যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়িতে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, মধুসূদন জাদুঘর, লাইব্রেরি এবং সাগরদাঁড়ি পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করে মধুপল্লী (Modhupolli) নামকরণ করা হয়। পরবর্তীতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতামহ রামনিধি দত্ত যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জায়গাান্তরিত হয়ে জমিদারি ক্রয় করে দেবালয় স্থাপন করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

মধুসূদন দত্তের বাড়ি মধুপল্লী সম্পর্কে
প্রতি সাপ্তাহের রবিবার এবং সকল সরকারী ছুটির দিনে মধুপল্লী সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। কেশবপুর থেকে রিকশা যোগে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মধুপল্লী পৌঁছাতে পারবেন। এই ঘাটটিকে কবির বিদায়ী ঘাট বলা হয়।
কোথায় খাবেন
যশোরের সুপরিচিত জামতলার মিষ্টি, খেজুরের গুড়ের প্যারা সন্দেশ ও ভিজা পিঠা খেয়ে দেখতে পারেন। যদিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রপিতামহ রাম কিশোর দত্ত খুলনা জেলার গোপালপুর গ্র্রামের বাস করতেন। তখন কবি এই ঘাটের কাঠবাদাম গাছের তলায় তাঁবু খাটিয়ে ১৪ দিন অবজায়গা করে কলকতায় চলে যান।
কীভাবে যাবেন
মধুপল্লী যেতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত হতে যশোর জেলা শহরে এসে বাসে চড়ে কেশবপুর আসতে হবে। মধুপল্লীতে বাসে জন্য ১০০ টাকা, মাইক্রেবাস ও জীপের জন্য ৫০ টাকা এবং মোটর বাইকের জন্য ১০ টাকা পার্কিং খরচ প্রদান করতে হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির (Michael Madhusudan Dutta Bari) সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের তীরে একটা নৌ ঘাট এবং কাঠবাদামের গাছ রয়েছে।
মধুপল্লী সময়সূচী : মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি (Michael Madhusudan Dutta Memorial House) এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত এবং অক্টোবর থেকে মার্চ মাস প্রত্যেক দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য খোলা থাকে। আর বিদেশি দর্শনার্থীদের প্রবেশে ১০০ টাকা ব্যয় করতে হয়। যশোর জেলা শহর থেকে মধুপল্লীর দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।
অসাধারণ নির্মাণশৈলীর জন্য ১৯৬৮ সালে ২৬ অক্টোবর তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মধুসুদন দত্তের দোতলা বাড়িটিকে পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা ও সংস্কার করেন। এদের মধ্যে হোটেল সিটি প্লাজা ইন্টারন্যাশনাল (01795-477977), হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল (0421-67478), হোটেল শামস ইন্টারন্যাশনাল (0421-71564), জাবীর ইন্টারন্যাশনাল হোটেল (+8801880-004044), হোটেল আরএস ইন্টারন্যাশনাল (0421-62617) উল্লেখযোগ্য। শ্রেণিভেদে মোটেলের রুমের ভাড়া ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৬ সালে সীমানা দেয়াল, প্রবেশ গেট, একটা মঞ্চ, অভ্যর্থনার স্থাপনা তৈরী এবং পুনঃসংস্কার করার ফলে বাড়িটি বর্তমান রূপ লাভ করে।
কোথায় থাকবেন
যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটা মোটেল চালু আছে। যশোরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। প্রবেশ টিকেট মূল্য : মধুপল্লীতে যেকোন দেশি দর্শনার্থীদের ভেতরে যেতে ১০ টাকা দিয়ে প্রবেশ টিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
কথিত আছে ১৮৬২ সালে কবি ধর্মান্তরিত হওয়ার পর যখন নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন তখন পরিবার কবিকে ফিরিয়ে দেন। এছাড়া সময় সুযোগ থাকলে ধর্মতলার মালাই চা এবং চুক নগরের সুপরিচিত চুই ঝাল খাবারের স্বাদও নিতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
মধুপল্লী যেতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত হতে যশোর জেলা শহরে এসে বাসে চড়ে কেশবপুর আসতে হবে।
কেশবপুর থেকে রিকশা যোগে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মধুপল্লী পৌঁছাতে পারবেন।
যশোর জেলা শহর থেকে মধুপল্লীর দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন?
যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটা মোটেল চালু আছে। যশোরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। শ্রেণিভেদে মোটেলের রুমের ভাড়া ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে। এদের মধ্যে হোটেল সিটি প্লাজা ইন্টারন্যাশনাল (01795-477977), হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল (0421-67478), হোটেল শামস ইন্টারন্যাশনাল (0421-71564), জাবীর ইন্টারন্যাশনাল হোটেল (+8801880-004044), হোটেল আরএস ইন্টারন্যাশনাল (0421-62617) উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
যশোরের সুপরিচিত জামতলার মিষ্টি, খেজুরের গুড়ের প্যারা সন্দেশ ও ভিজা পিঠা খেয়ে দেখতে পারেন। এছাড়া সময় সুযোগ থাকলে ধর্মতলার মালাই চা এবং চুক নগরের সুপরিচিত চুই ঝাল খাবারের স্বাদও নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মধুসূদন দত্তের বাড়ি মধুপল্লী কীভাবে যাবেন?
মধুপল্লী যেতে হলে দেশের যেকোন প্রান্ত হতে যশোর জেলা শহরে এসে বাসে চড়ে কেশবপুর আসতে হবে। কেশবপুর থেকে রিকশা যোগে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মধুপল্লী পৌঁছাতে পারবেন। যশোর জেলা শহর থেকে মধুপল্লীর দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটা মোটেল চালু আছে। যশোরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। শ্রেণিভেদে মোটেলের রুমের ভাড়া ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে। এদের মধ্যে হোটেল সিটি প্লাজা ইন্টারন্যাশনাল (01795-477977), হোটেল হাসান ইন্টারন্যা
মধুসূদন দত্তের বাড়ি মধুপল্লী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়িতে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, মধুসূদন জাদুঘর, লাইব্রেরি এবং সাগরদাঁড়ি পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করে মধুপল্লী (Modhupolli) নামকরণ করা হয়। পরবর্তীতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতামহ রামনিধি দত্ত যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জায়গাান্তরিত হয়ে জমিদারি ক্রয় করে দেবা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

