বাংলাদেশের পূর্বাঞ্ছলের ভুয়াপুর ও পশ্চিমাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ জেলার সাথে সংযোগ স্থাপনকারী যমুনা অসংখ্যমুখী সেতুটি বঙ্গবন্ধু সেতু (Bangabandhu Bridge) হিসেবেও সুপরিচিত। কোথায় খাবেনটাঙ্গাইল শহরে নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

যমুনা সেতু সম্পর্কে
তাছাড়া টাঙ্গাইলের সুপরিচিত পোড়াবাড়ীর চমচম খেয়ে দেখতে পারেন। কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে একদিনে যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু দেখে ঢাকায় ফিরে আসতে পারেন।
কীভাবে যাবেন
টাঙ্গাইল শহর থেকে যমুনা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে উদ্বোধন হওয়া এই সেতু দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহৎ এবং বিশ্বের ১১তম দীর্ঘতম সেতু। আবার বাস বা নিজস্ব পরিবহনে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল- জামালপুর মহাসড়ক দিয়ে যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু দেখতে যেতে পারবেন।
প্রকৃতির দুর্যোগের সাথে মোকাবিলা করার জন্য সেতুটি ৮০-৮৫ মিটার লম্বা ১২১টি ইস্পাতের বিমের উপর স্থাপন করা হয়েছে। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহরে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে বুকিং দিয়ে রাখতে হবে।
সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.৫ মিটার। আবার যমুনা ব্রিজের কাছেই রয়েছে বিলাসঅসংখ্যল বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট। ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন বা নিজস্ব পরিবহনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়।
সর্বপ্রথম মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি যমুনা নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করেন। বঙ্গবন্ধু যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু নির্মাণের ফলে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের সাথে সাথে সড়ক ও রেলপথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। যদিও শহরের নিরালা মোড়ের খাবার রেস্তোরাঁগুলো বেশী পরিচিত।
সেতুটিতে স্প্যানের সংখ্যা ৪৯ টি ও পিলার ৫০ টি। যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু (Jamuna Multi-purpose Bridge) নির্মাণে খরচ হয়েছে ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবাসিক হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি উল্লেখযোগ্য।
যমুনা নদীর উপর টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতু এশীয় মহাসড়ক ও আন্তঃএশীয় রেলপথের উপর রয়েছে। যমুনা অসংখ্যমুখী সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন ও ট্রেন চলাচলের জন্য রয়েছে ৪ লেনের সড়ক ও ২টি রেল ট্র্যাক। ১৯৯৪ সালে জাপান সরকারের সহায়তায় যমুনা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলেও ১৯৯৮ সালে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
ঢাকা থেকে একতা, চমৎকারবন, লালমনি, সিল্কসিটি, পদ্মা, দ্রুতযান, চিত্রা, ধুমকেতু, নীলসাগর, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ও টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে সরাসরি ইব্রাহীমাবাদ স্টেশনে নামা যায়। আসন ভেদে ভাড়া পড়বে ১২০-৫২৮ টাকা। পাশাপাশি সার্কিট হাউজ এবং জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাটাঙ্গাইলের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মহেরা, পাকুটিয়া ও ধনবাড়ি জমিদার বাড়ী, ২০১ গম্বুজ মসজিদ ও মধুপুর জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
টাঙ্গাইল শহর থেকে যমুনা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার।
আসন ভেদে ভাড়া পড়বে ১২০-৫২৮ টাকা।
ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন বা নিজস্ব পরিবহনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়।
ঢাকা থেকে একতা, চমৎকারবন, লালমনি, সিল্কসিটি, পদ্মা, দ্রুতযান, চিত্রা, ধুমকেতু, নীলসাগর, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ও টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে সরাসরি ইব্রাহীমাবাদ স্টেশনে নামা যায়।
আবার বাস বা নিজস্ব পরিবহনে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল- জামালপুর মহাসড়ক দিয়ে যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে একদিনে যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু দেখে ঢাকায় ফিরে আসতে পারেন। রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। আবার যমুনা ব্রিজের কাছেই রয়েছে বিলাসঅসংখ্যল বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহরে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। আবাসিক হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, আনসারি প্যালেস, হোটেল প্রিন্স ও হোটেল শান্তি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি সার্কিট হাউজ এবং জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
টাঙ্গাইল শহরে নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। যদিও শহরের নিরালা মোড়ের খাবার রেস্তোরাঁগুলো বেশী পরিচিত। তাছাড়া টাঙ্গাইলের সুপরিচিত পোড়াবাড়ীর চমচম খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
যমুনা সেতু কীভাবে যাবেন?
টাঙ্গাইল শহর থেকে যমুনা সেতুর দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। আসন ভেদে ভাড়া পড়বে ১২০-৫২৮ টাকা। ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন বা নিজস্ব পরিবহনে টাঙ্গাইল পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে একতা, চমৎকারবন, লালমনি, সিল্কসিটি, পদ্মা, দ্রুতযান, চিত্রা, ধুমকেতু, নীলসাগর, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ও টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে সরাসরি ইব্র
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে একদিনে যমুনা অসংখ্যমুখী সেতু দেখে ঢাকায় ফিরে আসতে পারেন। রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। আবার যমুনা ব্রিজের কাছেই রয়েছে বিলাসঅসংখ্যল বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহরে নানা সরকারী ও বেসরকারি আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। আবাসিক হোটেল আল ফয়
যমুনা সেতু সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাংলাদেশের পূর্বাঞ্ছলের ভুয়াপুর ও পশ্চিমাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ জেলার সাথে সংযোগ স্থাপনকারী যমুনা অসংখ্যমুখী সেতুটি বঙ্গবন্ধু সেতু (Bangabandhu Bridge) হিসেবেও সুপরিচিত। কোথায় খাবেনটাঙ্গাইল শহরে নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। তাছাড়া টাঙ্গাইলের সুপরিচিত পোড়াবাড়ীর চমচম খেয়ে দেখতে পারেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
