ঢাকেশ্বরী মন্দির (Dhakeshwari Temple) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ পুণ্যজায়গা এবং জাতীয় মন্দির। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের উত্তর-পশ্চিম কোণে ৪টি শিব মন্দির, সন্তোষী মাতার মন্দির, অনুভোগের জায়গা, রান্নাঘর, ফল কাটার কক্ষ, জুতা রাখার জায়গা রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

ঢাকেশ্বরী মন্দির সম্পর্কে
এছাড়াও এখানে রয়েছে একটা বড় মাঠ যা উৎসবের সময় ব্যবহৃত হয়। এখন মন্দিরটি একটা ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং সরকারি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের তালিকাভুক্ত। তাই ইতিহাস-সমৃদ্ধগণদের মতে, ধারাবাহিক সংস্কারের ফলে মন্দিরটির মূল নকশার এমন পরিবর্তন ঘটেছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার সলিমুল্লাহ হলের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঢাকেশ্বরী রোডে রয়েছে। সাপ্তাহিক প্রার্থনার সময়প্রত্যেক দিন সকাল ৭টা ও সন্ধ্যা ৭টায় দুর্গা মায়ের নিয়মিত পূজা ও আরতি অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি পাকিস্তানী বাহিনী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঢাকেশ্বরী শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘ঢাকার ঈশ্বরী’।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে শাহবাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় এসে রিকশা করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছানো যায়। আর মূল মন্দির প্রাঙ্গনের বাইরে মহানগর পূজা মণ্ডপে প্রতি বছর দেশের বৃহত্তম শারদীয় দুর্গা পূজা আয়োজন করা হয়। যদিও তৎকালীন সময়কার স্থাপনার নির্মাণশৈলীর সাথে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের স্থাপত্যকলার তেমন মিল পাওয়ার সুযোগ আছে না।
১২শ শতাব্দীতে সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেনের মাধ্যমে এই মন্দিরটি নির্মিত হয়। বিশেষ ধর্মীয় তিথি বা উৎসবে এই সময়সূচী পরিবর্তন হতে পারে। এখন প্রশাসনিক আধুনিকায়নের ফলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিসিটিভি নিয়ন্ত্রণ কক্ষসহ ডিজিটাল তথ্যকেন্দ্র, কোয়ার্টার, গেষ্ট রুম, সভাকক্ষ, সমৃদ্ধ লাইব্রেরী, উন্নত ফুলের বাগান এবং সংস্কারকৃত পাড় বাঁধানো পুকুর রয়েছে।
এছাড়াও বিশেষ দিনগুলোতে পূজার সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো:শুক্রবার সকাল ১০ টায় মা সন্তোষীর পূজা, শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় শনি পূজা, রবিবার বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত কীর্তন হরী সেবা, সোমবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত শিব পূজা, আর মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত দুর্গা মাতার অর্চনা করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী সময়ে মন্দিরের মূল নকশা অনুযায়ী পুনর্তৈরি করা হয়েছে এবং ১৯৯৬ সালে এটিকে ‘জাতীয় মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মন্দিরের মণ্ডপে রয়েছে ধাতু-নির্মিত দুর্গা দেবীর প্রতিমার স্থায়ী বেদী।
আবার বহুে মনে করেন, এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নাম থেকেই ঢাকার নামকরণ করা হয়েছে। এছারা মেট্রোরেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন অথবা শাহবাগ স্টেশন এ নেমে সহজেই রিকশায় বা হেঁটে ১০-১৫ মিনিটে মন্দিরে পৌঁছাতে পারেন। তাছাড়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার অঞ্চল দিয়েও সড়কপথে এখানে পৌঁছানো যায়।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে শাহবাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় এসে রিকশা করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছানো যায়।
এছারা মেট্রোরেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন অথবা শাহবাগ স্টেশন এ নেমে সহজেই রিকশায় বা হেঁটে ১০-১৫ মিনিটে মন্দিরে পৌঁছাতে পারেন।
তাছাড়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার অঞ্চল দিয়েও সড়কপথে এখানে পৌঁছানো যায়।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকেশ্বরী মন্দির কীভাবে যাবেন?
ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে শাহবাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় এসে রিকশা করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছানো যায়। এছারা মেট্রোরেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন অথবা শাহবাগ স্টেশন এ নেমে সহজেই রিকশায় বা হেঁটে ১০-১৫ মিনিটে মন্দিরে পৌঁছাতে পারেন। তাছাড়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার অঞ্চল দিয়েও সড়কপথে এখানে
ঢাকেশ্বরী মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঢাকেশ্বরী মন্দির (Dhakeshwari Temple) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ পুণ্যজায়গা এবং জাতীয় মন্দির। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের উত্তর-পশ্চিম কোণে ৪টি শিব মন্দির, সন্তোষী মাতার মন্দির, অনুভোগের জায়গা, রান্নাঘর, ফল কাটার কক্ষ, জুতা রাখার জায়গা রয়েছে। এছাড়াও এখানে রয়ে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

