খুলনার সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধীনে চমৎকারবনের পশ্চিম অংশে রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (Kalagachia Eco Tourism Park) ও টহল ফাঁড়ি প্রকৃতির অপরূপ রূপমণ্ডিত একটা পর্যটন কেন্দ্র। এখানে বনের ভিতরের শিব মন্দিরে বনবিবির পূজা করা হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম পার্ক সম্পর্কে
ঢাকা থেকে সোহাগ, এসপি গোল্ডেন লাইন, হানিফ পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হয়ে সাতক্ষীরা যেতে পারবেন। কাঠের সেতুর দুই পাশে আছে খলিশা, হরকোচা ও বাইন গাছের সারি। কোথায় থাকবেনসাতক্ষীরার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে টাইগার পয়েন্ট গেস্ট হাউজ, বর্ষা রিসোর্ট, চমৎকারবন হোটেল, হোটেল সৌদিয়া, হোটেল সোনার বাংলা, উৎসব বাগান, রূপসী বাংলা লজ ও আকাশলীনা রিসোর্ট অন্যতম।
কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রটির একদিকে লোকালয় ও আরেক পাশে চমৎকারবন, আর মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খোলপেটুয়া নদী। ফাস্ট এইড বক্স, শুকনো খাবার ও পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। পশু পাখীদের বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন।
চমৎকারবনের নদীর মাছ, গলদা ও বাগদা চিংড়ি, সাতক্ষীরা সন্দেশ, চমৎকারবনের খাঁটি মধু ও চুই ঝালের খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজোড়া। ভাড়া পরবে বাসের মানভেদে নন এসি – ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, এসি – ৯০০ থেকে ১৩০০ টাকা। নীলডুমুর খেয়া ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।
আর বনের ভিতরে আছে বানর ও হরিণের দল। ভ্রমণ পরামর্শনির্ধারিত ট্রেইল ধরে হাঁটুন। ২০-২৫ জনের একটা ট্রলারের ভাড়া ৮০০-১২০০ টাকা।
বন পেরিয়ে নদী পথে খাল পার হয়ে কলাগাছিয়া যেতে হয়। বানরদের আক্রমণ থেকে নিরাপদে থাকতে সাথে একটা লাঠি রাখুন। এই ব্রিজ পার হলে একটা রেস্ট হাউজ ও কাঠের তৈরি আরেকটি ব্রিজ নজরে আসে।
মূল অংশে ঢোকার পথে আছে লোহার তৈরি একটা ব্রিজ। একজন ইকো গাইডের সাহায্য নিন। ওয়াকওয়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে পাঁচতলা ওয়াচ টাওয়ার থেকে পাখির চোখে চমৎকারবনের প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ অথবা নীলডুমুর ঘাট থেকে ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে হয়।
কীভাবে যাবেন
চমৎকারবনের কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে যেতে হলে প্রথমে সাতক্ষীরা জেলায় আসতে হবে। ইকোট্যুরিজম ঘাটে ট্রলার ভিড়লেই অসংখ্য বানরের দেখা মিলে। লোকালয় পার হয়ে চমৎকারবনের পশ্চিম বনের ভিতর দিয়ে কলাগাছিয়া যাওয়ার সময় দুই ধারের সারি সারি বন মুগ্ধ করে।
কোথায় খাবেনসাতক্ষীরা শহরে সোনারগাঁও হোটেল, পানসি রেস্তোরাঁ, লেক ভিউ ক্যাফে, সাদিয়া হোটেল ও স্বপ্ন রেস্তোরাঁর মতো বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। বহুের বিশ্বাস মন্দিরে দর্শন দিয়ে বনের ভেতরে গেলে সকল বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার সুযোগ আছে। সাতক্ষীরা জেলার দর্শনীয় জায়গাসাতক্ষীরার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে যশোরেশ্বরী কালী মন্দির, তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ, মান্দারবাড়ী সমুদ্র সৈকত, জোড়া শিব মন্দির, সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির, মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট ও নলতা শরীফ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
চমৎকারবনের কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে যেতে হলে প্রথমে সাতক্ষীরা জেলায় আসতে হবে।
নীলডুমুর খেয়া ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ অথবা নীলডুমুর ঘাট থেকে ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে হয়।
ভাড়া পরবে বাসের মানভেদে নন এসি – ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, এসি – ৯০০ থেকে ১৩০০ টাকা।
ঢাকা থেকে সোহাগ, এসপি গোল্ডেন লাইন, হানিফ পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হয়ে সাতক্ষীরা যেতে পারবেন।
২০-২৫ জনের একটা ট্রলারের ভাড়া ৮০০-১২০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
সাতক্ষীরার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে টাইগার পয়েন্ট গেস্ট হাউজ, বর্ষা রিসোর্ট, চমৎকারবন হোটেল, হোটেল সৌদিয়া, হোটেল সোনার বাংলা, উৎসব বাগান, রূপসী বাংলা লজ ও আকাশলীনা রিসোর্ট অন্যতম।
কোথায় খাবেন?
সাতক্ষীরা শহরে সোনারগাঁও হোটেল, পানসি রেস্তোরাঁ, লেক ভিউ ক্যাফে, সাদিয়া হোটেল ও স্বপ্ন রেস্তোরাঁর মতো বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। চমৎকারবনের নদীর মাছ, গলদা ও বাগদা চিংড়ি, সাতক্ষীরা সন্দেশ, চমৎকারবনের খাঁটি মধু ও চুই ঝালের খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজোড়া।
ট্রাভেল টিপস
নির্ধারিত ট্রেইল ধরে হাঁটুন। পশু পাখীদের বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। বানরদের আক্রমণ থেকে নিরাপদে থাকতে সাথে একটা লাঠি রাখুন। একজন ইকো গাইডের সাহায্য নিন। ফাস্ট এইড বক্স, শুকনো খাবার ও পানির বোতল সঙ্গে রাখুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম পার্ক কীভাবে যাবেন?
চমৎকারবনের কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে যেতে হলে প্রথমে সাতক্ষীরা জেলায় আসতে হবে। নীলডুমুর খেয়া ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ অথবা নীলডুমুর ঘাট থেকে ট্রলারে কলাগাছিয়া যেতে হয়। ভাড়া পরবে বাসের মানভেদে নন এসি – ৬
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সাতক্ষীরার উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে টাইগার পয়েন্ট গেস্ট হাউজ, বর্ষা রিসোর্ট, চমৎকারবন হোটেল, হোটেল সৌদিয়া, হোটেল সোনার বাংলা, উৎসব বাগান, রূপসী বাংলা লজ ও আকাশলীনা রিসোর্ট অন্যতম।
কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম পার্ক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
খুলনার সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধীনে চমৎকারবনের পশ্চিম অংশে রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (Kalagachia Eco Tourism Park) ও টহল ফাঁড়ি প্রকৃতির অপরূপ রূপমণ্ডিত একটা পর্যটন কেন্দ্র। এখানে বনের ভিতরের শিব মন্দিরে বনবিবির পূজা করা হয়। ঢাকা থেকে সোহাগ, এসপি গোল্ডেন লাইন, হানিফ পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
