ইদ্রাকপুর কেল্লা (Idrakpur Fort) মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে রয়েছে মোঘল স্থাপত্যের একটা ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। ধারণা করা হয় ইদ্রাকপুর কেল্লাটি নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৫৮ সালে এবং ১৬৬০ সালে তা শেষ হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

ইদ্রাকপুর কেল্লা সম্পর্কে
লোকমুখে প্রচলিত আছে ঢাকার লালবাগ কেল্লা থেকে ইদ্রাকপুর কেল্লা পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ ছিল। প্রায় প্রতিটি দুর্গেই দূর থেকে শত্রুর চলাচল পর্যবেক্ষণের জন্য এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এখন এটি সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
রাজধানী ঢাকার কাছে এবং দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসার সুবিধার জন্য ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে ইদ্রাকপুরের জনপ্রিয়তা ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাচীর ঘেরা এই গোলাকার দূর্গটি অঞ্চলয় এস.ডি.ও কুঠি হিসাবে পরিচিত। ইদ্রাকপুর কেল্লার ৩ কিলোমিটারের মধ্যে চারটি (ধলেশ্বরী, ইছামতী, মেঘনা এবং শীতলক্ষা) নদীর অবজায়গা।
কীভাবে যাবেন
মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের পুরাতন কোর্ট অফিসের কাছে ইদ্রাকপুর কেল্লা অবজায়গা। দুই ভাগে বিভক্ত কেল্লার প্রাচীরের উত্তরপাশে কামান বসানোর তিনটি মঞ্চ রয়েছে।
কোথায় থাকবেন
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে মুন্সিগঞ্জ গিয়ে দিনেই ঢাকায় ফেরা যায়। তবুও প্রয়োজনে রাত্রি যাপনের জন্য মুন্সিগঞ্জে হোটেল থ্রি স্টার (01715-665829, 01715-177716r) কিংবা হোটেল কমফোর্ট এ ২০০ থেকে ৬০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। ৮২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭২ মিটার প্রস্থের ইটের তৈরি ইদ্রাকপুর কেল্লাটি মগ জলদস্যু এবং পর্তুগিজদের হাত থেকে রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়।
সুউচ্চ প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এই কেল্লার প্রত্যেক কোণে বৃত্তাকার বেষ্টনী রয়েছে এবং দুর্গের এককেবল খিলানাকার দরজা স্থাপন করা হয়েছে কেল্লার উত্তর দিকে। পূর্ব দিকের মূল প্রাচীর দেয়ালের মাঝামাঝি একটা গোলাকার মঞ্চ রয়েছে। রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান থেকে দিঘীরপাড় এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট বাসে করে মুক্তারপুর এসে জনপ্রতি ১০ টাকা অটোরিক্সা ভাড়া এবং ২০-২৫ টাকা রিক্সা ভাড়ায় ইদ্রাকপুর কেল্লায় আসা যায়।
১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালিন বাংলার সুবাদার ও সেনাপতি মীর জুমলা ইছামতি নদীর তীরে ইদ্রাকপুর নামক জায়গাে এই কেল্লাটি নির্মাণ করেন। শত্রুর উদ্দেশ্যে গোলা নিক্ষেপের জন্য প্রাচীরের গায়ে অসংখ্য ফোঁকর রয়েছে। ১৯০৯ সালে মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ইদ্রাকপুর কেল্লাকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তির মর্যাদা দেয়া হয়।
১৮৪৫ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত ইদ্রাকপুর দূর্গ মহকুমা প্রশাসনের বাস ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হত। এছাড়া পদ্মা রিসোর্টেও (01713-033049) গ্রামীণ আবহে রাত্রি যাপন করতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের পুরাতন কোর্ট অফিসের কাছে ইদ্রাকপুর কেল্লা অবজায়গা।
রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান থেকে দিঘীরপাড় এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট বাসে করে মুক্তারপুর এসে জনপ্রতি ১০ টাকা অটোরিক্সা ভাড়া এবং ২০-২৫ টাকা রিক্সা ভাড়ায় ইদ্রাকপুর কেল্লায় আসা যায়।
কোথায় থাকবেন?
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে মুন্সিগঞ্জ গিয়ে দিনেই ঢাকায় ফেরা যায়। তবুও প্রয়োজনে রাত্রি যাপনের জন্য মুন্সিগঞ্জে হোটেল থ্রি স্টার (01715-665829, 01715-177716r) কিংবা হোটেল কমফোর্ট এ ২০০ থেকে ৬০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। এছাড়া পদ্মা রিসোর্টেও (01713-033049) গ্রামীণ আবহে রাত্রি যাপন করতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ইদ্রাকপুর কেল্লা কীভাবে যাবেন?
মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের পুরাতন কোর্ট অফিসের কাছে ইদ্রাকপুর কেল্লা অবজায়গা। রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান থেকে দিঘীরপাড় এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট বাসে করে মুক্তারপুর এসে জনপ্রতি ১০ টাকা অটোরিক্সা ভাড়া এবং ২০-২৫ টাকা রিক্সা ভাড়ায় ইদ্রাকপুর কেল্লায় আসা যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে মুন্সিগঞ্জ গিয়ে দিনেই ঢাকায় ফেরা যায়। তবুও প্রয়োজনে রাত্রি যাপনের জন্য মুন্সিগঞ্জে হোটেল থ্রি স্টার (01715-665829, 01715-177716r) কিংবা হোটেল কমফোর্ট এ ২০০ থেকে ৬০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। এছাড়া পদ্মা রিসোর্টেও (01713-033049) গ্রামীণ আবহে রাত্রি যাপন করতে পারেন।
ইদ্রাকপুর কেল্লা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ইদ্রাকপুর কেল্লা (Idrakpur Fort) মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে রয়েছে মোঘল স্থাপত্যের একটা ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। ধারণা করা হয় ইদ্রাকপুর কেল্লাটি নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৫৮ সালে এবং ১৬৬০ সালে তা শেষ হয়। লোকমুখে প্রচলিত আছে ঢাকার লালবাগ কেল্লা থেকে ইদ্রাকপুর কেল্লা পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ ছিল।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

