কুমিল্লা সদর উপজেলার থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কোটবাড়িতে রয়েছে ইটাখোলা মুড়া (Itakhola Mura) সপ্তম বা অষ্টম শতকে নির্মিত একটা বৌদ্ধ বিহার। বাস থেকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বাস স্ট্যান্ড নেমে সিএনজি বা অটো রিকশাযোগে ইটাখোলা মুড়া যেতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

ইটাখোলা মুড়া সম্পর্কে
আবিষ্কৃত জায়গাের মধ্যে বিস্তীর্ণ স্তূপ কমপ্লেক্স ইটাখোলা মুড়ার মূল আকর্ষণ। ইটাখোলা মুড়ার প্রবেশ পথ ধরে উপরে উঠলে আয়তাকার ক্ষেত্রের মাঝখানে এই বিহারে মূল মন্দিরটি দেখতে পাওয়ার সুযোগ আছে। এই মন্দিরের প্রধান উপাস্য হলেন ধ্যানী বুদ্ধ অক্ষোভ্য।
ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চরে কুমিল্লা পৌঁছানো যায়। রূপবান মুড়ার বিপরীত পাশে সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৪০ ফুট উঁচুতে রয়েছে এই প্রত্নজায়গাে তিনটি স্তর পরিলক্ষিত হয়। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন
ইটাখোলা মুড়া যেতে হলে কুমিল্লা জেলায় আসতে হবে। প্রাচীনকাল থেকেই এখানে ইট পোড়ানো কারণে জায়গাটি ইটাখোলা মুড়া নামে পরিচিতি লাভ করে। এখানে ৩য় নির্মাণ যুগে নির্মিত একটা মস্তকবিহীন বৌদ্ধ মূর্তি রয়েছে।
প্রায় ৫টি সাংস্কৃতিক যুগ অতিক্রম করার ফলে এই জায়গাের সকল প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশনগুলো উদ্ধার করা বেশ জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ১৩.১ বর্গমিটার ভিতের উপর রয়েছে এই স্তূপের সম্মুখভাগের কেন্দ্রে ২.৪ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২.১ মিটার প্রস্থ্যের একটা ক্ষুদ্র পীঠজায়গা রয়েছে। ট্রেনে যেতে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ১৯০ থেকে ৭৭৭ টাকা।
ইটাখোলা মুড়া থেকে প্রাপ্ত নিদর্শনের মধ্যে প্রায় ১৮ তোলা ওজনের স্বর্ণ, মাটির পাতিলে রক্ষিত সোনার বল, রৌপ্য মুদ্রা, তাম্রশাসন, মাটির ফলকলিপি, ধ্যাণী বুদ্ধ মূর্তির আবক্ষ অংশ, ধাতব ধ্যানীবুদ্ধ অক্ষোভ্য, ধাতব ধ্যানীবুদ্ধ অমিতাভ, গণেশ মূর্তি, অলংকৃত পোড়া মাটির ফলক, মাটির পাত্র, তেলের প্রদীপ, ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন-এসি/এসি বাস ছাড়াও চট্টগ্রাম বা ফেনিগামী বাসে কুমিল্লা যাওয়া।
কোথায় খাবেনইটাখোলা মুড়া যাওয়ার পথে ইরিশ হিল হাইওয়ে হোটেল, সৌদিয়া হোটেল, ঝাল বাংলা রেস্তোরা, হোটেল ময়নামতি, উজান হাইওয়ে, আনোয়ার হোটেল, সাকিব হোটেল এবং লিজা হোটেল সহ বেশকিছু ভালমানের রেস্তোরাঁে আপনার পছন্দের খাবার খেতে পারবেন। কমলাপুর হতে মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, উপকূল এক্সপ্রেস, পাহারিকা এক্সপ্রেস ও তূর্ণা সহ চট্টগ্রামগামী নানা ট্রেনে কুমিল্লা যেতে পারবেন। কোথায় থাকবেনকুমিল্লা কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোডে নানা মানের হোটেল রয়েছে।
ইটাখোলা মুড়ায় নানা সময় প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে একটা বৌদ্ধ মঠ ও বৌদ্ধস্তূপের সন্ধান পাওয়ার সুযোগ আছে। আর অবশ্যই কুমিল্লার মনোহরপুরের মাতৃভাণ্ডারের সুপরিচিত রসমালাই ও রসগোল্লা, ভগবতীর পেড়া, মিঠাইয়ের মালাই চপের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
কীভাবে যাবেন?
ইটাখোলা মুড়া যেতে হলে কুমিল্লা জেলায় আসতে হবে।
ট্রেনে যেতে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ১৯০ থেকে ৭৭৭ টাকা।
ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চরে কুমিল্লা পৌঁছানো যায়।
সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন-এসি/এসি বাস ছাড়াও চট্টগ্রাম বা ফেনিগামী বাসে কুমিল্লা যাওয়া।
কমলাপুর হতে মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, উপকূল এক্সপ্রেস, পাহারিকা এক্সপ্রেস ও তূর্ণা সহ চট্টগ্রামগামী নানা ট্রেনে কুমিল্লা যেতে পারবেন।
বাস থেকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বাস স্ট্যান্ড নেমে সিএনজি বা অটো রিকশাযোগে ইটাখোলা মুড়া যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কুমিল্লা কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোডে নানা মানের হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
ইটাখোলা মুড়া যাওয়ার পথে ইরিশ হিল হাইওয়ে হোটেল, সৌদিয়া হোটেল, ঝাল বাংলা রেস্তোরা, হোটেল ময়নামতি, উজান হাইওয়ে, আনোয়ার হোটেল, সাকিব হোটেল এবং লিজা হোটেল সহ বেশকিছু ভালমানের রেস্তোরাঁে আপনার পছন্দের খাবার খেতে পারবেন। আর অবশ্যই কুমিল্লার মনোহরপুরের মাতৃভাণ্ডারের সুপরিচিত রসমালাই ও রসগোল্লা, ভগবতীর পেড়া, মিঠাইয়ের মালাই চপের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ইটাখোলা মুড়া কীভাবে যাবেন?
ইটাখোলা মুড়া যেতে হলে কুমিল্লা জেলায় আসতে হবে। ট্রেনে যেতে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ১৯০ থেকে ৭৭৭ টাকা। ঢাকা থেকে ট্রেন ও বাসে চরে কুমিল্লা পৌঁছানো যায়। সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন-এসি/এসি বাস ছাড়াও চট
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কুমিল্লা কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোডে নানা মানের হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর উল্লেখযোগ্য।
ইটাখোলা মুড়া সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কুমিল্লা সদর উপজেলার থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কোটবাড়িতে রয়েছে ইটাখোলা মুড়া (Itakhola Mura) সপ্তম বা অষ্টম শতকে নির্মিত একটা বৌদ্ধ বিহার। বাস থেকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বাস স্ট্যান্ড নেমে সিএনজি বা অটো রিকশাযোগে ইটাখোলা মুড়া যেতে পারবেন। আবিষ্কৃত জায়গাের মধ্যে বিস্তীর্ণ স্তূপ কমপ্লেক্স ইটাখোলা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

