bangladesh · Editorial

হামহাম জলপ্রপাত

হাম হাম কিংবা হামহাম বা চিতা ঝর্ণা : হাম হাম ঝর্ণা যাবার উপায়, কি খাবেন, ভ্রমণ খরচ ও আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা সহ সকল কিছু জানতে পড়ুন হামহাম ভ্রমণ গাইড।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে ২০১০ সালের শেষের দিকে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মাকে সাথে নিয় একদল দর্শনার্থী হাম হামের এই অনিন্দ্য জলপ্রপাতটি আবিষ্কার করেন। কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যেতে ২-৩ ঘন্টা লাগবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

হামহাম জলপ্রপাত

হামহাম জলপ্রপাত সম্পর্কে

বাসে করে শ্রীমঙ্গল যেতে সময় লাগে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা।

কোথায় থাকবেন

হাম হাম ঝর্নার আশেপাশে থাকার মতো কোন ব্যবস্থাই নেই। ঝিরি পথে একটু সময় বেশি লাগলেও এই পথের সৌন্দর্য পাহাড়ি পথের চেয়ে বহু বেশি। প্রায় ১৪০ফিট উঁচু এই ঝর্ণার বুনো সৌন্দর্য দেখার জন্যে বহু কষ্ট স্বীকার করে পুরো বাংলাদেশ থেকে মানুষ ছুটে আসে।

কলাবন পাড়া পৌছে ২০০/৩০০ টাকার মধ্যে একজন ভাল গাইড ঠিক করে নিন। আজকাল হাম হাম ঝর্ণার পাদদেশে চা, ছোলাবুট পাওয়া যায়, যা আপনার সাময়িক খিদে নিবারন করতে সক্ষম হবে। কি খাবেনখিদে মেটানোর জন্য কলাবন পাড়ায় কিছু খাবার খেয়ে নিতে পারেন।

শীতকালে তুলনামূলক পানি বহু কম থাকে তাই বর্ষা কাল হাম হামের বুনো সৌন্দর্য্য দেখার উপযুক্ত সময়। সাথে পর্যাপ্ত পানি রাখবেন, প্রয়োজনে সাথে করে স্যালাইন নিতে যাবেন। শ্রীমঙ্গল থেকে হামহামশ্রীমঙ্গল থেকে সকাল সকাল হামহামে জন্য রওনা দিলে ভাল হয়।

যদিও বর্ষাকালে ঝিরি পথে বহু জোঁক থাকে। যদিও পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটার অভ্যাস না থাকলে সময় আরও একটু বেশি লাগতে পারে। এছাড়া যাওয়ার জন্যে আছে জীপ গাড়ি।

সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন যেন হামহাম থেকে ফিরে আসার পথেই সন্ধ্যা না হয়ে যায়। পাহাড়ি উঁচু নিচু পথ, চলার সময় সাবধান থাকবেন। যদিও আদিবাসীদের সাথে কথা বলে যদি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন যদিও তৈলংবাড়ী কিংবা কলাবন পাড়াতে থাকতে পারেন।

তাই খুব সকালে রওনা দিয়ে দিনে দিনে ফিরে আসাই ভালো। এছাড়া শ্রীমঙ্গল ফিরে এসে শহরে মোটামুটি মানের রেস্তোরাঁ আছে সেখানে ভরপেট খেয়ে নিতে পারবেন। জায়গাীয় মানুষদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন।

আর বাসে করে ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল যেতে ফকিরাপুল অথবা সায়দাবাদ থেকে ৫৭০ থেকে ১,০০০ টাকা ভাড়ায় হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সিলেট এক্সপ্রেস, এনা ইত্যাদি এসি ও নন এসি বাস পাওয়া যায়। শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল আছে, এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান (পাঁচ তারকা), নভেম রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, টি মিউজিয়াম রিসোর্ট, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, টি টাউন রেস্ট হাউস, হোটেল প্লাজা, বি.টি.আর.আই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যাবার দুটো ট্রেইল আছে আছে, ঝিরি পথ ও পাহাড়ি পথ।

ঝর্ণা ও ট্রেইলে দয়া করে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না। যাবার সময় অর্ডার করে গেলে ফিরে আসার পর খেয়ে নিতে পারবেন। ফার্স্ট এইডের জন্যে যা প্রয়োজন সাথে রাখবেন।

প্রথমে আপনাকে কলাবন পাড়ায় রওনা দিতে হবে। ভ্রমণ সঙ্গীর প্রত্যেকে বাঁশের লাঠি নিতে ভুল করবেন না, আর অবশ্যই জোঁকের কথা মাথায় রাখবেন। ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে হাম হাম যেতে হলে শ্রীমঙ্গল হয়ে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। কলাবন পাড়ায় জায়গাীয় মানুষদের দেওয়া একটা ছোট হোটেল আছে। আশেপাশের দর্শনীয় জায়গামাধবপুর লেকলাউয়াছড়া উদ্যানচা বাগানসাত রঙের চা – নীলকন্ঠ কেবিনবাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউটহামহাম ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতাট্রেকিং এর জন্যে ভালো গ্রীপের জুতো ব্যববার করবেন, বিশেষ করে বর্ষাকালে গেলে।

