২,০০০৳/রাত
বাজেট ও খরচ
সূর্যাস্তের আগে সেতুতে পৌঁছালে মেঘনার উপর সোনালি আলোর দৃশ্য অসাধারণ হয়। সকালেও নদীর কুয়াশামাখা দৃশ্য দেখার মতো।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ কত দূরে?
প্রায় ৩০ কিমি — বাস বা সিএনজিতে ৪৫–৬০ মিনিট।
রাজা জর্জ রেলসেতুতে কি হেঁটে যাওয়া যায়?
সাধারণত রেলসেতুতে হাঁটা নিষিদ্ধ, তবে নিচ থেকে দেখা যায়।
ঢাকা থেকে দিনে ঘুরে আসা যায়?
হ্যাঁ, ভৈরব ঢাকার কাছে — সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরতে পারবেন।