খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের উপর ১৮০০ সিঁড়ি বেয়ে উঠলে পাওয়া যায় মাতাই পুখিরি — ত্রিপুরা আদিবাসীদের কাছে পবিত্র এই প্রাকৃতিক লেকটিকে বলা হয় "ঈশ্বরের পুকুর"। নির্জন পাহাড়ের মাথায় এই স্বচ্ছ জলের লেক দেখে মনে হয় প্রকৃতি নিজে হাতে তৈরি করেছে। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে এটি তীর্থস্থান।
- জেলা: খাগড়াছড়ি
- সিঁড়ি সংখ্যা: ১৮০০টি
- বিশেষত্ব: ত্রিপুরা তীর্থস্থান
- সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
- ধরন: প্রাকৃতিক লেক, ট্রেক
কেন মাতাই পুখিরি অনন্য
পাহাড়ের মাথায় প্রাকৃতিকভাবে তৈরি লেক — এটাই মাতাই পুখিরির সৌন্দর্যের মূল রহস্য। ১৮০০ সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে চারদিকে সবুজ জঙ্গল ও পাহাড়ের দৃশ্য। উপরে পৌঁছালে লেকের স্বচ্ছ নীল পানি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ — পরিশ্রমের পুরস্কার অনেক বড়।
কীভাবে যাবেন
বাসে ৫০০–৮০০৳, সময় ৭–৮ ঘণ্টা।
সিএনজি বা মোটরবাইকে যেতে হয়। স্থানীয় গাইড নেওয়া উচিত।
১৮০০ সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। সময় ৪৫–৬০ মিনিট। ভালো জুতা পরুন।
কোথায় থাকবেন
খাগড়াছড়ি হোটেল
৫০০–১,৫০০৳/রাত
পর্যটন মোটেল
১,৫০০–৩,০০০৳/রাত
বাজেট হিসাব
মাতাই পুখিরি ত্রিপুরাদের পবিত্র স্থান। সেখানে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট করবেন না, প্লাস্টিক ফেলবেন না, এবং স্থানীয়দের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
ভোর সকালে রওনা দিন — লেকে সূর্যের আলো পড়লে পানির রঙ অসাধারণ দেখায়। বিকেলে নামা কঠিন হয়।
খাগড়াছড়ি ট্যুর বুক করতে Tripzao-তে দেখুন — মাতাই পুখিরি ও আলুটিলা একসাথে কভার করার প্যাকেজ পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মাতাই পুখিরিতে কি সাঁতার কাটা যায়?
এটি ত্রিপুরাদের পবিত্র স্থান, তাই সাঁতার কাটা সম্মানজনক নয়। পানি ছোঁয়া বা ফটো তোলা ঠিক আছে।
১৮০০ সিঁড়ি কি সবাই উঠতে পারবে?
শারীরিকভাবে সুস্থ যেকেউ পারবে। বয়স্ক বা হার্টের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খাগড়াছড়িতে আর কোন কোন জায়গা দেখব?
আলুটিলা গুহা, রিছাং ঝর্ণা, মানিকছড়ি ডিসি পার্ক, এবং সাজেকের কাছাকাছি যাওয়ার রাস্তাও খাগড়াছড়ি দিয়ে।