জায়গাীয়দের কাছে এই ঝর্ণা চিতা ঝর্ণা হিসাবে পরিচিত, তাদের মতে এই জঙ্গলে আগে চিতা পাওয়া যেত। ব্যাকপ্যাক যত সম্ভব হালকা রাখবেন। শ্রীমঙ্গল থেকে কলাবন পাড়া আপ ডাউন সিএনজি ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকার মতো লাগবে, এক গাড়িতে ৩-৫ যেতে পারবেন।

কমলাপুর বা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে পারাবত, জয়ন্তিকা বা উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল আসা যায়। এছাড়া সাথে শুকনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। শ্রেনীভেদে ভাড়া ২৭৫-৯৮৮ টাকা।

আরও পড়ুনরেমাক্রি জলপ্রপাত

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে হাম হাম যেতে হলে শ্রীমঙ্গল হয়ে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক।

কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যেতে ২-৩ ঘন্টা লাগবে।

ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যাবার দুটো ট্রেইল আছে আছে, ঝিরি পথ ও পাহাড়ি পথ।

কলাবন পাড়া পৌছে ২০০/৩০০ টাকার মধ্যে একজন ভাল গাইড ঠিক করে নিন।

শ্রেনীভেদে ভাড়া ২৭৫-৯৮৮ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

হাম হাম ঝর্নার আশেপাশে থাকার মতো কোন ব্যবস্থাই নেই। তাই খুব সকালে রওনা দিয়ে দিনে দিনে ফিরে আসাই ভালো। যদিও আদিবাসীদের সাথে কথা বলে যদি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন যদিও তৈলংবাড়ী কিংবা কলাবন পাড়াতে থাকতে পারেন। শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল আছে, এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান (পাঁচ তারকা), নভেম রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো কটেজ, টি মিউজিয়াম রিসোর্ট, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, টি টাউন রেস্ট হাউস, হোটেল প্লাজা, বি.টি.আর.আই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

খিদে মেটানোর জন্য কলাবন পাড়ায় কিছু খাবার খেয়ে নিতে পারেন। এছাড়া সাথে শুকনো খাবার নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। কলাবন পাড়ায় জায়গাীয় মানুষদের দেওয়া একটা ছোট হোটেল আছে। আজকাল হাম হাম ঝর্ণার পাদদেশে চা, ছোলাবুট পাওয়া যায়, যা আপনার সাময়িক খিদে নিবারন করতে সক্ষম হবে। যাবার সময় অর্ডার করে গেলে ফিরে আসার পর খেয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া শ্রীমঙ্গল ফিরে এসে শহরে মোটামুটি মানের রেস্তোরাঁ আছে সেখানে ভরপেট খেয়ে নিতে পারবেন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

ট্রেকিং এর জন্যে ভালো গ্রীপের জুতো ব্যববার করবেন, বিশেষ করে বর্ষাকালে গেলে। পাহাড়ি উঁচু নিচু পথ, চলার সময় সাবধান থাকবেন। ফার্স্ট এইডের জন্যে যা প্রয়োজন সাথে রাখবেন। সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন যেন হামহাম থেকে ফিরে আসার পথেই সন্ধ্যা না হয়ে যায়। ব্যাকপ্যাক যত সম্ভব হালকা রাখবেন। ঝর্ণা ও ট্রেইলে দয়া করে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না। জায়গাীয় মানুষদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। সাথে পর্যাপ্ত পানি রাখবেন, প্রয়োজনে সাথে করে স্যালাইন নিতে যাবেন। আরও পড়ুনরেমাক্রি জলপ্রপাত

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

হামহাম জলপ্রপাত কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে হাম হাম যেতে হলে শ্রীমঙ্গল হয়ে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যেতে ২-৩ ঘন্টা লাগবে। ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা। কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যাবার দুটো ট্রেইল আছে আছে, ঝিরি পথ ও পাহাড়ি পথ। কলাবন পাড়া পৌছে ২০০/৩০০ টাকার মধ্যে একজন ভাল গাইড ঠিক করে নিন। শ্রেনীভেদে

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

হাম হাম ঝর্নার আশেপাশে থাকার মতো কোন ব্যবস্থাই নেই। তাই খুব সকালে রওনা দিয়ে দিনে দিনে ফিরে আসাই ভালো। যদিও আদিবাসীদের সাথে কথা বলে যদি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন যদিও তৈলংবাড়ী কিংবা কলাবন পাড়াতে থাকতে পারেন। শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য নানা মানের হোটেল আছে, এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান (পাঁচ তারকা), নভ

হামহাম জলপ্রপাত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে ২০১০ সালের শেষের দিকে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মাকে সাথে নিয় একদল দর্শনার্থী হাম হামের এই অনিন্দ্য জলপ্রপাতটি আবিষ্কার করেন। কলাবন পাড়া থেকে হামহাম যেতে ২-৩ ঘন্টা লাগবে। বাসে করে শ্রীমঙ্গল যেতে সময় লাগে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide Sylhet
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.