বুড়িগঙ্গার তীরে ফরাশগঞ্জে লাল রঙের একটি ভবন দূর থেকেই চোখ আটকে দেয় — এটি নর্থব্রুক হল, যা লালকুঠি নামেও পরিচিত। ১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেলের সফর স্মরণে নির্মিত এই মুঘল-ইউরোপীয় মিশ্র স্থাপনা পুরান ঢাকার অন্যতম আইকনিক ভবন।
- জেলা: ঢাকা
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ
- অবস্থান: ফরাশগঞ্জ, বুড়িগঙ্গার তীর, পুরান ঢাকা
- প্রবেশ মূল্য: বাইরে থেকে দেখা বিনামূল্যে
- সেরা সময়: সকাল বা বিকেল
- ধরন: ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য / ঐতিহাসিক ভবন
কেন যাবেন নর্থব্রুক হল
১৮৭৪ সালে ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড নর্থব্রুকের ঢাকা সফরকে স্মরণীয় করতে বুড়িগঙ্গার তীরে এই টাউন হলটি নির্মিত হয়। মুঘল খিলান ও ইউরোপীয় কলামের অনন্য মিশ্রণ ভবনটিকে ঢাকার স্থাপত্য ঐতিহ্যের একটি বিশেষ নিদর্শনে পরিণত করেছে। বর্তমানে এটি নাট্য সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কীভাবে যাবেন নর্থব্রুক হল
গুলিস্থান বা সদরঘাট থেকে রিকশায় ফরাশগঞ্জ এসে বুড়িগঙ্গার তীরে নর্থব্রুক হল বা লালকুঠি খুঁজুন।
বাবুবাজার সেতু পার হয়ে ফরাশগঞ্জের দিকে এগিয়ে গেলে নদীর তীরে নর্থব্রুক হল দেখা যায়।
Uber বা Pathao তে Northbrook Hall Lalcuti, Farashganj লিখুন।
কী দেখবেন নর্থব্রুক হলে
ভবনের বাইরের অংশে মুঘল খিলান, ইউরোপীয় স্তম্ভ ও লাল রঙের সমন্বয়ে অনন্য সৌন্দর্য তৈরি হয়েছে। বুড়িগঙ্গার তীরে নদীর দৃশ্যের সাথে মিলিয়ে ভবনটি ফটোগ্রাফারদের স্বর্গ। সন্ধ্যায় নদীতে আলোর প্রতিফলনে নর্থব্রুক হলের ছবি অসাধারণ হয়।
কোথায় খাবেন
পুরান ঢাকার বিখ্যাত খাবার — হাজির বিরিয়ানি, নান্নার মোরগ পোলাও, বেচারাম দেউড়ির ইলিশ ভাজা এবং সদরঘাটের বিভিন্ন ভোজনালয় কাছেই পাবেন।
কোথায় থাকবেন
সদরঘাট / পুরান ঢাকার হোটেল
৳৬০০–৳১,৫০০/রাত
গুলিস্থান / মতিঝিল হোটেল
৳১,০০০–৳৩,০০০/রাত
বাজেট
নর্থব্রুক হলের সাথে একই রুটে আহসান মঞ্জিল, সদরঘাট ও বড় কাটরা দেখুন — বুড়িগঙ্গার তীরে পুরান ঢাকার এই রুটটি অসাধারণ।
সস্তায় ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao এ সার্চ করুন — multi-city route এ আরও সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নর্থব্রুক হলকে লালকুঠি কেন বলা হয়?
ভবনটির লাল রঙের কারণে স্থানীয়রা একে লালকুঠি নামে ডাকে।
নর্থব্রুক হলে যেতে কত খরচ হয়?
বাইরে থেকে দেখা বিনামূল্যে। গুলিস্থান থেকে রিকশায় ৩০–৫০৳, খাওয়া মিলিয়ে ২৫০–৪০০৳।
নর্থব্রুক হল বর্তমানে কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
বর্তমানে এটি নাট্য সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।