২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন কতজন? সরকারি কোটা কি বেড়েছে, নাকি কমেছে? অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন — কারণ কোটা না জানলে আবেদনের সঠিক সময় বোঝা যায় না।
Hajj 2026 বাংলাদেশ কোটা — দ্রুত তথ্য
- মোট কোটা (আনুমানিক): ১,২৭,১৯৮ জন
- সরকারি ব্যবস্থাপনায়: প্রায় ১৫%
- বেসরকারি এজেন্সিতে: প্রায় ৮৫%
- আবেদন শুরু: ডিসেম্বর ২০২৫ (আনুমানিক)
- হজ তারিখ ২০২৬: জুন ২০২৬ (হিজরি অনুযায়ী)
বাংলাদেশের Hajj কোটা আসলে কীভাবে নির্ধারণ হয়?
সৌদি আরব প্রতিটি দেশকে তাদের মুসলিম জনসংখ্যার ভিত্তিতে কোটা দেয় — সাধারণত প্রতি ১০০০ মুসলিমের জন্য ১ জন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও মুসলিম অনুপাত অনুযায়ী এই সংখ্যা প্রতি বছর কিছুটা ওঠানামা করে। ২০২৪ সালে করোনা-পরবর্তী সময়ে সৌদি আরব পূর্ণ কোটা চালু করেছিল, ২০২৬ এও সেটা বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ — কোটা ও নিয়ম
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে হলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়। এই অংশে সিট সংখ্যা সীমিত — প্রতি বছর আনুমানিক ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ এর মধ্যে। lottery system এ selection হয়, তাই আগে আগে আবেদন করাটা জরুরি। সরকারি প্যাকেজে খরচ বেসরকারির তুলনায় কিছুটা কম হলেও সুবিধা ও flexibility কম।
বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে হজ — কোটা বাস্তবতা
মোট কোটার প্রায় ৮৫% বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলো পায়। বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত হজ এজেন্সির সংখ্যা কয়েকশো। প্রতিটি এজেন্সি নির্দিষ্ট সংখ্যক সিট পায় — এবং তারা সেটা নিজেদের মতো করে package তৈরি করে বিক্রি করে। ভালো এজেন্সি খুঁজে পেতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত এজেন্সির তালিকা দেখুন।
২০২৬ সালে কোটা নিয়ে যা জানা জরুরি
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের কোটা ঘোষণা করবে। সেই ঘোষণার পরে ধর্ম মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের হজ নীতি চূড়ান্ত করবে। এই কারণে যারা হজের পরিকল্পনা করছেন তাদের উচিত এখনই পাসপোর্ট, মেডিকেল সার্টিফিকেট, ও মেনিনজাইটিস টিকা প্রস্তুত রাখা — কারণ আবেদন খুললে সময় কম থাকে।
সতর্কতা
অনিবন্ধিত বা ভুয়া হজ এজেন্সির কাছে টাকা দেবেন না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (hajj.gov.bd) নিবন্ধন নম্বর যাচাই করুন। প্রতি বছর বহু মানুষ প্রতারণার শিকার হন।
হজের ফ্লাইট ও প্যাকেজ সংক্রান্ত আপডেট পেতে Tripzao এ সার্চ করুন — সরকারি ঘোষণার সাথে সাথে আমরা আপডেট দিই।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
২০২৬ সালে বাংলাদেশের মোট হজ কোটা কত?
সৌদি আরবের নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রতি বছর আনুমানিক ১,২৭,০০০ থেকে ১,৩০,০০০ কোটা পায়। ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সংখ্যা ২০২৫ সালের শেষে ঘোষণা হবে।
সরকারি হজ প্যাকেজে আবেদন কখন শুরু হয়?
সাধারণত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে আবেদন শুরু হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (hajj.gov.bd) নিয়মিত দেখুন।
একবার হজ করা থাকলে কি আবার আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ, যায়। তবে বাংলাদেশে নীতিমালা আছে যে যারা আগে হজ করেননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয় lottery তে।